লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
অথবা
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
ম্যাক্রোলেসিথাল ডিম্বাণু হলো সেই ডিম্বাণু, যেখানে কুসুমের (Yolk) পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। এই কুসুম ডিমের মধ্যে ভ্রূণের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। 🐣
| ডিমের প্রকারভেদ | কুসুমের পরিমাণ | বৈশিষ্ট্য | উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| অলিগোলেসিথাল (Oligolecithal) | খুব সামান্য কুসুম | ডিমের সাইটোপ্লাজম জুড়ে সমানভাবে বিতরণ করা থাকে। | স্তন্যপায়ী প্রাণী (মানুষ), সামুদ্রিক তারা |
| মেসোলেসিথাল (Mesolecithal) | মাঝারি পরিমাণে কুসুম | ডিমের ভেজিটাল মেরুতে কুসুমের ঘনত্ব বেশি থাকে। | ব্যাঙ, উভচর প্রাণী 🐸 |
| ম্যাক্রোলেসিথাল (Macrolecithal) | অত্যধিক কুসুম | প্রায় পুরো ডিম জুড়ে কুসুম থাকে। | পাখি, সরীসৃপ, মাছ 🐠 |
| সেন্ট্রালেসিথাল (Centrolecithal) | ডিমের কেন্দ্রে কুসুম | কুসুম ডিমের কেন্দ্রে ঘনীভূত থাকে। | কীটপতঙ্গ 🐛 |
না, মানুষের ডিম্বাণু ম্যাক্রোলেসিথাল নয়। মানুষের ডিম্বাণু হলো অলিগোলেসিথাল। এর মানে হলো, মানুষের ডিম্বাণুতে কুসুমের পরিমাণ খুবই কম। প্লাসেন্টার মাধ্যমে মায়ের শরীর থেকে সরাসরি পুষ্টি গ্রহণ করে ভ্রূণ বড়ো হয়। 🤰
সুতরাং, উত্তরটি হলো: মানুষের ডিম্বাণু ম্যাক্রোলেসিথাল নয়, এটি অলিগোলেসিথাল। 👍
আশা করি, বুঝতে পেরেছেন! 😊