লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
আলো এক প্রকার তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। এই তরঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength)। বিভিন্ন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিভিন্ন হওয়ার কারণেই তাদের রঙ ভিন্ন হয়।🌈
তরঙ্গদৈর্ঘ্য হল একটি তরঙ্গের দুটি পরপর শীর্ষবিন্দু (Crest) অথবা দুটি পরপর সর্বনিম্ন বিন্দুর (Trough) মধ্যেকার দূরত্ব। একে সাধারণত গ্রিক অক্ষর ল্যামডা (λ) দিয়ে প্রকাশ করা হয়।📏
দৃশ্যমান আলো তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীর (Electromagnetic Spectrum) একটি অংশ যা আমাদের চোখ দেখতে পায়। এই আলো বিভিন্ন রঙের সমন্বয়ে গঠিত, যাদের প্রত্যেকের তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলাদা।💡
দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবথেকে বেশি।
| রঙ | তরঙ্গদৈর্ঘ্য (ন্যানোমিটার approximation এ) |
|---|---|
| বেগুনী (Violet) 💜 | ৩৮০ - ৪৫০ nm |
| নীল (Blue) 💙 | ৪৫০ - ৪৯৫ nm |
| সবুজ (Green) 💚 | ৪৯৫ - ৫৭0 nm |
| হলুদ (Yellow) 💛 | ৫৭০ - ৫৯০ nm |
| কমলা (Orange) 🧡 | ৫৯০ - ৬২৫ nm |
| লাল (Red) ❤️ | ৬২৫ - ৭৪০ nm |
উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য অন্য সকল দৃশ্যমান রঙের আলোর চেয়ে বেশি।👍
আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে তোমরা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং লাল আলোর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পেরেছ। 😊