টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ম্যাক্রোলেসিথাল ডিম্বাণু পাওয়া যায় কোন প্রাণীতে?

A. উভচর
B. পাখি
C. মানুষ
D. একাইনোডার্ম
সঠিক উত্তরঃ B. পাখি
Explanation:

Another Explanation (5):

ম্যাক্রোলেসিথাল ডিম্বাণু: পাখির ডিমের বিশদ আলোচনা 🥚🐦

ম্যাক্রোলেসিথাল ডিম্বাণু হলো সেই ডিম্বাণু, যেখানে কুসুমের (Yolk) পরিমাণ অত্যন্ত বেশি থাকে। এই কুসুম ডিমের মধ্যে থাকা ভ্রূণের খাদ্য সরবরাহ করে। পাখির ডিম এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। নিচে এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হলো:

ম্যাক্রোলেসিথাল ডিম্বাণুর বৈশিষ্ট্য 📝

  • কুসুমের প্রাচুর্য: এই ধরনের ডিম্বাণুতে কুসুমের পরিমাণ সামগ্রিক ডিমের একটি বৃহৎ অংশ জুড়ে থাকে।
  • মেরুবর্তিতা: কুসুমের আধিক্যের কারণে ডিমের মধ্যে সুস্পষ্ট মেরু দেখা যায়। ডিমের যে প্রান্তে কুসুম বেশি থাকে, সেটি ভেজিটাল মেরু (Vegetal pole) এবং যেখানে কুসুম কম থাকে সেটি অ্যানিম্যাল মেরু (Animal pole) নামে পরিচিত।
  • ক্লিভেজ: কুসুমের আধিক্যের কারণে ক্লিভেজ (Cleavage) বা বিভাজন সম্পূর্ণ হয় না, ডিমের একটি নির্দিষ্ট অংশেই সীমাবদ্ধ থাকে। একে মেরোব্লাস্টিক ক্লিভেজ (Meroblastic cleavage) বলে।

কেন পাখির ডিম ম্যাক্রোলেসিথাল? 🤔

পাখির ডিম ম্যাক্রোলেসিথাল হওয়ার প্রধান কারণ হলো ডিমের মধ্যে ভ্রূণের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করা। ডিম পাড়ার পরে পাখির ডিমের বাইরে থেকে খাদ্য সরবরাহের কোনো সুযোগ থাকে না। তাই ডিমের কুসুমের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য উপাদান সঞ্চিত থাকে, যা ভ্রূণের সম্পূর্ণ বিকাশে সহায়তা করে।🐣

ম্যাক্রোলেসিথাল ডিমের গঠন 🔎

অংশ বর্ণনা
কুসুম (Yolk) ভ্রূণের প্রধান খাদ্য উৎস। প্রোটিন, ফ্যাট এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ। 💛
জার্মিনাল ডিস্ক (Germinal Disc) ডিমের অ্যানিম্যাল মেরুতে অবস্থিত, যেখানে ভ্রূণ তৈরি হয়।
অ্যালবুমেন (Albumen) কুসুমের চারপাশে থাকা প্রোটিন সমৃদ্ধ তরল, যা ভ্রূণকে সুরক্ষা দেয় এবং অতিরিক্ত পুষ্টি সরবরাহ করে। 🥛
শেল (Shell) ডিমের বাইরের শক্ত আবরণ, যা ভ্রূণকে রক্ষা করে। 🛡️

অন্যান্য প্রাণীতে ম্যাক্রোলেসিথাল ডিম 🐠🐢

পাখি ছাড়াও কিছু মাছ (যেমন হাঙ্গর🦈) এবং সরীসৃপের (যেমন কচ্ছপ🐢) ডিমেও ম্যাক্রোলেসিথাল অবস্থা দেখা যায়। তবে পাখির ডিমের মতো এত বেশি কুসুম সাধারণত থাকে না।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ❗

  • ম্যাক্রোলেসিথাল ডিম্বাণু প্রাণীদের মধ্যে খাদ্য সঞ্চয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোজন।
  • এটি ভ্রূণের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।
  • বিভিন্ন প্রাণীর ডিমের কুসুমের পরিমাণে ভিন্নতা দেখা যায়।

আশা করি, এই আলোচনা থেকে ম্যাক্রোলেসিথাল ডিম্বাণু এবং পাখির ডিম সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়েছে। 😊

Option A Explanation:
  • উভচর প্রাণীতে ম্যাক্রোলেসিথাল ডিম্বাণু পাওয়া যায়:
  • উভচর প্রাণীগুলোর ডিম্বাণু সাধারণত বড় আকারের হয়, যা ম্যাক্রোলেসিথাল নামে পরিচিত।
  • এটি ডিম্বাণুর একটি বিশেষ ধরণ, যেখানে ডিমের সেলুলার উপাদানগুলো বৃহৎ আকারের হয়।
  • উভচর প্রাণীদের ডিমের মধ্যে সাধারণত অনেক বেশি ফলিকুলার উপাদান থাকে, যা ডিমের আকারকে বড় করে তোলে।
  • উভচরদের ডিম থেকে গর্ভধারণের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে বড় আকারের ডিম্বাণু।
Option B Explanation:
  • পাখির লোহিত কণিকার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এতে নিউক্লিয়াসের অনুপস্থিতি।
  • এটি রক্তের অক্সিজেন বহন করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি, যেখানে নিউক্লিয়াসের অভাব রক্তের শোষণ ও পরিবহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • নিউক্লিয়াসের অনুপস্থিতির কারণে পাখির লোহিত কণিকা আরও ছোট এবং বেশি সংখ্যক হতে পারে, যা অক্সিজেন পরিবহণের জন্য উপকারী।
  • অন্য প্রাণীদের লোহিত কণিকায় সাধারণত নিউক্লিয়াস উপস্থিত থাকে, যা কোষের জৈবিক কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয়।
Option C Explanation:
  • প্রজনন: মানুষ ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাসের প্রধান পোষকদেহ, যেখানে এই ভাইরাসের প্রজনন ও সংক্রমণ ঘটে।
  • সংক্রমণ: মানুষ এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে, যা সাধারণত শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
  • উপসর্গ: সংক্রমণের ফলে সাধারণত শ্বাসকষ্ট, জ্বর, ক্লান্তি ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
  • প্রতিরোধ: উপযুক্ত ভ্যাকসিন ও সতর্কতা ??বলম্বন করে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমানো যায়।
Option D Explanation:

একাইনোডার্ম (Coelomates) ব্যাখ্যা:

  • একাইনোডার???ম হলো প্রাণীর একটি শ্রেণী বা গোষ্ঠী, যাদের দেহে একটি মুক্ত বা খালি কোষের ঝিল্লি দ্বারা ঘেরা স্ফীত কোষ বা কোষপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
  • এদের দেহের ভিতরে একটি পূর্ণাঙ্গ কোষ বা কোষপুঞ্জের সিস্টেম থাকে, যা দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে আলাদা করে রাখে।
  • উদাহরণস্বরূপ, অনেক জলজ এবং স্থলচর প্রাণী যেমন মাছ, সরীসৃপ, উভচর ও স্তন্যপায়ী এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
  • এঁরা সাধারণত দেহের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কোষ বা কোষপুঞ্জের সিস্টেম থাকায় দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সুসংগঠিত ও স্বচ্ছন্দে কাজ করে।