টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অ্যামিবাকে দুটি ভাগে ভাগ করলে একটি নিউক্লিয়াসযুক্ত-

A. দুটিই মারা যাবে
B. শুধু নিউক্লিয়াসযুক্ত অংশটি বাঁচবে
C. দুটিই বেঁচে যাবে
D. শুধু নিউক্লিয়াস বিহীন অংশটি বেঁচে যাবে
সঠিক উত্তরঃ C. দুটিই বেঁচে যাবে
Explanation:

একটি অ্যামিবা তার কোষঝিল্লির মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজটি করে বেঁচে থাকে।একটি অ্যামিবাকে কেটে ফেলা হলে এটি সাথেসাথেই এর চারদিকে নতুন কোষঝিল্লি তৈরি করে নেয়।তাই দুটি অংশই বেঁচে থাকে।

Another Explanation (5):

অ্যামিবার বিভাজন: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 🧐

অ্যামিবা একটি একককোষী জীব। এদের বংশবৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া হলো দ্বিবিভাজন (Binary Fission)। এই প্রক্রিয়ায় একটি অ্যামিবা প্রথমে তার নিউক্লিয়াসকে বিভক্ত করে এবং পরবর্তীতে সাইটোপ্লাজম বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য অ্যামিবার সৃষ্টি করে।

বিভাজন প্রক্রিয়াটি কীভাবে ঘটে? 🤔

1. নিউক্লিয়াসের বিভাজন (Karyokinesis): অ্যামিবার নিউক্লিয়াস প্রথমে লম্বা হয় এবং ধীরে ধীরে মাঝ বরাবর সংকুচিত হতে শুরু করে। এই সময় নিউক্লিয়াসের মধ্যে থাকা ক্রোমাটিন উপাদানগুলো দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যায়। 🧬 2. সাইটোপ্লাজমের বিভাজন (Cytokinesis): নিউক্লিয়াসের বিভাজন শেষ হলে সাইটোপ্লাজমও মাঝ বরাবর সংকুচিত হতে থাকে এবং দুটি অংশে ভাগ হয়ে যায়। 🔪 3. দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি: অবশেষে, সাইটোপ্লাজম সম্পূর্ণরূপে বিভক্ত হয়ে দুটি নতুন অ্যামিবার সৃষ্টি করে। এই দুটি অ্যামিবাই মাতৃ অ্যামিবার মতো একই রকম জেনেটিক উপাদান ধারণ করে। 👯‍♀️

নিউক্লিয়াসের ভূমিকা 🎯

নিউক্লিয়াস কোষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি কোষের যাবতীয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে এবং বংশগতির ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করে। তাই, অ্যামিবার বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াসের সঠিক বিভাজন অত্যন্ত জরুরি।

যদি একটি অ্যামিবার বিভাজনের পর একটি নিউক্লিয়াসযুক্ত হয়: 💯

যদি অ্যামিবা দুটি ভাগে বিভক্ত হওয়ার সময় একটি অংশের মধ্যে নিউক্লিয়াস থাকে এবং অন্য অংশে নিউক্লিয়াস না থাকে, তাহলে যে অংশে নিউক্লিয়াস থাকবে কেবলমাত্র সেটিই বেঁচে থাকবে। কারণ নিউক্লিয়াসবিহীন অংশটি কোষের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না এবং ধীরে ধীরে মারা যাবে। 💀

বিষয়টিকে একটি টেবিলের সাহায্যে দেখানো হলো: 📊

| বৈশিষ্ট্য | নিউক্লিয়াসযুক্ত অ্যামিবা | নিউক্লিয়াসবিহীন অ্যামিবা | | --------------- | ---------------------- | ---------------------- | | বেঁচে থাকার সম্ভাবনা | হ্যাঁ ✅ | না ❌ | | কার্যক্রম | স্বাভাবিক | বন্ধ হয়ে যাবে | | বংশবৃদ্ধি | সম্ভব | অসম্ভব |

