Another Explanation (5): নিচের কোনটির কম্পাংক সবচেয়ে বেশি তা নির্ণয় করতে হলে প্রথমে প্রতিটি রঙের বর্ণালী (spectral wavelength) বা কম্পাংকের মান জানা প্রয়োজন। কম্পাংক বা তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনুযায়ী রঙের ক্রম নির্ধারিত হয়। সাধারণত, রঙের বর্ণালী নীচেরভাবে উল্লেখ করা হয়:
- অতিবেগুনী (Violet) — এই রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত ৩৮০ থেকে ৪০৫ ন্যানোমিটার (nm) এর মধ্যে থাকে।
- নীল (Blue) — তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ৪০৫ থেকে ৪৯০ nm।
- সবুজ (Green) — তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ৪৯০ থেকে ৫৭৫ nm।
- ইয়েলো (Yellow) — তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ৫৭৫ থেকে ৬২০ nm।
- কমলা (Orange) — তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ৬২০ থেকে ৭০৫ nm।
- লাল (Red) — তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ৬৫০ থেকে ৭৭০ nm।
সাধারণত, কম্পাংকের মানের দিক থেকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য inversely proportional; অর্থাৎ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে কম্পাংক বেশি হয়। তাই, তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট, তত বেশি কম্পাংক। অতিবেগুনী রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোট, ফলে এর কম্পাংক সবচেয়ে বেশি।
অতএব, **"অতিবেগুনী"** রঙের কম্পাংক সবচেয়ে বেশি।
**সারাংশ:**
- অতিবেগুনী রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে ক্ষুদ্র।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট হলে কম্পাংক বেশি হয়।
- অতিবেগুনী রঙের কম্পাংক সবচেয়ে বেশি।