টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

দুইটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট এর মিলনকে বলে-

A. জাইগোস্পোর
B. মেটাস্পোর
C. অ্যাজাইগোস্পোর
D. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তরঃ A. জাইগোস্পোর
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেটের মিলন: জাইগোস্পোর 🧬

দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেটের মিলন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার ফলে জাইগোস্পোর তৈরি হয়। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

গ্যামেট কী? 🤔

  • গ্যামেট হলো জনন কোষ।
  • এগুলো হ্যাপ্লয়েড (n) সংখ্যক ক্রোমোজোম ধারণ করে।
  • পুরুষ গ্যামেটকে শুক্রাণু ♂️ এবং স্ত্রী গ্যামেটকে ডিম্বাণু ♀️ বলা হয়।

হ্যাপ্লয়েড মানে কী? 🧐

হ্যাপ্লয়েড মানে হলো ক্রোমোজোমের অর্ধেক সেট। মানুষের ক্ষেত্রে, হ্যাপ্লয়েড কোষে ২৩টি ক্রোমোজোম থাকে। ডিপ্লয়েড কোষে (2n) ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।

জাইগোস্পোর 🍄

জাইগোস্পোর হলো দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেটের মিলনের ফলে সৃষ্ট ডিপ্লয়েড (2n) কোষ। এটি প্রধানত ছত্রাক এবং কিছু শৈবালের ক্ষেত্রে দেখা যায়। প্রতিকূল পরিবেশে এটি পুরু প্রাচীর দ্বারা আবৃত থাকে এবং অঙ্কুরিত হওয়ার আগে সুপ্ত অবস্থায় থাকে।

জাইগোস্পোর সৃষ্টির ধাপ:

  1. প্লাজমোগ্যামি (Plasmogamy): দুটি গ্যামেটের সাইটোপ্লাজম মিলিত হয়।
  2. ক্যারিওগ্যামি (Karyogamy): দুটি নিউক্লিয়াস মিলিত হয়ে একটি ডিপ্লয়েড নিউক্লিয়াস তৈরি করে।
  3. এই ডিপ্লয়েড নিউক্লিয়াসযুক্ত গঠনটি হলো জাইগোস্পোর।

জাইগোস্পোরের বৈশিষ্ট্য 🌟

  • ডিপ্লয়েড (2n) সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে।
  • পুরু প্রাচীর দ্বারা আবৃত থাকে।
  • প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে।
  • অঙ্কুরিত হয়ে নতুন জীবের জন্ম দেয়।

উদাহরণ 📚

রাইজোপাস (Rhizopus) নামক ছত্রাকের মধ্যে জাইগোস্পোর দেখা যায়। এটি মিউকরোমাইকোসিস (Mucormycosis) নামক রোগের কারণ হতে পারে। ⚠️

তুলনামূলক আলোচনা 📊

বৈশিষ্ট্য গ্যামেট জাইগোস্পোর
ক্রোমোজোম সংখ্যা হ্যাপ্লয়েড (n) ডিপ্লয়েড (2n)
উৎপত্তি জনন মাতৃকোষ থেকে মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট দুটি গ্যামেটের মিলনের ফলে সৃষ্ট
ভূমিকা নিষেক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে নতুন জীবের সূচনা করে

আশা করি, জাইগোস্পোর সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 👍

```
Option A Explanation:
  • জাইগোস্পোর হলো একটি বিশেষ ধরণের স্পোর যা জাইগোটি গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • এটি সাধারণত অ্যানিমালিক ওয়্যার্টেব্রেটসের মধ্যে পাওয়া যায়, যেমন প্রাণীদের মধ্যে কিছু পরজীবী কৃমি ও অণুজীব।
  • জাইগোস্পোরের মাধ্যমে পরজীবী বা অণুজীবের প্রজনন ও বিস্তার ঘটে।
  • এটি সাধারণত অঙ্গীকার বা জাইগোট গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে দুটি স্পোর একত্রিত হয় এবং পরবর্তীতে নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়।
Option B Explanation:
  1. মেটাস্পোর হলো একটি পরিপক্ব স্পোর যা মূলত বিভিন্ন ফরমের ব্যাকটেরিয়া, শৈবাল, ও ফাঙ্গাসে দেখা যায়।
  2. এটি স্পোরের একটি ধরণ, যা পরিপক্ব হয়ে গেলে নতুন অর্গানিজমের জন্ম দিতে সক্ষম হয়।
  3. মেটাস্পোর সাধারণত একটি পরিপক্ব স্পোরের পরিণতি বা অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়, যা পরবর্তীতে গাঢ় বা নতুন জীবনচক্রের অংশ হয়ে ওঠে।
  4. এটি মূলত মাইক্রোঅর্গানিজমের জীবনচক্রের অংশ, যেখানে স্পোরের মাধ্যমে প্রজনন ও বিস্তার ঘটে।
Option C Explanation:
  1. অ্যাজাইগোস্পোর হলো একটি বিশেষ ধরনের স্পোর যা অ্যাজাইগোস্পোরাল গঠন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়।
  2. এটি সাধারণত কলোনি বা গাছের অংশে দেখা যায়, যেখানে স্পোরের মাধ্যমে নতুন গাছের জন্ম হয়।
  3. অ্যাজাইগোস্পোরের গঠন ও বিকাশের প্রক্রিয়া সাধারণত অ্যানিম্যাল বা উদ্ভিদ উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ।
  4. এটি মূলত দুইটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেটের মিলনের ফলাফল হিসেবে তৈরি হয়।
  5. অ্যাজাইগোস্পোরের মাধ্যমে জীবের জৈবিক বিকাশের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় যা প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।