টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

দ্বিপার্শ্বিয় প্রতিসাম্যতার উদাহরণ কোনটি?

A. pilla
B. Aurelia
C. Fejervarya
D. Heliozoa
সঠিক উত্তরঃ C. Fejervarya
Explanation: দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্যের উদাহরণ হলো Fejervarya (ব্যাঙ)। এই প্রকার প্রাণীরা একমাত্র মধ্যরেখা বরাবর বিভক্ত হলে উভয় পা???ে সমান অংশ দেখা যায়। অপশন A (Pilla): ভুল, কারণ এটি মোলাস্কা পর্বের অন্তর্গত। অপশন B (Aurelia): ভুল, এটি রেডিয়াল প্রতিসাম্যযুক্ত। অপশন D (Heliozoa): ভুল, কারণ এটি রেডিয়াল প্রতিসাম্যযুক্ত। নোট: দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য প্রাণীর চলাচল এবং পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Another Explanation (5):

দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতা: "Fejervarya" একটি উদাহরণ

দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতা (Bilateral symmetry) বলতে বোঝায় যখন কোনো জীবকে একটিমাত্র রেখা বরাবর সমান দুটি অংশে ভাগ করা যায়, যেখানে একটি অংশ অন্য অংশের প্রতিবিম্বের মতো হয়। মানুষের শরীর এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ। মেরুদণ্ডী প্রাণী ও অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে অনেকেই এই প্রতিসাম্যতা প্রদর্শন করে।

"Fejervarya" : দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

"Fejervarya" হলো ব্যাঙের একটি প্রজাতি। এদের শরীর স্পষ্টভাবে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম।

বৈশিষ্ট্য যা দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতা প্রমাণ করে:

  • শারীরিক গঠন: এদের শরীরের বাম এবং ডান দিক প্রায় একই রকম। 🐸
  • অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ: এদের সামনের এবং পিছনের পাগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে এবং মোটামুটিভাবে একই আকার ও গঠনের হয়। 🐾
  • সংবেদী অঙ্গ: চোখ, কান ইত্যাদি অঙ্গগুলো শরীরের দুই পাশে একই স্থানে অবস্থিত। 👀👂

দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতার সুবিধা:

  1. চলন: শিকার ধরা এবং শিকারীর হাত থেকে বাঁচতে দ্রুত নড়াচড়া করতে সুবিধা হয়। 🏃‍♂️
  2. স্থিতিশীলতা: ভারসাম্য রক্ষা করতে সুবিধা হয়। 🤸‍♀️
  3. সংবেদী অঙ্গের ব্যবহার: পারিপার্শ্বিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পেতে সুবিধা হয়। 🤔

বিভিন্ন প্রাণীতে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতা:

প্রাণীর শ্রেণী উদাহরণ বৈশিষ্ট্য
মেরুদণ্ডী মানুষ, মাছ, পাখি সুস্পষ্ট প্রতিসাম্যতা দেখা যায়। 🚶‍♀️🐟🐦
অমেরুদণ্ডী কীটপতঙ্গ, প্রজাপতি, চিংড়ি বহিঃকঙ্কাল প্রতিসাম্যতা রক্ষা করে। 🦋🦐🐜

সুতরাং, "Fejervarya" ব্যাঙের প্রজাতি দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতার একটি উপযুক্ত উদাহরণ। 👍

আরও কিছু তথ্য

দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতা শুধুমাত্র বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যেই সীমাবদ্ধ নয়, অভ্যন্তরীণ অঙ্গবিন্যাসেও এর প্রভাব দেখা যায়।

কিছু ব্যতিক্রম অবশ্যই রয়েছে, যেমন কিছু শামুকের শরীর পেঁচানো হওয়ার কারণে প্রতিসাম্যতা কিছুটা পরিবর্তিত হয়। 🐌

Option A Explanation:

অপশন: pilla

  • প্রকার: এটি সাধারণত এক ধরনের আণবিক বা জৈবিক উপাদান বা অঙ্গ-প্রতঙ্গের নাম হতে পারে।
  • বৈশিষ্ট্য: এই শব্দটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে; তবে সাধারণত এটি কোনও নির্দিষ্ট জীব বা অঙ্গের নাম হিসেবে পরিচিত নয়।
  • ব্যাখ্যা: যদি এটি কোনও নির্দিষ্ট জীব বা অঙ্গের নাম হয়, তবে তা সম্ভবত এমন কোনও উদাহরণ যেখানে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতা দেখা যায়।
  • উপসংহার: এই অপশনটি সাধারণত কোনও বিশেষ বৈশিষ্ট্য বা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় না।
Option B Explanation:
  • প্রকার: জেলি মাছ (Cnidarian)
  • অস্তিত্ব: সমুদ্রের জলে পাওয়া যায়
  • গঠন: অনন্য গড়নের পানিসংবহনতন্ত্র
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: সরু অঙ্গসমূহের মাধ্যমে জল সরবরাহ ও গতি নিয়ন্ত্রণ করে
  • উপকারিতা: জল পরিবহন ও খাদ্য শোষণে সহায়ক
  • উপযুক্ত পরিবেশ: স্বচ্ছ ও উষ্ণ সামুদ্রিক জল
Option C Explanation:
  • নাম: Fejervarya
  • প্রজাতি: এটি একটি গন্ধযুক্ত ব্যাঙ (Frog) প্রজাতি।
  • অবস্থান: সাধারণত এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন অংশে দেখা যায়।
  • বৈশিষ্ট্য: এর শরীরের গঠন সাধারণত ছোট থেকে মাঝারি আকারের, এবং এর লেজের উপস্থিতি থাকে।
  • প্রজাতির বৈচিত্র্য: এই প্রজাতি বিভিন্ন উপপ্রজাতি ও ভিন্ন ভিন্ন এলাকার উপর নির্ভর করে ভিন্ন রূপে দেখা যায়।
  • উপকারিতা: পরিবেশে ইনসেক্ট ও অন্যান্য ক্ষুদ্র কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
Option D Explanation:

Heliozoa এর বিবরণ

  • প্রকার: এককোষী অশ্বশক্তি (Protista)
  • অঙ্গসংস্থান: সাধারণত স্পর্শকাতর অঙ্গসমূহের সাহায্যে চারপাশের খাদ্য শোষণ করে।
  • অঙ্গপ্রতিসাম্য: সাধারণত গোলীয় বা অর্ধগোলীয় আকৃতির।
  • উপস্থাপন: সাইটোপ্লাজমে অঙ্গসংস্থান ও অঙ্গপ্রতিসাম্য দ্বারা পরিচিত।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: দেহের চারপাশে সূর্যকিরণের মতো রোস্টিল বা ক্ষুদ্র কাটা গঠন থাকে, যা তাদের সূর্যের মতো দেখতে আর নাম হয়েছে Heliozoa।