টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অ্যানোফিলিস গণভূক্ত মশকীরা ম্যালেরিয়া জীবাণুর বিস্তার ঘটায়- এটি কে আবিষ্কার করেন?

A.

টর্টি 

B.

গার্নহাম

C.

স্যার রোনান্ড রস

D.

আলফোঁসো ল্যাভেরান

সঠিক উত্তরঃ C.

স্যার রোনান্ড রস

Explanation:

Another Explanation (5):

অ্যানোফিলিস গণভূক্ত মশকীরা ম্যালেরিয়া জীবাণুর বিস্তার ঘটায় - এটি কে আবিষ্কার করেছেন?

ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী অ্যানোফিলিস গণভূক্ত মশকীর ভূমিকা প্রথম বুঝানো এবং এর জীবাণুর বিস্তার সম্পর্কিত গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন স্যার রোনান্ড রস।

আবিষ্কারটির গুরুত্ব:

  • অ্যানোফিলিস মশকীর মাধ্যমে ম্যালেরিয়া জীবাণুর সংক্রমণ প্রক্রিয়া বোঝা যায়।
  • এটি রোগের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের ভিত্তি তৈরি করে।
  • বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে রসের অবদান অমূল্য।

আবিষ্কার সম্বন্ধে সংক্ষিপ্ত তথ্য:

নাম অবদান
স্যার রোনান্ড রস অ্যানোফিলিস গণভূক্ত মশকীর মাধ্যমে ম্যালেরিয়া জীবাণুর বিস্তার আবিষ্কার করেন।

উপসংহার:

স্যার রোনান্ড রস এর গবেষণার ফলে ম্যালেরিয়া রোগের প্রকৃতি ও এর প্রতিরোধে নতুন দিক উন্মোচিত হয়। আজও তার অবদান স্মরণীয়।

🔬🌍🦟

Option A Explanation:
  • টর্টি: জন ডেনিস টর্টি হল একজন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ও গবেষক, যিনি ১৯৩০ এর দশকের মধ্যে অ্যানোফিলিস মশকীর মাধ্যমে ম্যালেরিয়া জীবাণুর বিস্তার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা চালিয়েছেন।
  • তাঁর গবেষণার মাধ্যমে তিনি অ্যানোফিলিস মশকীর জীবাণু পরিবহন ক্ষমতা প্রমাণ করেন, যা ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি সৃষ্টি করে।
  • টর্টির গবেষণার ফলাফল বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পায় এবং তিনি এই বিষয়ে গবেষণার জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।
Option B Explanation:
  • নাম: গার্নহাম
  • সম্পর্কে: ডঃ গার্নহাম ১৯৩০ সালে অ্যানোফিলিস মশকীর মাধ্যমে ম্যালেরিয়া জীবাণুর স্থানান্তর প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন।
  • প্রভাব: এটি ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে এবং ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের জন্য নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • অর্জন: তার গবেষণার জন্য গার্নহামকে ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রেরক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
Option C Explanation:
  • নাম: স্যার রোনান্ড রস (Sir Ronald Ross)
  • জন্ম: 13 মে 1857, ভার্জিনিয়া, ইংল্যান্ড
  • মৃত্যু: 12 সেপ্টেম্বর 1932, লন্ডন, ইংল্যান্ড
  • প্রাপ্ত: ১৯০২ সালে নোবেল পুরস্কার (শান্তি বা চিকিৎসা ক্ষেত্রে)
  • অবদান: তিনি অ্যানোফিলিস গণভূক্ত মশকীদের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রকৃতি ও বিস্তার বিষয়ে গবেষণা করেন।
  • অন্য উল্লেখযোগ্য তথ্য: রস প্রথমবারের মতো ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবনচক্রের উল্লেখযোগ্য অংশের সন্ধান করেন এবং এই গবেষণার জন্য তিনি ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
Option D Explanation:
  • আলফোঁসো ল্যাভেরান: তিনি একজন স্প্যানিশ বিজ্ঞানী ও গবেষক, যিনি জীবাণু বিজ্ঞান ও মাইক্রোবায়োলজিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
  • অবদান: ল্যাভেরান মশক দ্বারা জীবাণু সংক্রমণের প্রকৃতি ও প্রক্রিয়া বোঝার জন্য গবেষণা চালান।
  • অধ্যয়ন: তিনি মশকের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া জীবাণুর বিস্তার সম্পর্কিত বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা করেন।
  • প্রভাব: তার গবেষণার মাধ্যমে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজির বিকাশ ঘটে এবং রোগপ্রতিরোধে নতুন ধারণা তৈরিতে সহায়তা করে।