টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

লিভারওয়ার্টের একটি বিশেষ গণের ৪৫টি প্রজাতি বাংলাদেশে পাওয়া যায়, যারা স্যাঁতসেঁতে মাটিতে, আর্দ্র প্রাচীরের গায়ে এমনকি নদী তীরের বালিতেও জন্মে থাকে ।

উদ্দীপকের উদ্ভিদটির দুটি অঞ্চলের মধ্যে কোনটি সত্য ?

A. আত্মিকরণ অঞ্চল ক্লোরোফিল যুক্ত
B. সঞ্চয়ী অঞ্চল স্টোমাটা যুক্ত
C. আত্মিকরণ অঞ্চলে রাইজয়েড বিদ্যমান
D. সঞ্চয়ী অঞ্চল বায়ুকুঠুরী যুক্ত
সঠিক উত্তরঃ A. আত্মিকরণ অঞ্চল ক্লোরোফিল যুক্ত
Another Explanation (5): উদ্দীপকের উদ্ভিদটি লিভারওয়ার্টের (Liverwort) প্রজাতি, যা সাধারণত আর্দ্র পরিবেশে জন্মে। প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে, এই প্রজাতিগুলি স্যাঁতসেঁতে মাটিতে, আর্দ্র প্রাচীরের গায়ে এবং নদী তীরের বালিতে পাওয়া যায়। এখন, এই প্রজাতির দুটি অঞ্চলের মধ্যে কোনটি সত্য, তা বিশ্লেষণ করা যাক। উত্তর: **"আত্মিকরণ অঞ্চল ক্লোরোফিল যুক্ত"** **ব্যাখ্যা:** - **আত্মিকরণ অঞ্চল (Autotrophic Region):** এই অঞ্চলটি এমন যেখানে উদ্ভিদ নিজেদের খাদ্য তৈরি করে, অর্থাৎ ক্লোরোফিলের উপস্থিতিতে সজীব। লিভারওয়ার্টের মতো ক্ষুদ্র উদ্ভিদ মূলত ক্লোরোফিলযুক্ত দিয়ে নিজস্ব খাদ্য উৎপাদন করে, কারণ তারা ছবি সংশ্লেষ করে। - **ক্লোরোফিল যুক্ত অঞ্চল:** ক্লোরোফিল হল উদ্ভিদের সবুজ রঞ্জক পদার্থ, যা সূর্যালোকের সাহায্যে ছবি সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। উদ্ভিদগুলো সাধারণত এই ক্লোরোফিলের উপস্থিতির কারণে সবুজ রঙ ধারণ করে। **উপসংহার:** প্রদত্ত পরিবেশে লিভারওয়ার্টের প্রজাতিগুলি স্যাঁতসেঁতে, আর্দ্র এবং নদীর পাড়ে জন্মে থাকায়, তাদের জন্য মূল উপযুক্ত অঞ্চল হলো **আত্মিকরণ অঞ্চল**, যেখানে তারা ক্লোরোফিলযুক্ত হয়ে নিজস্ব খাদ্য তৈরি করতে সক্ষম। অতএব, এই উদ্ভিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো **"আত্মিকরণ অঞ্চল ক্লোরোফিল যুক্ত"**।
Option A Explanation:

আত্মিকরণ অঞ্চল ক্লোরোফিল যুক্ত

  • এটি এমন অংশ যেখানে গাছের মূল বা শিকড়ের সংযোগ থাকে এবং যেখানে ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকে।
  • ক্লোরোফিল হলো সেই রঙিন পিগমেন্ট যা সূর্যালোকের আলোকে শোষণ করে, যা ফটোসিনথেসিসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • আত্মিকরণ অঞ্চলে সাধারণত গাছের মূলের শিরা বা রাইজোডের মধ্যে ক্লোরোফিল পাওয়া যায় যা গাছের শেকড়ের মধ্যে কিছু পরিমাণে আলোর উপস্থিতি নির্দেশ করে।
  • এই অঞ্চলে ক্লোরোফিলের উপস্থিতি গাছের খাদ্য প্রস্তুতিতে সহায়ক, বিশেষ করে আর্দ্র ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে যেখানে সূর্যালোকের প্রভাব কম হয়।
  • আত্মিকরণ অঞ্চলে ক্লোরোফিলের উপস্থিতি গাছের জীবনচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, কারণ এটি গাছের মূলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে সহায়তা করে।
Option B Explanation:
  • সঞ্চয়ী অঞ্চল: এই অঞ্চলটি উদ্ভিদের মধ্যে সঞ্চয়ী উপাদান বা খাদ্য সংরক্ষণ করে। সাধারণত, এই অংশে উদ্ভিদের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি বা পুষ্টি সংরক্ষণ হয়।
  • স্টোমাটা যুক্ত: স্টোমাটা হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র বা পোর যা পাতায় থাকে এবং গ্যাস বিনিময় ও জলীয় বাষ্প নিঃসরণের জন্য দায়ী। উদ্ভিদের শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় স্টোমাটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • সংক্ষেপে: এই অপশনে বোঝানো হয়েছে যে, সঞ্চয়ী অঞ্চলে স্টোমাটা উপস্থিত রয়েছে, যা উদ্ভিদের গ্যাস বিনিময় ও জল নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
  • আত্মিকরণ অঞ্চল: এটি মূলত উদ্ভিদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বৃদ্ধির স্থান যেখানে নতুন কোষ তৈরি হয়।
  • রাইজয়েড: রাইজয়েড হলো উদ্ভিদমূলের এক ধরনের শাখা বা চোখ, যা মাটির মধ্যে প্রবেশ করে উদ্ভিদের স্থিতিশীলতা ও পুষ্টি গ্রহণে সাহায্য করে।
  • রাইজয়েডের উপস্থিতি: সাধারণত, কিছু উদ্ভিদের আত্মিকরণ অঞ্চলে রাইজয়েড বিদ্যমান থাকে, যা মূলত তাদের স্থিতিশীলতা ও বৃদ্ধি সমর্থন করে।
  • উপসংহার: অতএব, "আত্মিকরণ অঞ্চলে রাইজয়েড বিদ্যমান" বলতে বোঝায় যে, এই অঞ্চলে রাইজয়েডের উপস্থিতি উদ্ভিদের স্থিতিশীলতা এবং পুষ্টি গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
  • সঞ্চয়ী অঞ্চল: এটি উদ্ভিদ বা অঙ্গের এমন অংশ যা জল বা পুষ্টি সংরক্ষণ করে রাখে। উদাহরণস্বরূপ, রাইজোড বা কাণ্ড যা জল বা পুষ্টি জমা করে রাখে।
  • বায়ুকুঠুরী যুক্ত: এটি এমন অঙ্গ বা অংশ যা শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদ্ভিদে, সাধারণত পাতা বা অন্যান্য অঙ্গের মাধ্যমে গ্যাস বিনিময় হয়।
  • সংক্ষিপ্ত বিবরণ: এই অপশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সঞ্চয়ী অঞ্চলে বায়ুকুঠুরী যুক্ত, যার অর্থ এই যে, উদ্ভিদে জল বা পুষ্টি সংরক্ষণের জন্য সঞ্চয়ী অংশ রয়েছে এবং সেই অংশে শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য বায়ুকুঠুরী বা গ্যাস বিনিময়কারী অঙ্গও বিদ্যমান।