লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মনে পড়ে সে জ্যৈষ্ঠ দুপুরে পাঠশালা পলায়ন। 'পাঠশালা পলায়ন' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
কারক হলো বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে অন্যান্য পদের সম্পর্ক। বাংলা ব্যাকরণে কারক ছয় প্রকার:
অপাদান কারক হলো সেই কারক যা থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, গৃহীত, বিরত, বিচ্যুত, পতিত বা রক্ষিত হয়। অর্থাৎ, কোনো কিছুর উৎস বোঝালে অপাদান কারক হয়।
অপাদান কারক চেনার উপায়: ক্রিয়াপদকে 'কোথা হতে', 'কী হতে', 'কিসের থেকে' ইত্যাদি প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া গেলে সেটি অপাদান কারক।
বিভক্তি হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা কারক ও বচন অনুসারে পদের রূপ পরিবর্তন করে। বাংলা বিভক্তিগুলো হলো: প্রথমা (০), দ্বিতীয়া (কে, রে), তৃতীয়া (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক), চতুর্থী (কে, রে, জন্য), পঞ্চমী (হতে, থেকে, চেয়ে), ষষ্ঠী (র, এর), সপ্তমী (এ, য়, তে)।
প্রশ্নিত বাক্যটি হলো: "মনে পড়ে সে জ্যৈষ্ঠ দুপুরে পাঠশালা পলায়ন।" এখানে 'পাঠশালা পলায়ন' অংশটি বাক্যের ক্রিয়াপদ 'মনে পড়ে' এর সাথে সম্পর্কিত।
আমরা ক্রিয়াপদ 'মনে পড়ে' কে প্রশ্ন করি, কিসের থেকে মনে পড়ে? উত্তর আসে 'পাঠশালা পলায়ন'। যেহেতু 'পাঠশালা' থেকে পালানো বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ বিচ্যুত হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই 'পাঠশালা পলায়ন' অপাদান কারক।
'পাঠশালা পলায়ন' শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। বাংলা ব্যাকরণে যখন কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকে, তখন সেখানে শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
সুতরাং, 'পাঠশালা পলায়ন' অপাদান কারকে শূন্য বিভক্তি।
বিষয়টি আরও সহজে বোঝার জন্য একটি টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো:
| শব্দ | কারক | বিভক্তি | ব্যাখ্যা |
|---|---|---|---|
| পাঠশালা পলায়ন | অপাদান কারক | শূন্য বিভক্তি | 'পাঠশালা' থেকে বিচ্যুত হওয়া বোঝাচ্ছে (অপাদান), এবং কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। |
সঠিক উত্তর: B. অপাদানে শূন্য