লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বাফার দ্রবণ হলো সেই দ্রবণ, যা অল্প পরিমাণ অ্যাসিড (H+) বা ক্ষার (OH-) যোগ করার পরেও pH এর পরিবর্তনকে বাধা দেয়। এটি দুর্বল অ্যাসিড ও তার লবণের মিশ্রণ অথবা দুর্বল ক্ষার ও তার লবণের মিশ্রণ দ্বারা গঠিত।
এই দুটি যৌগ ব্যবহার করে বাফার দ্রবণ তৈরি করতে হলে, প্রথমে CH3COOH (একটি দুর্বল অ্যাসিড) এবং NaOH (একটি শক্তিশালী ক্ষার)-এর মধ্যে আংশিক প্রশমন (partial neutralization) ঘটাতে হয়।
CH3COOH(aq) + NaOH(aq) ➡️ CH3COONa(aq) + H2O(l)
ধরা যাক, তুমি 1M অ্যাসিটিক অ্যাসিড (CH3COOH) এর 50 mL নিয়েছো। এরপর তুমি 0.5M সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করছো। যখন তুমি 25 mL NaOH যোগ করবে, তখন অর্ধেক CH3COOH, CH3COONa তে রূপান্তরিত হবে। এই অবস্থায়, দ্রবণে CH3COOH এবং CH3COONa এর পরিমাণ সমান থাকবে এবং এটি একটি কার্যকরী বাফার দ্রবণ হিসেবে কাজ করবে। 😊
| ক্ষেত্র | ব্যবহার |
|---|---|
| জৈব রসায়ন🧪 | জৈবিক প্রক্রিয়া এবং রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোতে pH স্থিতিশীল রাখা। |
| ফার্মাসিউটিক্যালস 💊 | ওষুধের ফর্মুলেশন এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। |
| খাদ্য শিল্প 🍔🍕 | খাদ্য সংরক্ষণে এবং গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে। |
| পরিবেশ বিজ্ঞান 🌳 | নদীর জলের pH নিয়ন্ত্রণে রাখা। |
আশা করি, CH3COOH ও NaOH ব্যবহার করে বাফার দ্রবণ তৈরির প্রক্রিয়াটি তোমরা বুঝতে পেরেছ। 😃
```