Another Explanation (5):
দেহ প্রাচীরে অস্টিয়া: পরিফেরা পর্বের বৈশিষ্ট্য 🧽
পরিফেরা (Porifera) পর্বের প্রাণীদের দেহপ্রাচীরে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র থাকে। এই ছিদ্রগুলোকে অস্টিয়া (Ostia) বলা হয়। অস্টিয়ার মাধ্যমে জলীয় দ্রবণ প্রাণীর দেহে প্রবেশ করে।
অস্টিয়া সম্পর্কিত তথ্য
- অস্টিয়া কী? পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহ প্রাচীরের ছিদ্র।
- কাজ: পানির মাধ্যমে খাদ্য এবং অক্সিজেন গ্রহণ এবং রেচন পদার্থ নির্গমন।
- অবস্থান: পরিফেরার পুরো দেহ জুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে থাকে।
- বৈশিষ্ট্য: খুব ছোট আকারের অসংখ্য ছিদ্র।
পরিফেরা পর্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ
অস্টিয়া ছাড়াও পরিফেরা পর্বের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে:
- এরা সাধারণত স্পঞ্জ নামে পরিচিত।
- এরা বহুকোষী প্রাণী তবে টিস্যু বা অঙ্গতন্ত্র গঠিত হয়নি।
- এদের কঙ্কাল স্পিকিউল (Spicule) দিয়ে গঠিত।
- এদের দেহে কোয়ানোসাইট (Choanocyte) নামক বিশেষ কোষ থাকে।
- এদের প্রজনন অযৌন এবং যৌন উভয় প্রক্রিয়ায় হতে পারে।
পরিফেরা পর্বের প্রাণীর উদাহরণ
| বৈজ্ঞানিক নাম |
সাধারণ নাম |
ছবি |
| Spongilla lacustris |
মিঠা পানির স্পঞ্জ |
 |
| Sycon ciliatum |
সাইকন |
 |
অস্ট্রিয়া, অসকুলাম এবং স্পঞ্জোসিল এর মধ্যে সম্পর্ক
পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহে বিদ্যমান এই তিনটি অংশ একটি সরল জলনালী তন্ত্রের অংশ। অস্টিয়া দিয়ে পানি প্রবেশ করে স্পঞ্জোসিল নামক গহ্বরে যায়, এবং অসকুলাম নামক বড় ছিদ্র দিয়ে পানি দেহ থেকে বেরিয়ে যায়। 🌊
- অস্টিয়া (Ostia): ছোট ছোট ছিদ্র, যা দিয়ে পানি প্রবেশ করে।💧
- স্পঞ্জোসিল (Spongocoel): দেহের মধ্যে ফাঁকা গহ্বর, যেখানে পানি পরিবাহিত হয়। 🏞️
- অসকুলাম (Osculum): বড় ছিদ্র, যা দিয়ে পানি বাইরে যায়। 🌋
আশা করি, পরিফেরা পর্বের প্রাণী এবং এদের দেহে অস্টিয়ার ভূমিকা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 💡
আরও জানতে এবং শিখতে থাকুন!📚 😊