টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন পর্বের সকল প্রাণী সামুদ্রিক? 

A.

Porifera

B.

Cnidaria

C.

Mollusca

D.

Echinodermata

সঠিক উত্তরঃ D.

Echinodermata

Explanation:

Another Explanation (5):

Echinodermata পর্বের প্রাণীদের সামুদ্রিক হওয়ার ব্যাখ্যা 🌊

Echinodermata পর্বের সকল প্রাণী সম্পূর্ণরূপে সামুদ্রিক। এদের স্থলে বা মিষ্টি জলে পাওয়া যায় না। এর কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

শারীরিক গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য 🧬

  • পানি সংবহনতন্ত্র (Water Vascular System): এই পর্বের প্রাণীদের মধ্যে পানি সংবহনতন্ত্র বিদ্যমান, যা তাদের চলন, খাদ্য গ্রহণ, শ্বসন এবং রেচনে সাহায্য করে। এই তন্ত্রটি লবণাক্ত পানির উপর নির্ভরশীল।💧
  • ত্বকের গঠন: এদের ত্বক খুব পাতলা এবং গ্যাসীয় আদান প্রদানে সক্ষম, যা জলীয় পরিবেশের জন্য উপযুক্ত।
  • অভিস্রবণ (Osmosis): এদের দেহে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় জলের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য লবণাক্ত পরিবেশ প্রয়োজন।
  • রেচনতন্ত্রের অভাব: Echinodermata প্রাণীদের সুগঠিত রেচনতন্ত্র নেই। তাই, রেচনের জন্য তারা সম্পূর্ণরূপে সামুদ্রিক পরিবেশের উপর নির্ভরশীল।
  • দেহ গঠন: এদের দেহ ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের (CaCO3) প্লেট দিয়ে গঠিত যা শুধুমাত্র সাগরেই ভালোভাবে টিকে থাকতে পারে।

পরিবেশগত কারণ 🌍

  • লবণাক্ততা (Salinity): এদের জীবনধারণের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাত্রার লবণাক্ততা প্রয়োজন, যা শুধুমাত্র সমুদ্রেই পাওয়া যায়।🧪
  • খাদ্য availability: এদের খাদ্য সমুদ্রের মধ্যে প্রাচুর্য পরিমাণে বিদ্যমান।
  • আশ্রয়স্থল: সমুদ্রের তলদেশে এদের জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয়স্থল রয়েছে। 🏠
  • কম্পিটিশন: মিষ্টি জলের প্রাণীদের সাথে খাদ্য এবং আবাসস্থলের জন্য প্রতিযোগিতায় তারা তুলনামূলকভাবে দুর্বল।

বিবর্তনীয় ইতিহাস ⏳

Echinodermata-দের বিবর্তনীয় ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এদের উদ্ভব এবং বিকাশ সমুদ্রেই হয়েছে। তারা তাদের শারীরিক ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য সমুদ্রের পরিবেশের সাথে অভিযোজিত করেছে। 🕰️

Echinodermata পর্বের কিছু উদাহরণ 🌟

সাধারণ নাম বৈজ্ঞানিক নাম শ্রেণী ছবি
তারা মাছ (Starfish) Asterias rubens Asteroidea তারা মাছ
সামুদ্রিক শসা (Sea Cucumber) Holothuria scabra Holothuroidea সামুদ্রিক শসা
সামুদ্রিক তারা (Brittle Star) Ophiothrix fragilis Ophiuroidea Brittle Star
সাগর কলম(Sea Urchin) Strongylocentrotus purpuratus Echinoidea Sea Urchin
Sea lilies or Feather Stars Antedon bifida Crinoidea Feather star

পরিশেষে বলা যায়, Echinodermata পর্বের প্রাণীরা তাদের বিশেষ শারীরিক গঠন, শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপ এবং পরিবেশগত চাহিদার কারণে সম্পূর্ণরূপে সমুদ্রের জীবনে সীমাবদ্ধ। 🎯

আরো জানতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট🔎 ও বই📚 দেখতে পারেন।

Option A Explanation:
  • Porifera (নমুনা: স্পঞ্জ প্রজাতি):
    • প্রাণীর শ্রেণি: সরল ও অঙ্গবিহীন প্রাণী
    • সংখ্যা: প্রায় ৫,০০০ প্রজাতি
    • বৈশিষ্ট্য:
      • সাধারণত জলাশয়ে বাস করে
      • শরীরের গঠন: স্পঞ্জের মতো খোলে ভর্তি কাঠামো
      • অঙ্গপ্রতিমা বা জৈবিক উন্নয়নপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় না
    • লাইফ সাইকেল: সাধারণত স্পঞ্জের জীবনচক্রে লার্ভা ধাপ হয়, তবে Amphiblastula নামে বিশেষ লার্ভা পাওয়া যায় না
Option B Explanation:
  • Cnidaria: Cnidaria পর্বের প্রাণীদের মধ্যে সাধারণত Amphiblastula লার্ভা পাওয়া যায় না।
  • এরা মূলত জলজ প্রাণী, যেমন অমেরুদণ্ডী, যা সাধারণত জেলি মাছ বা অ্যাম্বুলারিয়া প্রজাতির মতো স্রোতপ্রবাহে জীবিত থাকে।
  • Cnidaria এর লার্ভা সাধারণত প্লানুলা বা ট্র্যাফোজোইয়া ধরণের হয়, যা সাধারণত Amphiblastula নয়।
Option C Explanation:
  • মোল্লাস্কা (Mollusca): এই পর্বের প্রাণিরা সাধারণত শেল দ্বারা আচ্ছাদিত থাকে এবং জলজ পরিবেশে বেশি দেখা যায়।
  • উদাহরণ: শামুক, অক্টোপাস, স্লুজ, ক্ল্যাম, চিংড়ি ইত্যাদি।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই পর্বের প্রাণিদের শরীর সাধারণত একটিমাত্র টিস্যু স্তর দিয়ে গঠিত, এবং শরীরের মধ্যে একটি পেটোড (visceral mass) থাকে যেখানে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকে।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: বিভিন্ন প্রকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের উপস্থিতি দেখা যায়, যেমন হৃদয়, পেট, এবং শ্বাসতন্ত্র।
  • উপকারিতা: মানব জীবন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ, যেমন খাদ্য, ওষুধ, এবং শেলপ্রাচীন শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • Echinodermata: এই পর্বের প্রাণীদের শরীরের অভ্যন্তরে পেরিহিমালতন্ত্র (Perihymenium) থাকে।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এদের শরীরের বাহ্যিক স্তরটি ধাতবীয় বা ক্যালসিয়াম কাঠামো দ্বারা গঠিত হয়ে থাকে, যা তাদের স্বাভাবিক গঠনকে দৃঢ় করে তোলে।
  • উদাহরণ: তারা, এস্তেরিয়া, কসমোডোরা, হ্যাপিডারমা ইত্যাদি।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন: এদের শরীরে বিভিন্ন পেরিহিমালতন্ত্র বা কাঠামো বিদ্যমান যা তাদের চলাচল, শ্বাসপ্রশ্বাস ও স্বনির্ভরতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।