টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন কোনটি?

A.

ইনসুলিন ও অক্সিটোসিন

B.

সোমাটোস্ট্যাটিন ও ডোপামিন

C.

গ্লুকাগন ও অক্সিটোসিন

D.

ইনসুলিন ও গ্লুকাগন

সঠিক উত্তরঃ D.

ইনসুলিন ও গ্লুকাগন

Explanation:

Another Explanation (5):

অগ্ন্যাশয় নিঃসৃত হরমোন: ইনসুলিন ও গ্লুকাগন 🧐

অগ্ন্যাশয় (Pancreas) একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্র গ্রন্থি। এটি একই সাথে বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। এর অন্তঃক্ষরা অংশ থেকে প্রধানত দুইটি হরমোন নিঃসৃত হয়:

  • ইনসুলিন (Insulin) 💉
  • গ্লুকাগন (Glucagon) 💪

ইনসুলিন (Insulin):

ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ (Beta cells) থেকে নিঃসৃত হয়। এর প্রধান কাজ হলো রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমানো। নিচে এর কার্যাবলী উল্লেখ করা হলো:

  1. কোষে গ্লুকোজের প্রবেশে সাহায্য করে। 🚪
  2. গ্লাইকোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত করে লিভার ও মাংসপেশিতে জমা করে। 🔄
  3. প্রোটিন এবং ফ্যাট তৈরি এবং সঞ্চয়ে সহায়তা করে। 🥩🥑

ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস মেলিটাস (Diabetes mellitus) নামক রোগ হয়। 😥

গ্লুকাগন (Glucagon):

গ্লুকাগন অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ (Alpha cells) থেকে নিঃসৃত হয়। এর প্রধান কাজ হলো রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ানো। নিচে এর কার্যাবলী উল্লেখ করা হলো:

  1. গ্লাইকোজেনোলাইসিস প্রক্রিয়ায় লিভারে সঞ্চিত গ্লাইকোজেনকে গ্লুকোজে রূপান্তরিত করে রক্তে সরবরাহ করে। ⬆️
  2. গ্লুকোনিওজেনেসিস প্রক্রিয়ায় অ্যামিনো অ্যাসিড ও অন্যান্য উৎস থেকে গ্লুকোজ তৈরি করে। 🧪

ইনসুলিন ও গ্লুকাগন একে অপরের বিপরীতভাবে কাজ করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ⚖️

ইনসুলিন ও গ্লুকাগনের তুলনামূলক আলোচনা
বৈশিষ্ট্য ইনসুলিন গ্লুকাগন
উৎপাদনকারী কোষ বিটা কোষ (Beta cells) আলফা কোষ (Alpha cells)
প্রধান কাজ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমানো রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ানো
প্রক্রিয়া গ্লাইকোজেনেসিস গ্লাইকোজেনোলাইসিস, গ্লুকোনিওজেনেসিস

সুতরাং, অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন ও গ্লুকাগন নামক হরমোন দুইটি আমাদের শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 👍

Option A Explanation:
  • ইনসুলিন: এটি একটি হরমোন যা অগ্ন্যাশয় দ্বারা নিঃসৃত হয়। এর মূল কাজ হলো রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা। ইনসুলিন কোষের মাধ্যমে রক্তের শর্করাকে কোষে প্রবেশ করাতে সহায়তা করে, ফলে রক্তের শর্করার পরিমাণ কমে যায়। এটি ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • অক্সিটোসিন: এটি একটি হরমোন যা হাইপোথ্যালামাস দ্বারা নিঃসৃত হয় এবং পরে পিটুইটারি গ্রন্থির মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রধান কাজ হলো গর্ভাবস্থায় শিশুর প্রসবের সময় স্তন্যপান ও প্রসবের সময় পেশী সংকোচনের জন্য সহায়তা করা। এটি প্রজনন ও স্তন্যদান প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত।
Option B Explanation:
  • সোমাটোস্ট্যাটিন: এটি একটি হরমোন যা বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে নিঃসৃত হয় এবং হরমোনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মূলত গ্লুকাগন ও ইনসুলিনের নিঃসরণে বাধা দেয়, ফলে রক্তের গ্লুকোজ স্তর নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • ডোপামিন: এটি একটি নিউরোট্রান্সমিটার হিসেবে পরিচিত, তবে কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গে এটি হরমোন হিসেবেও নিঃসৃত হয়। এটি প্রাথমিকভাবে মনোভাব, উদ্দীপনা এবং পুরস্কার অনুভূতিতে ভূমিকা রাখে। এছাড়াও, এটি হাইপোথ্যালামাসে নিঃসৃত হয়ে প্রজনন ও অন্ননিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option C Explanation:
  • গ্লুকাগন: এটি একটি হরমোন যা অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়, বিশেষ করে এর আলফা কোষ দ্বারা। এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীরের শক্তি স্তর বজায় রাখতে সহায়তা করে।
  • অক্সিটোসিন: এটি মূলত হাইপোথ্যালামাস থেকে নিঃসৃত হয়, তবে এটি পোষ্য অগ্ন্যাশয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়। এটি মূলত গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে, যেমন গর্ভাশয় সংকোচন ও দুধ নিঃসরণের জন্য।
Option D Explanation:
  • ইনসুল???ন: এটি একটি হরমোন যা অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়। এটি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ইনসুলিন শরীরের কোষগুলোকে শর্করা গ্রহণে উৎসাহিত করে, ফলে রক্তের শর্করা কমে যায় এবং এটি শক্তির জন্য ব্যবহৃত হয় বা সংরক্ষিত হয়।
  • গ্লুকাগন: এটি অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে গেলে নিঃসৃত হয় এবং শরীরের সংরক্ষিত শর্করাকে গ্লুকোজে রূপান্তর করে রক্তে মুক্ত করে, ফলে রক্তের শর্করা বাড়ে। এটি রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।