টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বংশগতিতত্ত্ব পুনআবিষ্কার হয় কখন?

A. ১৮৮০
B. ১৯২০
C. ১৯৬৫
D. ১৯০০
E. ১৯৫২
সঠিক উত্তরঃ D. ১৯০০
Explanation:

Another Explanation (5):

বংশগতিবিদ্যার পুনআবিষ্কার: ১৯০০ স???ল 🧬

বংশগতিবিদ্যার আধুনিক যাত্রা শুরু হয় ১৯০০ সালে। এই বছরটি তিনটি ভিন্ন ভিন্ন বিজ্ঞানীর গবেষণা কর্মের যুগপৎ আবিষ্কারের সাক্ষী থাকে, যা মেন্ডেলের সূত্রগুলোর পুনর্প্রতিষ্ঠা করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানী এবং তাঁদের অবদান 🧑‍🔬

  • হুগো ডি ভ্রিস (Hugo de Vries): নেদারল্যান্ডের এই উদ্ভিদবিজ্ঞানী স্বাধীনভাবে মেন্ডেলের সূত্রাবলী আবিষ্কার করেন এবং মিউটেশন তত্ত্বের প্রস্তাবনা দেন। 🌷
  • কার্ল কোরেন্স (Carl Correns): জার্মানির এই বিজ্ঞানী মেন্ডেলের সূত্রগুলো পুনরায় আবিষ্কার করেন এবং বংশগতির ক্ষেত্রে সাইটোপ্লাজমের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। 🌻
  • এরিখ ফন শেরমাক (Erich von Tschermak): অস্ট্রিয়ার এই কৃষিবিদ মেন্ডেলের সূত্রগুলো পুনর্আবিষ্কার করেন এবং উদ্ভিদের সংকরায়ণ নিয়ে কাজ করেন। 🌺

পুনরাবিষ্কারের প্রেক্ষাপট 🗓️

উনবিংশ শতাব্দীর শেষদিকে মেন্ডেলের কাজ প্রায় বিস্মৃত হয়ে গিয়েছিল। মেন্ডেলের মৃত্যুর পর তার গবেষণা পত্রগুলো তেমন মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারেনি। পরবর্তীতে এই তিন বিজ্ঞানীর স্বাধীন গবেষণা মেন্ডেলের সূত্রগুলোকে নতুন করে সামনে আনে।

মেন্ডেলের সূত্রগুলো 📜

  1. পৃথকীকরণ সূত্র (Law of Segregation): জননকোষ সৃষ্টির সময় অ্যালিলগুলো পরস্পর থেকে আলাদা হয়ে যায়।
  2. স্বাধীনভাবে বিন্যাস সূত্র (Law of Independent Assortment): দুটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিনগুলো জননকোষে যাওয়ার সময় একে অপরের উপর নির্ভরশীল থাকে না।
  3. প্রকটতার সূত্র (Law of Dominance): দুটি ভিন্ন অ্যালিলের মধ্যে একটি প্রকট (dominant) এবং অন্যটি প্রচ্ছন্ন (recessive) হতে পারে।

সময়রেখা ⏳

বছর ঘটনা
১৮৬৬ গ্রেগর মেন্ডেলের গবেষণা প্রকাশিত। 📝
১৮৮৪ গ্রেগর মেন্ডেলের মৃত্যু। ✝️
১৯০০ মেন্ডেলের সূত্রের পুনর্আবিষ্কার। 🎉

বংশগতিবিদ্যার আধুনিক যাত্রা 🚀

১৯০০ সালের পর থেকে বংশগতিবিদ্যা দ্রুত বিকাশ লাভ করে। এই আবিষ্কার জেনেটিক্স, বায়োটেকনোলজি এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। বর্তমানে জিনোম সিকোয়েন্সিং, জিন থেরাপি এবং আরও অনেক অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এই জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।

মেন্ডেলের সূত্রগুলো পুনআবিষ্কারের ফলে আমরা রোগ প্রতিরোধ, উন্নত ফসল উৎপাদন এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অনেক দূর এগিয়ে গেছি। 👍

আরও জানতে 📚

  • মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
  • হুগো ডি ভ্রিসের মিউটেশন তত্ত্ব
  • কার্ল কোরেন্সের সাইটোপ্লাজমিক বংশগতি

আশা করি এই আলোচনা বংশগতিবিদ্যার পুনর্আবিষ্কার সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে। 😊