টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

পর্যায় সারণীর p- ব্লকের মৌল সমূহকে বলা হয়- 

A. মৃৎক্ষার মৌল 
B. প্রতিরূপী মৌল 
C. ভারী ধাতু 
D. অবস্থান্তর মৌল 
সঠিক উত্তরঃ B. প্রতিরূপী মৌল 
Explanation:

যেসব মৌলের অভ্যন্তরীণ সকল অরবিটাল পরিপূর্ণ থাকে কিন্তু যোজ্যতা স্তর অপূর্ণ থাকে তারা প্রতিরূপী মৌল বা আদর্শ মৌল। প্রতিরূপী মৌলসমূহের যোজ্যতাস্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস ns1 হতে ns2np5 হয়ে থাকে। এখানে প্রধানত লক্ষণীয়, যাদের p অরবিটালটি ফাঁকা থাকে। যেমনঃ ক্লোরিন(১৭)।

Another Explanation (5): ```html

পর্যায় সারণীর p-ব্লকের মৌল: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🧪

পর্যায় সারণীর p-ব্লকের মৌলগুলো পর্যায় সারণীর ডানদিকে অবস্থিত। এই মৌলগুলোর বহিঃস্থ ইলেকট্রনগুলো p-অরবিটালে প্রবেশ করে। এদেরকে "প্রতিরূপী মৌল" বলা হয়। নিচে এর কারণ এবং বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:

p-ব্লকের মৌলসমূহ 📝

p-ব্লকের মৌলগুলো হলো:

  • বোরন (B)
  • কার্বন (C)
  • নাইট্রোজেন (N)
  • অক্সিজেন (O)
  • ফ্লোরিন (F)
  • নিয়ন (Ne)
  • অ্যালুমিনিয়াম (Al)
  • সিলিকন (Si)
  • ফসফরাস (P)
  • সালফার (S)
  • ক্লোরিন (Cl)
  • আর্গন (Ar)
  • গ্যালিয়াম (Ga)
  • জার্মেনিয়াম (Ge)
  • আর্সেনিক (As)
  • সেলেনিয়াম (Se)
  • ব্রোমিন (Br)
  • ক্রিপ্টন (Kr)
  • ইন্ডিয়াম (In)
  • টিন (Sn)
  • অ্যান্টিমনি (Sb)
  • টেলুরিয়াম (Te)
  • আয়োডিন (I)
  • জেনন (Xe)
  • থ্যালিয়াম (Tl)
  • সীসা (Pb)
  • বিসমাথ (Bi)
  • পোলোনিয়াম (Po)
  • অ্যাস্টাটিন (At)
  • রেডন (Rn)
  • নিহোনিয়াম (Nh)
  • ফ্লেরোভিয়াম (Fl)
  • মস্কোভিয়াম (Mc)
  • লিভারমোরিয়াম (Lv)
  • টেনেসিন (Ts)
  • ওগানসন (Og)

"প্রতিরূপী মৌল" বলার কারণ 🤔

p-ব্লকের মৌলগুলোকে "প্রতিরূপী মৌল" বলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ নিচে দেওয়া হলো:

  1. বৈচিত্র্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য: p-ব্লকের মৌলগুলো ধাতু 🔩, অধাতু 🧪 এবং অপধাতু ⛏️ - এই তিন ধরনের বৈশিষ্ট্যই প্রদর্শন করে।
  2. যোজ্যতা স্তরের ইলেকট্রন: এদের যোজ্যতা স্তরের ইলেকট্রন সংখ্যা পরিবর্তনশীল। ফলে এরা বিভিন্ন ধরনের যৌগ গঠন করতে সক্ষম।
  3. বিভিন্ন জারণ অবস্থা: p-ব্লকের মৌলগুলো পরিবর্তনশীল জারণ অবস্থা প্রদর্শন করে। যেমন, সালফার (-২ থেকে +৬) পর্যন্ত বিভিন্ন জারণ অবস্থা দেখাতে পারে।
  4. অধাতু বৈশিষ্ট্য: এই ব্লকের বেশিরভাগ মৌলই অধাতু এবং গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। যেমন: অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি।
  5. বহুরূপতা: কিছু p-ব্লকের মৌল বহুরূপতা (Allotropy) প্রদর্শন করে। যেমন: কার্বন (গ্রাফাইট, হীরা, ফুলারিন)।

p-ব্লকের মৌলসমূহের বৈশিষ্ট্য 🌟

p-ব্লকের মৌলসমূহের কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করা হলো:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
বৈদ্যুতিক ঋণাত্মকতা ⚡ p-ব্লকের মৌলগুলোর সাধারণত উচ্চ বৈদ্যুতিক ঋণাত্মকতা থাকে। পর্যায় সারণীতে বাম থেকে ডানে এবং নিচ থেকে উপরে বৈদ্যুতিক ঋণাত্মকতা বৃদ্ধি পায়।
আয়নন শক্তি 💪 এদের আয়নন শক্তি বেশি। পর্যায় সারণীতে বাম থেকে ডানে এবং নিচ থেকে উপরে আয়নন শক্তি বৃদ্ধি পায়।
জারণ অবস্থা 🔥 এরা বিভিন্ন জারণ অবস্থা প্রদর্শন করে, যা তাদের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণের ক্ষমতা বাড়ায়।
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক 🌡️ p-ব্লকের মৌলগুলোর গলনাঙ্ক এবং স্ফুটনাঙ্ক সাধারণত পরিবর্তনশীল হয় এবং তা গ্রুপের নিচের দিকে বৃদ্ধি পায়।
ধাতু-অধাতু বৈশিষ্ট্য ⚙️ এই ব্লকে ধাতু, অধাতু এবং অপধাতু উভয়ই বিদ্যমান।

ব্যবহারিক প্রয়োগ 🚀

p-ব্লকের মৌলগুলোর ব্যবহারিক প্রয়োগ অনেক বিস্তৃত। কয়েকটি উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:

  • নাইট্রোজেন (N): সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
  • ফসফরাস (P): দিয়াশলাই এবং সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
  • অক্সিজেন (O): শ্বাস-প্রশ্বাস এবং দহন প্রক্রিয়ায় অপরিহার্য।
  • ক্লোরিন (Cl): পানি বিশুদ্ধকরণে ব্যবহৃত হয়।
  • সিলিকন (Si): কম্পিউটার চিপস এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

আশা করি, এই আলোচনা থেকে p-ব্লকের মৌল এবং কেন এদের "প্রতিরূপী মৌল" বলা হয় সে সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 😊

```