লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

হেপারিন একটি বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট (রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধক) যা আমাদের শরীরে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়। এটি মূলত বেসোফিল নামক এক ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা দ্বারা সংশ্লেষিত এবং সংরক্ষিত হয়। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
বেসোফিলের গ্রানুলের মধ্যে হেপারিন তৈরি হয় এবং জমা থাকে। যখন কোনো প্রদাহ বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়, তখন বেসোফিল সক্রিয় হয়ে হেপারিন নিঃসরণ করে। হেপারিনের মূল কাজগুলো হলো:
হেপারিন বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যেমন:
| বৈশিষ্ট্য | বেসোফিল | হেপারিন |
|---|---|---|
| প্রকার | শ্বেত রক্তকণিকা | গ্লাইকোস্যামিনোগ্লাইকান (Glycosaminoglycan) |
| উৎপাদনস্থল | অস্থি মজ্জা (Bone marrow) | বেসোফিলের গ্রানুল |
| সংরক্ষণ | সাইটোপ্লাজমিক গ্রানুল | - |
| কাজ | প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ, হেপারিন নিঃসরণ | রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ |
সুতরাং, বেসোফিল হেপারিন তৈরির মাধ্যমে রক্তকে জমাট বাঁধা থেকে রক্ষা করে এবং প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। 👍
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