টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

গোদ রোগ সৃষ্টিকারী পরজীবিটির নাম-

A. Entamoeba histolytica
B. Lamellidens marginales
C. Wuchereria bancrofti
D. Plasmodium malariae
সঠিক উত্তরঃ C. Wuchereria bancrofti
Explanation:

Another Explanation (5):

গোদ রোগ : কারণ ও পরজীবী🦠

গোদ রোগ, যা ফাইলেরিয়াসিস নামেও পরিচিত, একটি কষ্টকর রোগ। এটি মূলত🦟🦟🦟 মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই রোগের প্রধান কারণ একটি পরজীবী কৃমি। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

গোদ রোগের কারণ:

  • মূল কারণ: গোদ রোগের প্রধান কারণ হলোthread-like পরজীবী কৃমি।
  • পরজীবীর নাম: এই রোগের জন্য দায়ী পরজীবীটি হলো Wuchereria bancrofti।🐛🐛🐛
  • সংক্রমণ প্রক্রিয়া: মশা যখন🦟🦟🦟 কোনো রোগীকে কামড়ায়, তখন মশা এই পরজীবী বহন করে। পরবর্তীতে, ঐ মশা যখন সুস্থ মানুষকে কামড়ায়, তখন এই পরজীবী সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করে এবং রোগ সৃষ্টি করে।

Wuchereria bancrofti সম্পর্কে কিছু তথ্য:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
শ্রেণী Nematoda
আকার পুরুষ কৃমি: 40 মিমি, মহিলা কৃমি: 100 মিমি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।📏
জীবন চক্র মানুষ এবং মশা🦟🦟🦟 উভয়ের শরীরেই এই পরজীবী তার জীবনচক্র সম্পন্ন করে।
আবাসস্থল মানুষের লসিকানালী (lymphatic vessels)।

গোদ রোগের লক্ষণসমূহ:

  1. প্রাথমিক লক্ষণ: জ্বর🤒, শরীর ব্যথা🤕, লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া।
  2. দীর্ঘমেয়াদী লক্ষণ: হাত, পা, স্ক্রোটাম (scrotum) অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া।🐘🦵
  3. অন্যান্য লক্ষণ: চামড়া মোটা হয়ে যাওয়া, চামড়ায় ক্ষত সৃষ্টি হওয়া।

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা:

  • প্রতিরোধ: মশা নিয়ন্ত্রণ🦟🦟🦟, মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারী ব্যবহার করা।
  • চিকিৎসা: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করা।💊💉

সচেতনতাই পারে এই রোগ থেকে মুক্তি দিতে। 🙏🤝😊

Option A Explanation:
  • নাম: Entamoeba histolytica
  • প্রকার: এককোষী পরজীবী (প্রোটোজোয়া)
  • উৎপত্তি ও সংক্রমণ: মানবদেহে পেটের লিভার, আন্ত্র, ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সংক্রমিত করে
  • বৈশিষ্ট্য: এই পরজীবী আন্ত্রের ক্ষত সৃষ্টি করে এবং অন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়, যা "অ্যামেবিয়াসিস" নামে পরিচিত
  • প্রভাব: ডায়েরিয়া, পেটব্যথা, এবং কখনো কখনো গুরুতর অন্ত্রের ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে
  • প্রজনন ও জীবনচক্র: আক্রমণকারী অঙ্গের মধ্যে জীবন্ত অবস্থায় থাকতে পারে, এবং অস্থিরভাবে ছড়িয়ে পড়ে
Option B Explanation:
  • Lamellidens marginales হলো একটি প্রজাতির ঝিনুক (mollusk) যা সাধারণত পানির মধ্যে পাওয়া যায়।
  • এটি মূলত পানির বাস্তুতন্ত্রে থাকে এবং জলজ জীবজন্তুর মধ্য দিয়ে জীবনের চক্র সম্পন্ন করে।
  • Lamellidens marginales এর মাধ্যমে কিছু পরজীবী রোগের সংক্রমণ হতে পারে, তবে এটি নিজে একটি পরজীবী নয়।
  • এটি বিভিন্ন প্রকারের অ্যানিমেল বা উদ্ভিদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option C Explanation:
  • Wuchereria bancrofti হল এক প্রকার পরজীবী, যা ফিলারিয়ালিয়াসিসের কারণ হয়ে থাকে।
  • এটি মূলত মানুষের লিম্ফাটিক সিস্টেমে বাস করে এবং লিম্ফা প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।
  • এটি মূলত মশার মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমে বৃদ্ধি পায়।
  • অন্তর্বর্তী হোস্ট হিসেবে সাধারণত Anopheles বা Culex প্রজাতির মশা কাজ করে।
  • প্রধান উপসর্গের মধ্যে ফোলা, অস্বস্তি এবং লিম্ফেডেমা দেখা যায়, যা সাধারণত পায়ে বা অন্যান্য অংশে হয়ে থাকে।
  • এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী পরজীবী, যা মানবদেহে দীর্ঘ সময় বাস করতে পারে এবং সুস্থ জীবনে সমস্যার সৃষ্টি করে।
Option D Explanation:
  • নাম: Plasmodium malariae
  • প্রকার: পরজীবী প্রোটোজোয়া (প্রোটোজোয়া পরজীবী)
  • সংক্রান্ত রোগ: মালেরিয়া (Malaria)
  • প্রভাব: রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রান্ত করে, জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়
  • প্রজনন: মানসিক মধ্যবর্তী পরজীবী (অ্যামাইবোসিস বা অন্য কিছু নয়, বরং মালেরিয়ার জন্য প্রজনন করে)
  • আবাস: মানবদেহের রক্তপ্রবাহে থাকে এবং এদের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
  • সংক্রমণ পদ্ধতি: এঁড়ে বা মাছি দ্বারা সংক্রমিত হয়, যখন তারা আক্রান্ত রক্তের সাথে যোগাযোগ করে