টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটির শুক্রাণু ফ্ল্যাজেলাবিহীন?

A. ginkgophyta
B. Cycadophyta
C. Gnetophyta
D. Coniferophyta
সঠিক উত্তরঃ C. Gnetophyta
Explanation:

Cycadophyta- বহু ফ্ল্যাজেলাযুক্ত. Gnetophyta- ফ্ল্যাজেলাবিহীন

Another Explanation (5):

Gnetophyta-র শুক্রাণু কেন ফ্ল্যাজেলাবিহীন: একটি আলোচনা 🧐

Gnetophyta এমন একটি উদ্ভিদগোষ্ঠী যাদের শুক্রাণুতে ফ্ল্যাজেলা (flagella) থাকে না। এর কারণ এবং তাৎপর্য নিচে আলোচনা করা হলো:

ফ্ল্যাজেলাবিহীন শুক্রাণুর কারণ 🧬

Gnetophyta-র শুক্রাণুতে ফ্ল্যাজেলা না থাকার প্রধান কারণ হলো এদের মধ্যে উন্নত ধরনের পরাগায়ণ (pollination) পদ্ধতি দেখা যায়। নিচে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হলো:

  • পরাগনালীর মাধ্যমে নিষেক: Gnetophyta উদ্ভিদের শুক্রাণু পরাগনালীর (pollen tube) মাধ্যমে ডিম্বাণু পর্যন্ত পৌঁছায়। তাই এদের সক্রিয়ভাবে সাঁতার কাটার প্রয়োজন হয় না। 🏊❌
  • পরিবহন প্রক্রিয়া: পরাগনালী শুক্রাণুকে ডিম্বাণু পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার কাজটি করে, তাই ফ্ল্যাজেলার প্রয়োজন নেই। 🚚
  • বিবর্তনীয় পরিবর্তন: উদ্ভিদের বিবর্তনের ধারায় Gnetophyta-রা ফ্ল্যাজেলাযুক্ত শুক্রাণু থেকে ফ্ল্যাজেলাবিহীন শুক্রাণুতে পরিবর্তিত হয়েছে। 🌱➡️🧫

ফ্ল্যাজেলাবিহীন শুক্রাণুর সুবিধা 👍

ফ্ল্যাজেলা না থাকার কিছু সুবিধা নিচে দেওয়া হলো:

  1. শক্তি সাশ্রয়: ফ্ল্যাজেলা তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যে শক্তির প্রয়োজন, তা সাশ্রয় হয়। 🔋
  2. দ্রুত নিষেক: পরাগনালী সরাসরি ডিম্বাণুর কাছে শুক্রাণুকে পৌঁছে দেয় বলে নিষেক দ্রুত হয়। 🚀
  3. নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো: পরাগনালী নিশ্চিত করে যে শুক্রাণু সঠিক ডিম্বাণুতেই পৌঁছাচ্ছে।🎯

Gnetophyta-র বৈশিষ্ট্য 🌿

Gnetophyta উদ্ভিদের কিছু বৈশিষ্ট্য:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
ভাস্কুলার টিস্যু উন্নত পরিবহন তন্ত্র (জাইলেম ও ফ্লোয়েম) বিদ্যমান। 🌳
পরাগনালী পরাগায়নের জন্য পরাগনালী তৈরি হয়। 🌸
নিষেক ডাবল ফার্টিলাইজেশন অনুপস্থিত। ❌
উদাহরণ Gnetum, Ephedra, Welwitschia ইত্যাদি। 🌵

উদাহরণ 👇

  • Gnetum: ক্রান্তীয় অঞ্চলের লতানো গাছ। 🌴
  • Ephedra: মরুভূমির গুল্ম। 🏜️
  • Welwitschia: নামিব মরুভূমিতে পাওয়া যায়, এদের আজীবন ধরে মাত্র দুটি পাতা থাকে। 🍃🍃

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

Gnetophyta উদ্ভিদ প্রজাতি উদ্ভিদের বিবর্তন এবং অভিযোজন সম্পর্কে জানতে গুরুত্বপূর্ণ। ❤️

আশা করি, Gnetophyta-র শুক্রাণু ফ্ল্যাজেলাবিহীন হওয়ার কারণ তোমরা বুঝতে পেরেছ। 🥳

Option A Explanation:
  • Ginkgophyta: এই গোষ্ঠীর গাছগুলি সাধারণত ফ্ল্যাজেলাবিহীন শুক্রাণু ধারণ করে।
  • এখানে, শুক্রাণু উৎপন্ন হয় কিন্তু এগুলি সাধারণত ফ্ল্যাজেল বা শৈল্পিক অঙ্গবিহীন হয়।
  • Ginkgophyta গাছের শুক্রাণু সাধারণত সরাসরি অঙ্কুরিত হয় এবং এগুলিতে ফ্ল্যাজেল দেখা যায় না।
Option B Explanation:

Cycadophyta

  • নগ্নবীজী উদ্ভিদ
  • প্রাচীন প্রজাতির উদ্ভিদ
  • বৃক্ষাকারী গাছের রূপ ধারণ করে
  • প্রধানত ট্রপিক্যাল ও সাবট্রপিক্যাল অঞ্চলে পাওয়া যায়
  • সাধারণত বড়, শক্ত, ও পাতা বিশিষ্ট
  • নগ্নবীজ দ্বারা প্রজনন হয়
  • অতীতে এই গোষ্ঠীটি অধিক পরিচিত ছিল
  • অন্যদিকে, আবৃতবীজী উদ্ভিদের সাথে তুলনায় এই গোষ্ঠীটি বেশি প্রাচীন ও সহজাত
Option C Explanation:

Gnetophyta

  • Gnetophyta হলো এক ধরনের নগ্নবীজী উদ্ভিদ গোষ্ঠী।
  • এটি নগ্নবীজী উদ্ভিদের মধ্যে একটি বিশেষ গ্রুপ, যেখানে বিন্যাস ও গঠনগত বা বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্য দ্বারা অন্যান্য নগ্নবীজী উদ্ভিদের সাথে তুলনা করা হয়।
  • Gnetophyta এর উদ্ভিদসমূহ সাধারণত অর্ধনগ্নবীজী বা আধা-আনগ্নবীজী ধরনের, তবে তারা মূলত নগ্নবীজী উদ্ভিদ হিসেবেই গণ্য।
  • এদের মধ্যে কিছু উদ্ভিদ, যেমন Gnetum, Ephedra, এবং Welwitschia, বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে যা আবৃতবীজী উদ্ভিদের সাথে কিছু মিল রয়েছে।
  • Gnetophyta এর উদ্ভিদসমূহের শাখা, পাতা, এবং ফলের গঠন অন্যান্য নগ্নবীজী উদ্ভিদের থেকে আলাদা হলেও, তারা আবৃতবীজী উদ্ভিদের সাথে অনেক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করে।
Option D Explanation:
  • Coniferophyta: এটি একটি বিভাগ যেখানে সাধারণত কনিফার বা শিসের গাছ দেখা যায়।
  • নগ্নবীজী উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত, কারণ এরা সাধারণত নগ্নবীজ (নগ্ন বীজ) উৎপাদন করে।
  • অভ্যন্তরীণভাবে, এদের বীজ সরাসরি গাছের বাইরে দেখা যায়, যা আবৃতবীজী থেকে আলাদা।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এর গাছে শিসের পাতা ও স্পোরফাইট যুগে থাকে, এবং এগুলোর বীজগুলো সরাসরি গাছের বাইরে থাকে।
  • উদাহরণ: পাইন, স্প্রুস, ফার, সিডার ইত্যাদি গাছ।