টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

রাশেদ চট্টগ্রাম থেকে ঘুরে আসার পর জ্বরে
আক্রান্ত হলো। কিন্তু তার জ্বর নির্দিষ্ট সময়
পরপর কাঁপুনি দিয়ে আসতে লাগল।

রাশেদ যে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলো তার
অণুজীবটির নাম কী?

A.

Bordetalla pertusis

B.

Salmonella typhosa

C.

Plasmodium vives

D.

Mycrosporum canis

সঠিক উত্তরঃ C.

Plasmodium vives

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

রাশেদের জ্বরের কারণ: Plasmodium vivax🦠

রাশেদ সম্প্রতি চট্টগ্রাম 🏖️ থেকে ঘুরে এসেছে এবং জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। তার জ্বরের লক্ষণ হলো কাঁপুনি দিয়ে নির্দিষ্ট সময় পরপর আসা। এই লক্ষণগুলো Plasmodium vivax নামক অণুজীব দ্বারা সৃষ্ট ম্যালেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে।

Plasmodium vivax সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • এটি ম্যালেরিয়া রোগের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম।
  • এই পরজীবী স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার 🦟 মাধ্যমে ছড়ায়।
  • P. vivax সাধারণত মৃদু ম্যালেরিয়া রোগের সৃষ্টি করে, তবে এটি মারাত্মক জটিলতাও তৈরি করতে পারে।
  • এই ম্যালেরিয়ার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি সুপ্ত অবস্থায় (hypnozoite) লিভারে 肝 থাকতে পারে এবং পরবর্তীতে রোগটি ফিরে আসতে পারে (relapse)।

রোগের লক্ষণ 🤒:

  1. কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা (সাধারণত একদিন পর পর)।
  2. মাথাব্যথা 🤕।
  3. muscle pain পেশীতে ব্যথা।
  4. দুর্বলতা 😫।
  5. বমি বমি ভাব 🤢।

রোগ নির্ণয় পদ্ধতি 🔬:

রক্ত পরীক্ষা 🩸 (Blood Smear) করে এই পরজীবীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া র‌্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট (RDT) এর মাধ্যমেও রোগ নির্ণয় করা সম্ভব।

চিকিৎসা 💊:

Plasmodium vivax ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় সাধারণত ক্লোরোকুইন (Chloroquine) এবং প্রিமாகুইন (Primaquine) ব্যবহার করা হয়। ডাক্তারের পরামর্শ 👨‍⚕️👩‍⚕️ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করা উচিত।

প্রতিরোধ 🛡️:

পদ্ধতি বিবরণ
মশা তাড়ানো 🦟🚫 মশা তাড়ানোর স্প্রে, কয়েল ব্যবহার করুন।
মশারী ব্যবহার 🛌 রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারী ব্যবহার করুন।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা 🧹 বাড়ির আশেপাশে জল জমতে দেবেন না।
প্রতিরোধক ঔষধ 💊 ম্যালেরিয়া প্রবণ এলাকায় ভ্রমণের আগে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিরোধক ঔষধ সেবন করুন।

সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন 😊!

আরও জানতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন 🏥।

```
Option A Explanation:
  • Bordetella pertussis হলো একটি ব্যাকটেরিয়া যা মূলত কাশি বা কফের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
  • এটি গুরুতর কাশি সৃষ্টি করে, যা সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী ও কঠিন হয়।
  • প্রধানত এটি শিশু ও কিশোরদের ম???্যে দেখা যায়, তবে বড়দেরও সংক্রমিত হতে পারে।
  • বাড়িতে বা সামাজিক পরিবেশে সহজে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে যেখানে জনসংখ্যা ঘনঘন হয়।
  • প্রতিরোধের জন্য টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ, যা বাচ্চাদের জন্য সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে় তোলে।
Option B Explanation:
  • নাম: Salmonella typhosa
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া (ব্যাকটেরিয়াল অণুজীব)
  • বর্ণনা: এটি এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যা টাইফয়েড জ্বরের জন্য দায়ী। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত দূষিত পানি বা খাবার থেকে শরীরে প্রবেশ করে।
  • সংক্রমণের উপায়: মূত্র, পয়খানা, বা খাদ্যের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে।
  • প্রভাব: এই অণুজীবটি দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রতঙ্গে আঘাত করে, ফলে জ্বর, দুর্বলতা, পেট ব্যথা, এবং বমি ভাব দেখা যায়।
  • চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে এই সংক্রমণ নিরাময় হয়।
Option C Explanation:
  • প্রজাতি: Plasmodium vivax
  • প্রধানত: এটি একটি পরজীবী যা ম্যালেরিয়ার কারণ হয়ে থাকে।
  • অক্সিজেনের প্রয়োজন: রক্তের লোহিত রক্তকণিকাগুলিতে বাস করে।
  • সংক্রমণের উপায়: প্রাথমিকভাবে সাঁচার মাধ্যমে, যেমন মাছি দ্বারা সংক্রমিত হওয়া।
  • লক্ষণ: জ্বর, ঠাণ্ডা অনুভূতি, ঘাম, অস্বস্তি, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চক্রাকারে ফিরে আসে।
  • জ্বরের বৈশিষ্ট্য: সাধারণত জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা খুবই সাধারণ ম্যালেরিয়ার লক্ষণ।
Option D Explanation:
  • Mycrosporum canis হলো একটি ফঙ্গাসজনিত সংক্রমণ, যা সাধারণত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়, বিশেষ করে কুকুরের মধ্যে।
  • এটি একটি ডার্মাটোফাইট ফঙ্গাস, যা ত্বকে, চুলে ???বং নখে সংক্রমণ সৃষ্টি করে।
  • মানুষের মধ্যে এটি সাধারণত ত্বকের সংক্রমণ হিসেবে দেখা যায়, যেমন ত্বকের খোসা পড়া, লালচে দাগ, বা খোসা পড়া উপসর্গ।
  • সংক্রমণ সাধারণত ছোঁয়ার মাধ্যমে ছড়ায় এবং আক্রান্ত প্রাণী বা মানুষ থেকে অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।
  • চিকিৎসার জন্য সাধারণত এন্টিফাঙ্গাল ওষুধ ব্যবহার করা হয়।