লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায়, বিক্রিয়ক (Reactant) ধীরে ধীরে উৎপাদে (Product) পরিণত হয়। A → x বিক্রিয়াটিতে A হলো বিক্রিয়ক এবং x হলো উৎপাদ। এই পরিবর্তনের হারই হলো বিক্রিয়ার হার। 🤔
বিক্রিয়ার হারকে দুটি উপায়ে প্রকাশ করা যায়:
A → x বিক্রিয়াটির ক্ষেত্রে:
গণিতীয়ভাবে, বিক্রিয়ার হারকে নিম্নলিখিতভাবে প্রকাশ করা হয়:
এর মানে হলো, A এর ঘনমাত্রা কমার হার এবং x এর ঘনমাত্রা বাড়ার হার সমান। 🤩
ধরা যাক, একটি পাত্রে A নামক একটি বিক্রিয়ক আছে, যা ধীরে ধীরে x নামক উৎপাদে পরিণত হচ্ছে। যদি 10 সেকেন্ডে A এর ঘনমাত্রা 2M থেকে 1M এ নেমে আসে, এবং একই সময়ে x এর ঘনমাত্রা 0M থেকে 1M এ বৃদ্ধি পায়, তবে:
সুতরাং, বিক্রিয়ার হার হলো 0.1 M/s। 🥳
| বিষয় | প্রতীক | তাৎপর্য |
|---|---|---|
| বিক্রিয়ক | A | বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পদার্থ |
| উৎপাদ | x | বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন পদার্থ |
| সময় | t | বিক্রিয়া সংঘটনের সময় |
| ঘনমাত্রার পরিবর্তন (বিক্রিয়কের ক্ষেত্রে) | -dA | সময়ের সাথে বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা হ্রাস |
| ঘনমাত্রার পরিবর্তন (উৎপাদের ক্ষেত্রে) | dx | সময়ের সাথে উৎপাদের ঘনমাত্রা বৃদ্ধি |
| বিক্রিয়ার হার | -dA/dt অথবা dx/dt | সময়ের সাথে ঘনমাত্রার পরিবর্তনের হার |
আশা করি, A→x বিক্রিয়ার হারের ধারণাটি এখন স্পষ্ট। কোনো প্রশ্ন থাকলে জিজ্ঞাসা করতে পারো! ❓
```