টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

সাইমোস পুষ্পমঞ্জরীর উদাহরণ-

A. গাঁদা
B. জবা
C. সূর্যমুখী
D. কসমস
সঠিক উত্তরঃ B. জবা
Explanation:

Another Explanation (5):

সাইমোস পুষ্পমঞ্জরী: জবা ফুলের উদাহরণ 🌺

সাইমোস পুষ্পমঞ্জরী (Cymose Inflorescence) হলো একটি বিশেষ ধরনের পুষ্পমঞ্জরী, যেখানে ফুলের বৃদ্ধি একটি নির্দিষ্ট ফুল দ্বারা সীমিত থাকে। এই ধরনের পুষ্পমঞ্জরীতে, প্রধান শাখাটি প্রথমে একটি ফুল উৎপন্ন করে এবং তারপর তার নিচ থেকে পার্শ্ব শাখা বের হয়ে ফুল উৎপন্ন করে। জবা ফুল (Hibiscus rosa-sinensis) সাইমোস পুষ্পমঞ্জরীর একটি চমৎকার উদাহরণ।

সাইমোস পুষ্পমঞ্জরীর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • শীর্ষে ফুল: প্রধান শাখার অগ্রভাগে প্রথমে একটি ফুল ফোটে। 🌸
  • পার্শ্বীয় বৃদ্ধি: প্রধান ফুলের নিচে থেকে পার্শ্ব শাখা বের হয় এবং সেগুলোতে ফুল ধরে।🌱
  • বৃদ্ধির ক্রম: ফুলের বৃদ্ধি কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে হয় (Basipetal succession)। 🌼➡️🌺
  • নির্দিষ্ট বৃদ্ধি: পুষ্পমঞ্জরীর বৃদ্ধি একটি নির্দিষ্ট ফুল ফোটার মাধ্যমে শেষ হয়। ✅

জবা ফুলের সাইমোস পুষ্পমঞ্জরী:

জবা ফুলের ক্ষেত্রে, প্রধান শাখা প্রথমে একটি ফুল উৎপন্ন করে। এরপর, ওই ফুলের নিচ থেকে এক বা একাধিক শাখা বের হয়, যেগুলোতে পরবর্তীতে ফুল ফোটে। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে এবং একটি সাইমোস পুষ্পমঞ্জরী গঠিত হয়।

জবা ফুলের পুষ্পমঞ্জরীর গঠন:

  1. প্রধান শাখা (Main Axis): এটি প্রথম ফুলটি ধারণ করে। 🌳
  2. পার্শ্ব শাখা (Lateral Branches): প্রধান শাখার নিচ থেকে উৎপন্ন হওয়া শাখা।🌿
  3. ফুল (Flowers): প্রতিটি শাখা ফুল ধারণ করে। 🌷

সাইমোস পুষ্পমঞ্জরী এবং অন্যান্য পুষ্পমঞ্জরীর মধ্যে পার্থক্য:

বৈশিষ্ট্য সাইমোস পুষ্পমঞ্জরী (Cymose) রেসিমোস পুষ্পমঞ্জরী (Racemose)
বৃদ্ধির ধরণ সীমাবদ্ধ (Definite) 🛑 অসীম (Indefinite) ➡️
ফুলের অবস্থান শীর্ষে পুরাতন ফুল 👵 নীচে পুরাতন ফুল 👴
বৃদ্ধির ক্রম কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে (Basipetal) ⬇️ বাইর থেকে কেন্দ্রের দিকে (Acropetal) ⬆️
উদাহরণ জবা (Hibiscus) 🌺 সরিষা (Mustard) 🌻

উপসংহার:

জবা ফুল সাইমোস পুষ্পমঞ্জরীর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা উদ্ভিদবিদ্যায় এই বিশেষ গঠনটি বুঝতে সহায়ক। এর বৈশিষ্ট্য এবং গঠন অন্যান্য পুষ্পমঞ্জরী থেকে এটিকে আলাদা করে। 👍

আরও জানতে এবং বিস্তারিত উদাহরণের জন্য, উদ্ভিদবিজ্ঞান বই এবং অনলাইন রিসোর্স দেখুন। 📚💻

Option A Explanation:
  • গাঁদা (Marigold):
  • বিশিষ্টতা: এটি একটি জনপ্রিয় ফুল যা বিভিন্ন রঙে পাওয়া যায়, বিশেষ করে হলুদ, কমলা ও হলুদ-কমলা রঙে।
  • ব্যবহার: রঙিন ফুলের মধ্যে এটি বিভিন্ন উৎসব, বিবাহ, ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়।
  • উৎপত্তি: এটি মূলত দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে ভারতের অনেক অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • অন্য নাম: বাংলায় এটি "গাঁদা" নামে পরিচিত।
  • প্রকার: এই ফুলটি বারোয়ারি বা বারোয়ারি গাঁদা (Tagetes) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
Option B Explanation:
  • জবা ফুলের পাপড়ি: জবা বা জবা ফুলের পাপড়িগুলাে মূলতঃ twisted বা মোড়ানো আকারে থাকে।
  • অ্যাস্টিভেশন ধরণ: এর পাপড়িগুলাে মূলতঃ twisted aestivation বা মোড়ানো অ্যাস্টিভেশনের মধ্যে পড়ে।
  • বিশেষত্ব: এই ধরনের অ্যাস্টিভেশনের কারণে ফুল দ্রুত ফুল ফোটা ও পরিপক্বতা অর্জন করে।
  • উপকারিতা: এই ধরণের অ্যাস্টিভেশন ফুলের সেন্ট্রাল অংশে উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং পরাগায়ন প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
Option C Explanation:
  • প্রজাতি: সূর্যমুখী (Helianthus annuus)
  • উদ্ভিদ প্রকার: একবীজপত্রী (Monocotyledonous)
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: সূর্যমুখী একটি একবীজপত্রবিশিষ্ট উদ্ভিদ, যার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর বীজে একটিই শিকড় বা একটিই বীজপত্র থাকে।
  • উৎপত্তি: মূলত উত্তর আমেরিকা থেকে উদ্ভূত, তবে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী চাষ হয়।
  • চাষের ব্যবহার: সূর্যমুখীর বীজ থেকে তেল তৈরি, খাদ্য ও পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • প্রজাতি: কসমস (Cosmos)
  • পরিবার: Asteraceae (অ্যাস্টেরেসি) পরিবারে অন্তর্ভুক্ত
  • উৎপত্তি: মূলত লাতিন আমেরিকা ও উত্তর আমেরিকায় দেখা যায়
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত এক বা একাধিক রঙের ফুল দিয়ে তৈরি হয়, যেমন লাল, গোলাপি, সাদা, বা হলুদ
  • উদ্দেশ্য: সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি, বাগান সাজানো ও ফুলের শৌখিন উপকরনে ব্যবহৃত হয়
  • সাধারণ ব্যবহার: কসমস ফুলের পাপড়ি ঘর ও বাগানে ফুলের থালা সাজাতে ব্যবহার হয়, এবং এটি ফুলের গুণাগুণে জনপ্রিয়