টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কে বংশগতিবিদ্যার জনক?

A. Haberlandt
B. T.H. Morgan
C. G.J. Mendel
D. Strusburger
সঠিক উত্তরঃ C. G.J. Mendel
Explanation:
Another Explanation (5): ```html

বংশগতিবিদ্যার জনক: গ্রেগর জোহান মেন্ডেল 👨‍🏫

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল (G. J. Mendel) হলেন বংশগতিবিদ্যার জনক। তিনি ১৮২২ সালে অস্ট্রিয়ান সাম্রাজ্যের (বর্তমান চেক প্রজাতন্ত্র) হেইনজেনডর্ফ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৮৪ সালে ব্রুনে মারা যান।

মেন্ডেলের অবদান 🧬

মেন্ডেল বংশগতিবিদ্যার মৌলিক ধারণাগুলো আবিষ্কার করেন, যা পরবর্তীতে আধুনিক বংশগতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করে। তাঁর প্রধান অবদানগুলো হলো:

  • পৃথকীকরণ নীতি (Law of Segregation): জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের জন্য দুটি অ্যালিল থাকে এবং জননকোষ তৈরির সময় অ্যালিলগুলো পৃথক হয়ে যায়।🌱
  • স্বাধীনভাবে বিন্যাস নীতি (Law of Independent Assortment): বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের অ্যালিলগুলো জননকোষে স্বাধীনভাবে বিন্যস্ত হয়। 🔀
  • প্রকটতার নীতি (Law of Dominance): বিপরীত বৈশিষ্ট্যযুক্ত অ্যালিল একসঙ্গে থাকলে প্রকট অ্যালিলটি প্রচ্ছন্ন অ্যালিলটির বৈশিষ্ট্যকে প্রকাশ করতে দেয় না।💪

মেন্ডেলের পরীক্ষা নিরীক্ষা 🧪

মেন্ডেল মটরশুঁটি গাছের উপর দীর্ঘকাল ধরে পরীক্ষা চালান এবং বংশগতির নিয়মগুলো আবিষ্কার করেন। তিনি প্রায় ২৯০০০ মটরশুঁটি গাছ ব্যবহার করেছিলেন।

পরীক্ষার বৈশিষ্ট্য:

  1. মটরশুঁটি গাছ নির্বাচন 🌿
  2. বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য (যেমন: ফুলের রঙ, বীজের আকার) পর্যবেক্ষণ 🤔
  3. গণিত ও পরিসংখ্যানের ব্যবহার 📊
  4. নিয়ন্ত্রিত পরাগায়ন 💐

মেন্ডেলের কাজের স্বীকৃতি 🏆

মেন্ডেলের কাজ তাঁর জীবদ্দশায় তেমন স্বীকৃতি পায়নি। ১৯০০ সালে হুগো ডি ভ্রিস, কার্ল কোরেন্স এবং এরিক ভন শেরমাক নামের তিনজন বিজ্ঞানী মেন্ডেলের সূত্রগুলো পুনরায় আবিষ্কার করেন। এরপর মেন্ডেলের কাজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি লাভ করে। 🎉

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

বিষয় তথ্য
জন্ম ১৮২২ 🗓️
মৃত্যু ১৮৮৪ 💀
ক্ষেত্র বংশগতিবিদ্যা 🧬
পরিচিতি বংশগতিবিদ্যার জনক 👨‍👧‍👦

মেন্ডেলের অবদান মানবজাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আবিষ্কারের মাধ্যমে আমরা রোগ প্রতিরোধ, উন্নত ফসল উৎপাদন এবং জীবের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পেরেছি। 🙏

আরও জানতে Google করুন: গ্রেগর মেন্ডেল 🌐

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊

```
Option A Explanation:

Haberlandt সম্পর্কে বিস্তারিত:

  • পূর্ণ নাম: Gottlieb Haberlandt
  • প্রতিষ্ঠান: অস্ট্রিয়ান বিজ্ঞানী
  • অধিক পরিচিতি: টিস্যু কালচারের জনক
  • অধিক গবেষণা: উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং টিস্যু কালচারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন
  • অন্য বিবরণ: জীববিজ্ঞানে তার কাজ নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে, যা উদ্ভিদের কোষের পৃথকভাবে বৃদ্ধির ধারণাকে উৎসাহিত করে
Option B Explanation:
  • T.H. Morgan: তিনি জনক হিসেবে বিবেচিত বংশগতিবিদ্যার, বিশেষ করে জেনেটিক্সের ক্ষেত্রে।
  • তিনি ডিএনএ, জেনেটিক্যালি ট্রান্সমিটেড ট্রেইটসের মূল গবেষণা পরিচালনা করেন।
  • অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তার গবেষণাগারে তিনি ক্রোমোজোমের মাধ্যমে জেনেটিক ইনফরমেশন ট্রান্সমিশনের প্রমাণ দেন।
  • তার গবেষণার ফলে তিনি 1933 সালে নোবেল পুরস্কার পান।
Option C Explanation:
  • নাম: Gregor Johann Mendel
  • জন্ম: 1822 সালে অস্ট্রিয়ান সাম্রাজ্য (বর্তমান চেক প্রজাতন্ত্রে)
  • পেশা: প্রাথমি শিক্ষক ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গবিজ্ঞানী
  • অবদান: বংশগতিবিদ্যার (জেনেটিক্সের) মৌলিক নিয়মগুলো আবিষ্কার করেন
  • প্রসিদ্ধ কাজ: গার্ডেনের গাঁদা ফুলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রজননের মাধ্যমে প্রজনন প্রক্রিয়ার গবেষণা করেন
  • প্রভাব: তার গবেষণাগুলো আধুনিক জেনেটিক্সের ভিত্তি স্থাপন করে
Option D Explanation:
  • Name: Strusburger
  • Profession: বংশবৃদ্ধি ও কোষের গঠন বিশ্লেষক
  • মূল অবদান: প্লান্ট টিস্যু ও কোষ বিভাজনের গঠন এবং পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন।
  • উপলব্ধি: কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়া এবং এর গঠনগত দিকগুলি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন।