টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন প্রাণীতে হিপনোটক্সিন পাওয়া যায়?

A. জেলি মাছ
B. হাইড্রা
C. জোঁক
D. কোবরা সাপ
Explanation:

Another Explanation (5):

হিপনোটক্সিন এবং এর উৎস: জেলিফিশ ও হাইড্রা

হিপনোটক্সিন হলো এক প্রকার বিষাক্ত পদার্থ যা কিছু প্রাণী শিকার ধরা বা আত্মরক্ষার জন্য ব্যবহার করে। এটি মূলত নিউরোটক্সিন, যা শিকারের স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে তাকে দুর্বল বা অসাড় করে ফেলে। জেলিফিশ ও হাইড্রার দেহে এই বিষাক্ত পদার্থ পাওয়া যায়। নিচে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

জেলিফিশ (Jellyfish)

জেলিফিশ হলো নিডারিয়া পর্বের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রাণী। এদের দেহে হিপনোটক্সিন থাকে যা শিকার ধরতে এবং নিজেদের রক্ষা করতে কাজে লাগে।

জেলিফিশের হিপনোটক্সিন ব্যবহারের কৌশল:

  • কোষিকা (Nematocysts): জেলিফিশের কোষিকাতে অসংখ্য নিডোসাইট নামক কোষ থাকে। প্রতিটি নিডোসাইটের মধ্যে একটি ছোট হুকের মতো অঙ্গ থাকে, যা নেমাটোসিস্ট নামে পরিচিত।
  • বিষাক্ত সুতা: যখন কোনো শিকার জেলিফিশের সংস্পর্শে আসে, তখন নেমাটোসিস্টগুলো শিকারের শরীরে বিষাক্ত সুতার মতো হুল ফুটিয়ে দেয়।
  • হিপনোটক্সিনের নিঃসরণ: এই সুতার মাধ্যমে হিপনোটক্সিন শিকারের শরীরে প্রবেশ করে এবং তাকে অবশ করে ফেলে। 😵‍💫

বৈশিষ্ট্য:

  • এরা সাধারণত স্বচ্ছ হয়ে থাকে।
  • এদের দেহে কোনো হাড় নেই।
  • সমুদ্রে বসবাস করে। 🌊

জেলিফিশের হিপনোটক্সিনের প্রভাব:

  • ব্যথা: হুল ফোটানোর স্থানে তীব্র ব্যথা হয়। 😫
  • পেশি সংকুচিত হওয়া: পেশিগুলোতে খিঁচুনি হতে পারে।
  • শ্বাসকষ্ট: গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে। 🫁
  • প্যারালাইসিস: কিছু ক্ষেত্রে শিকার প্যারালাইজড হয়ে যেতে পারে।

হাইড্রা (Hydra)

হাইড্রা হলো ছোট আকারের মাংসাশী প্রাণী, যারা সাধারণত মিঠাপানিতে বাস করে। এদেরও শিকার ধরার জন্য হিপনোটক্সিন ব্যবহার করার ক্ষমতা আছে।

হাইড্রার হিপনোটক্সিন ব্যবহারের কৌশল:

  • কোষিকা (Cnidocytes): হাইড্রার কোষিকাতেও নিডোসাইট থাকে, যার মধ্যে নেমাটোসিস্ট বিদ্যমান।
  • শিকার ধরা: যখন কোনো ছোট প্রাণী হাইড্রার কাছাকাছি আসে, তখন নেমাটোসিস্টগুলো শিকারের শরীরে হুল ফুটিয়ে দেয়।
  • বিষাক্ত নিঃসরণ: হিপনোটক্সিন শিকারের শরীরে প্রবেশ করে তাকে দুর্বল করে ফেলে, ফলে হাইড্রা সহজেই শিকারটিকে ধরে খেতে পারে। 😋

বৈশিষ্ট্য:

  • এরা সাধারণত ছোট হয়ে থাকে।
  • এদের দেহ নলাকার।
  • মিঠাপানিতে বসবাস করে।💧

হাইড্রার হিপনোটক্সিনের প্রভাব:

