টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিউক্লিয়াস এটমের কেন্দ্রে অবস্থিত। ইহা আবিষ্কার করেন?

A. থমসন
B. রাদারফোর্ড
C. আইনস্টাইন
D. ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তরঃ B. রাদারফোর্ড
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: নিউক্লিয়াস এর আবিষ্কারক সম্পর্কে প্রশ্ন। রাদারফোর্ড নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেছেন। অপশন বিশ্লেষণ: A. থমসন: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. রাদারফোর্ড: সঠিক, এটি সঠিক আবিষ্কারক। C. আইনস্টাইন: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. ম্যাক্সওয়েল: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেছিলেন রাদারফোর্ড।
Another Explanation (5): ```html

নিউক্লিয়াস আবিষ্কার ⚛️

নিউক্লিয়াস হলো পরমাণুর কেন্দ্র। এটি আবিষ্কার করেন আর্নেস্ট রাদারফোর্ড। নিচে এই আবিষ্কারের প্রেক্ষাপট এবং তাৎপর্য আলোচনা করা হলো:

আবিষ্কারের প্রেক্ষাপট

১৯০৯ সালে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড তার দুই ছাত্র হ্যান্স গাইগার ও আর্নেস্ট মার্সডেনকে সাথে নিয়ে একটি বিখ্যাত পরীক্ষা করেন। এই পরীক্ষাটি "গোল্ড ফয়েল এক্সপেরিমেন্ট" নামে পরিচিত।

পরীক্ষার মূল বিষয়বস্তু ছিল:

  • একটি সোনার পাতের (Gold Foil) ওপর আলফা কণা (α-particle) নিক্ষেপ করা।
  • সোনার পাতের চারদিকে একটি পর্দা স্থাপন করা, যা আলফা কণা দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হলে আলোক ঝলক সৃষ্টি করবে।
  • আলফা কণাগুলোর গতিপথ পর্যবেক্ষণ করা।

পর্যবেক্ষণ 🤔

এই পরীক্ষা থেকে রাদারফোর্ড ও তার সহকর্মীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন:

  1. বেশিরভাগ আলফা কণা কোনো বাধা ছাড়াই সোনার পাত ভেদ করে চলে যায়।
  2. কিছু আলফা কণা সামান্য কোণে বিক্ষিপ্ত (deflected) হয়।
  3. অত্যন্ত অল্প সংখ্যক আলফা কণা (প্রায় ২০,০০০ এর মধ্যে ১টি) সরাসরি তাদের উৎসের দিকে ফিরে আসে। ↩️

সিদ্ধান্ত 💡

এই পর্যবেক্ষণগুলোর ওপর ভিত্তি করে রাদারফোর্ড নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তে উপনীত হন:

  • পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। 🌌
  • পরমাণুর ভেতরের ধনাত্মক চার্জ (positive charge) এবং ভর একটি ক্ষুদ্র স্থানে কেন্দ্রীভূত থাকে। 📍
  • এই ক্ষুদ্র স্থানটিই হলো নিউক্লিয়াস।

রাদারফোর্ডের মডেল 👨‍🏫

এই আবিষ্কারের পর রাদারফোর্ড পরমাণুর একটি নতুন মডেল প্রস্তাব করেন, যা "রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল" নামে পরিচিত। এই মডেল অনুসারে:

  1. পরমাণুর কেন্দ্রে একটি ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস থাকে, যেখানে পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর এবং ধনাত্মক চার্জ বিদ্যমান।
  2. ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের চারপাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে, অনেকটা সৌরজগতের গ্রহগুলোর মতো। 🪐

গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল 🏆

নিউক্লিয়াস আবিষ্কার পরমাণু বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞানে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এর ফলস্বরূপ:

  • পরমাণুর গঠন সম্পর্কে আমাদের ধারণা সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে যায়।
  • পরমাণু শক্তি (Nuclear energy) এবং তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) নিয়ে গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
  • পরমাণু বোমা 💣 এবং নিউক্লিয়ার চুল্লি ☢️ তৈরির পথ প্রশস্ত হয়।

সংক্ষেপে 📚

নিউক্লিয়াস আবিষ্কারের ঘটনাটিকে একটি টেবিলে উপস্থাপন করা হলো:

বিষয় তথ্য
আবিষ্কারক আর্নেস্ট রাদারফোর্ড
সাল ১৯০৯ (পরীক্ষা), ১৯১১ (মডেল প্রস্তাব)
পরীক্ষার নাম গোল্ড ফয়েল এক্সপেরিমেন্ট
গুরুত্ব পরমাণুর গঠন সম্পর্কে ধারণা পরিবর্তন, পারমাণবিক শক্তির বিকাশ

আশা করি, নিউক্লিয়াস আবিষ্কার সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। ধন্যবাদ! 🙏

```