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ: 💡

* অ্যামিবার দ্বিবিভাজন একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে নিউক্লিয়াসের সঠিক বিভাজন অপরিহার্য। * নিউক্লিয়াসবিহীন অ্যামিবা বাঁচতে পারে না। * এই বিভাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যামিবা তার বংশবৃদ্ধি করে। আশা করি, এই ব্যাখ্যা অ্যামিবার বিভাজন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊
Option A Explanation:
  • অ্যামিবা একটি একক কোষবিশিষ্ট অণুজীব।
  • এটি অপ্রত্যাশিত বা অপ্রত্যাশিতভাবে বিভক্ত হতে পারে।
  • যখন এটি দুটি ভাগে বিভক্ত হয়, তখন উভয় ভাগেরই নিজস্ব নিউক্লিয়াস থাকে।
  • প্রতিটি নিউক্লিয়াস নতুন করে পৃথক হয়ে একটি নতুন অ্যামিবা তৈরি করে।
  • অতএব, এই বিভাজনের ফলে দুটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র অ্যামিবা সৃষ্টি হয়।
  • এই প্রক্রিয়ার সময়, মূল অ্যামিবার দুটি ভাগে বিভক্ত হওয়ার ফলে, দুটি নতুন অ্যামিবা তৈরি হয়, প্রতিটির নিজস্ব নিউক্লিয়াসসহ।
  • তাই, এই বিভাজনের ফলে কোনও অ্যামিবা মারা যায় না; বরং, উভয়ই নতুন জীবন লাভ করে।
Option B Explanation:
  • অ্যামিবা একটি একক কোষযুক্ত জীবনবৈচিত্র্য, যা সাধারণত সেলুলার স্তরে জীবনযাপন করে।
  • নিউক্লিয়াস হলো কোষের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি গঠন, যা জিনের ধারণ করে এবং কোষের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
  • যখন অ্যামিবাকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়, তখন সাধারণত নিউক্লিয়াস সহ একটি অংশ থাকে এবং অন্যটি নিউক্লিয়াস বিহীন হয়।
  • নিউক্লিয়াসযুক্ত অংশটি কোষের কেন্দ্রস্থলে থাকা জিনের সংরক্ষণাগার এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়ী, যা কোষের জীবনধারা চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
  • অন্যদিকে, নিউক্লিয়াস বিহীন অংশটি মূলত সাইটোপ্লাজমসহ অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে থাকে, তবে এটি সাধারণত নতুন কোষের জন্য প্রয়োজনীয় জিনগত তথ্য ধারণ করে না।
  • অতএব, যখন অ্যামিবা ভাগ হয়, তখন শুধু নিউক্লিয়াসযুক্ত অংশটি বেঁচে থাকে কারণ এটি কোষের মূল জীবনী শক্তি ও কার্যক্ষমতা বহন করে।
Option C Explanation:
  • অ্যামিবা একটি একক কোষের জীবজন্তু যা সাধারণত অর্ধেক বিভাজন বা বিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়।
  • বিভাজনের সময়, অ্যামিবা তার সেলুলার উপাদান দুটি সমান ভাগে ভাগ করে নেয়।
  • নিউক্লিয়াসের বিভাজন ঘটে, ফলে দুটি নতুন নিউক্লিয়াস গঠিত হয়।
  • প্রতিটি ভাগে একটি করে নিউক্লিয়াস থাকায়, উভয় অংশই স্বতন্ত্রভাবে জীবনধারণ করতে সক্ষম হয়।
  • সুতরাং, এই বিভাজনে উভয় অংশই নতুন জীবনধারী হয়ে উঠতে সক্ষম হয় এবং জীবিত থাকে।
Option D Explanation:
  • অ্যামিবা একপ্রাণী যা সাধারণত অর্ধেক বিভাজন বা বিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়।
  • যখন অ্যামিবাকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়, তখন মূলত তার সেলুলার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও নিউক্লিয়াস বিভক্ত হয়।
  • নিউক্লিয়াস একটি কেন্দ্রীয় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যা ডিএনএ ধারণ করে, যা জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জেনেটিক তথ্য বহন করে।
  • বিভাজনের সময়, নিউক্লিয়াস বিভক্ত হয় বা হারিয়ে যায়, নির্ভর করে বিভাজনের ধরণ ও পরিস্থিতির উপর।
  • যদি শুধুমাত্র নিউক্লিয়াস বিহীন অংশটি বেঁচে যায়, তাহলে এটি বলতে বোঝায় যে মূল জীবের জেনেটিক তথ্য হারিয়ে গেছে বা ভাগ হয়ে গেছে।
  • এই পরিস্থিতিতে, নিউক্লিয়াস ছাড়া অংশটি সাধারণত জীবিত থাকতে পারে না কারণ এটি জেনেটিক নির্দেশনা ও কার্যকলাপের জন্য অপরিহার্য।