  • ছোট শিকার ধরা: ছোট জলজ প্রাণীদের জন্য এটি খুবই কার্যকর।
  • অস্থায়ী প্যারালাইসিস: শিকার কিছু সময়ের জন্য প্যারালাইজড হয়ে যায়।

তুলনামূলক আলোচনা

বৈশিষ্ট্য জেলিফিশ হাইড্রা
আকার বড় আকারের হতে পারে খুবই ছোট
বাসস্থান সমুদ্র মিঠাপানি
হিপনোটক্সিনের ব্যবহার শিকার ধরা ও আত্মরক্ষা শুধুমাত্র শিকার ধরা

সতর্কতা

জেলিফিশ ও হাইড্রার সংস্পর্শে আসা থেকে সাবধান থাকুন। এদের হিপনোটক্সিন মানুষের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। জেলিফিশের হুল ফুটানো স্থানে ভিনেগার ব্যবহার করা যেতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 👨‍⚕️

বিঃদ্রঃ হিপনোটক্সিন নিয়ে আরো অনেক গবেষণা চলছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে এই আর্টিকেলে আপডেট করা হবে।


তথ্যসূত্র: বিভিন্ন জীববিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট ও জার্নাল।

Option A Explanation:
  • প্রকার: জেলি মাছ (Jellyfish)
  • প্রবালপোষকতা: সাগর ও মহাসাগরীয় জলাশয়ে পাওয়া যায়
  • শরীরের গঠন: জেলির মতো নরম শরীর, কোন হাড় বা কঙ্কাল নেই
  • প্রভাব: হিপনোটক্সিন নামে বিষাক্ত উপাদান মুক্ত করে, যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে
  • বিষাক্ততা: জেলি মাছের কিছু প্রজাতি হিপনোটক্সিনে??? মাধ্যমে বিষ ছড়িয়ে দেয়, যা শারীরিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে
Option B Explanation:

হাইড্রা

  • প্রাণী: হাইড্রা (Hydra)
  • ত্রিস্তরী গঠন: হাইড্রা ত্রিস্তরী প্রাণী, অর্থাৎ এর শরীরে তিনটি স্তর থাকে।
  • স্তরসমূহ:
    • একটি বাহ্যিক স্তর (Ectoderm)
    • মাঝের স্তর (Mesoderm)
    • অভ্যন্তরীণ স্তর (Endoderm)
  • অর্থ: এই ত্রিস্তরী গঠন তাকে জটিল ও কার্যক্ষম করে তোলে, যেমন চলাচল ও খাদ্য গ্রহণে সুবিধা করে।
  • উপকারিতা: সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং ছোট জলজ প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
Option C Explanation:
  • জোঁক: জোঁক হলো একটি সরীসৃপপ্রধান জীব, যা সাধারণত রক্ত শোষণ করে থাকে।
  • প্রকারভেদ: এটি মূলত অস্থিশীল বা বিনা হাড়ের প্রাণী, যা জল বা স্থলে বাস করে।
  • শারীরিক গঠন: জোঁকের দেহ দীর্ঘ ও সরু, এবং এর মধ্যে বিশেষ ধরনের দাঁত বা ঠোঁট থাকে রক্ত শোষণের জন্য।
  • প্রজাতি: বিভিন্ন প্রজাতির জোঁক দেখা যায়, যা বিভিন্ন পরিবেশে বাস করে।
Option D Explanation:
  • কোবরাসাপ: কোবরা সাপ একটি বিষধর সাপ যা তার বিষের জন্য পরিচিত।
  • হিপনোটক্সিন: এটি একটি বিষের উপাদান যা স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে এবং ঘুমের মতো প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।
  • প্রভাব: কোবরা সাপের বিষের মধ্যে হিপনোটক্সিন থাকলে এটি মানসিক অবস্থা পরিবর্তন ও ঘুমের উদ্রেক করতে পারে।
  • প্রয়োগ: কিছু ক্ষেত্রে এই বিষের বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে যে হিপনোটক্সিনের মতো উপাদান থাকতে পারে যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক প্রতিক্রিয়ার উপর প্রভাব ফেলতে সক্ষম।