টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটি জিনোম সিকুয়েন্সিং এর প্রয়োগক্ষেত্র?

  1. কীটপতঙ্গরোধী উদ্ভিদ সৃষ্টি 
  2. ইন্টারফেরন উৎপাদন
  3. ইনসুলিন উৎপাদন

নিচের কোনটি সঠিক? 


A.

i ও ii

B.

i ও iii

C.

ii ও iii

D.

i,ii ও iii

সঠিক উত্তরঃ D.

i,ii ও iii

Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হলো: i, ii ও iii অর্থাৎ, সব তিনটি ক্ষেত্রেই জিনোম সিকুয়েন্সিং এর প্রয়োগ দেখা যায়। নিচে প্রত্যেকটির ব্যাখ্যা দেয়া হলো:
  1. কীটপতঙ্গরোধী উদ্ভিদ সৃষ্টি: জিনোম সিকুয়েন্সিং এর মাধ্যমে কীটপতঙ্গের আক্রমণে প্রতিরোধক গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ বা জেনোটাইপ শনাক্ত করা যায়। এতে করে নতুন প্রজাতির উদ্ভিদ তৈরি বা বিদ্যমান উদ্ভিদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি সম্ভব হয়।
  2. ইন্টারফেরন উৎপাদন: ইন্টারফেরন হলো একটি প্রাকৃতিক অণু যা রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। জিনোম সিকুয়েন্সিং এর মাধ্যমে ইন্টারফেরন জেনের সঠিক গঠন ও কার্যপ্রণালী বোঝা যায়, যা জিনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি বা নতুন ইন্টারফেরন উৎপাদন করতে সহায়তা করে।
  3. ইনসুলিন উৎপাদন: ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইনসুলিনের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য জিনোম সিকুয়েন্সিং গুরুত্বপূর্ণ। এটি ইনসুলিন উৎপাদনকারী জেনের সঠিক স্থান ও কার্যপ্রণালী নির্ণয় করে, যাতে করে ভেষজ বা জেনেটিকালি সংশোধিত এক্সপ্রেশনের মাধ্যমে ইনসুলিন উৎপাদন সম্ভব হয়।
অর্থাৎ, এই তিন ক্ষেত্রেই জিনোম সিকুয়েন্সিং এর গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ রয়েছে।