টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষের নাম কি?

A.

Sequoia

B.

Ginkgo

C.

Zamia

D.

Ephedra

সঠিক উত্তরঃ A.

Sequoia

Another Explanation (5): পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষের নাম সেকোইয়া (Sequoia)। এই বৃক্ষগুলো বিশেষ করে সেকোইয়া sempervirens বা রেডউড নামে পরিচিত এবং তারা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু জীবন্ত বৃক্ষ হ??সেবে স্বীকৃত।
  • উচ্চতা: প্রায় ১২০ থেকে ১৫০ মিটার পর্যন্ত উঠে যায়।
  • উৎপত্তিস্থল: মূলত উত্তর আমেরিকার পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে দেখা যায়, বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়া ও ওরেগনের বনভুমি অঞ্চলে।
  • বিশিষ্টতা: এই বৃক্ষগুলো দীর্ঘ জীবনধারা এবং বিশাল আকারের জন্য প্রসিদ্ধ।
অতএব, Sequoia বা রেডউড পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
Option A Explanation:

Sequoia

  • Sequoia একটি বৃহৎ বৃক্ষ, যা সাধারণত বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু গাছ হিসেবে পরিচিত।
  • এটি মূলত উত্তর আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে পাওয়া যায়।
  • Sequoia গাছের পুং কোণগুলো দেখতে ফুলের মতো দেখায়, কারণ এগুলিতে ফুলের মতো কাঠামো রয়েছে যা পুংপ্রজনন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
  • এটি গাছের প্রজনন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এর ফুলের মতো অংশগুলি পুং কোণ বলে পরিচিত।
Option B Explanation:
  • Ginkgo: Ginkgo biloba, সাধারণত "জিঙ্গো" নামে পরিচিত, ???টি একটি প্রাচীন বৃক্ষ যা প্রায় ২২০ মিলিয়ন বছর পুরানো।
  • এটি একক প্রজাতির গিঙ্কগো উইডি (Ginkgoaceae পরিবারের অন্তর্গত), যা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে উদ্যান ও পার্কে দেখা যায়।
  • Ginkgo গাছের বৈশিষ্ট্য:
    • উচ্চতা: প্রায় ২০-৩০ মিটার পর্যন্ত হয়।
    • পাতা: গোলাকার, উজ্জ্বল সবুজ, যা শরৎকালে হলুদ রঙে রূপান্তরিত হয়।
    • ফুল: এটি মূলত বৃক্ষপ্রাণী ও পরাগবাহী গাছে বিভক্ত।
  • উপকারিতা:
    • চিকিৎসায় ব্যবহৃত: স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি।
    • অলংকারিক গাছ হিসেবে জনপ্রিয়।
Option C Explanation:
  • Zamia হলো একটি জীবন্ত জীবাশ্ম যা ট্রপিক্যাল এবং সাবট্রপিক্যাল অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • এটি একটি জিমনোসপার্ম, অর্থাৎ এর শরীরের অভ্যন্তরে পরিপক্ব ফল বা ফুল থাকে না।
  • এটি পাইন, সাইকা, পডোকার্পসের মতো গাছের সাথে সম্পর্কিত, তবে এর বৈশিষ্ট্য আলাদা।
  • জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে, Zamia এর ফসিল প্রাচীন সময়ের গাছের সাথে মিল আছে, যার ফলে এটি প্রাচীন পৃথিবীর জীবন্ত চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত।
  • এটি মূলত গাছে গাছে বিভিন্ন ধরনের পাতার সমন্বয়ে গঠিত, যা দীর্ঘ সময় ধরে অপরিবর্তিত থেকেছে।
Option D Explanation:
  • Ephedra: এটি একটি গাছের মতো উদ্ভিদ যা গ্লাইকোপ্রোটিন শেকড়ের মধ্যে রয়েছে।
  • এটি দ্বি-নিষেকের উদ্ভিদ, অর্থাৎ এর জীবনচক্রে দুইটি পৃথক মেটাস্পোরে বা অনুজীবের ধাপ থাকে।
  • এপেহড্রা সাধারণত শুষ্ক অঞ্চলে পাওয়া যায় এবং এর গাছের শরীরের উপর নানা ধরনের শাখা ও শাখাজাত অংশ থাকে।
  • এটি গিটোটেরম বা উষ্ণবায়ু অঞ্চলে উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত, যেখানে এর দ্বি-নিষেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।