টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন উদ্ভিদে জাইলেম ভেসেল অনুপস্থিত? 

A. আম
B. কাঁঠাল
C. বেল
D. সেগুন
E. পাইন
সঠিক উত্তরঃ E. পাইন
Explanation:

Another Explanation (5):

পাইনে জাইলেম ভেসেল অনুপস্থিত থাকার কারণ 🧐

পাইন হলো জিমনোস্পার্ম (Gymnosperm) বা নগ্নবীজী উদ্ভিদ। এদের কিছু বৈশিষ্ট্য আবৃতবীজী উদ্ভিদ (Angiosperm) থেকে আলাদা। জাইলেমের গঠনগত ভিন্নতা এর মধ্যে অন্যতম।

জাইলেম কি? 🤔

জাইলেম হলো উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যু। এর প্রধান কাজ হলো মূল থেকে পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছে দেওয়া। জাইলেম প্রধানত চারটি উপাদান নিয়ে গঠিত:
  • ট্রাকিড (Tracheids)
  • ভেসেল (Vessels)
  • জাইলেম প্যারেনকাইমা (Xylem Parenchyma)
  • জাইলেম ফাইবার (Xylem Fibers)

পাইনের জাইলেমে ভেসেল অনুপস্থিত কেন? 🤷‍♀️

আবৃতবীজী উদ্ভিদে জাইলেমে ভেসেল থাকে যা পানি পরিবহনে খুবই efficient. কিন্তু পাইন নগ্নবীজী উদ্ভিদ হওয়ার কারণে এর জাইলেমে ভেসেল অনুপস্থিত। পাইনের জাইলেমে শুধুমাত্র ট্রাকিড থাকে। ট্রাকিডগুলো সরু এবং এদের প্রাচীর লিগনিন দ্বারা পুরু হওয়ায় এরা জল পরিবহন করে। ভেসেলের তুলনায় ট্রাকিডের জল পরিবহন ক্ষমতা কম।

ট্রাকিড ও ভেসেলের মধ্যে পার্থক্য 📊

বৈশিষ্ট্য ট্রাকিড (Tracheids) ভেসেল (Vessels)
গঠন সরু ও লম্বাটে কোষ 📏 নল আকৃতির, লম্বা এবং চওড়া 🚰
প্রাচীর লিগনিনযুক্ত পুরু প্রাচীর 🧱 ছিদ্রযুক্ত প্রাচীর থাকে 🕳️
জল পরিবহন ক্ষমতা কম 💧 বেশি 🌊
উপস্থিতি নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উভয় উদ্ভিদে দেখা যায় ✅ শুধুমাত্র আবৃতবীজী উদ্ভিদে দেখা যায় ❌

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🔑

* নগ্নবীজী উদ্ভিদের জাইলেমে ভেসেল না থাকার কারণে পানি পরিবহনে কিছুটা অসুবিধা হয়, তবে ট্রাকিড এই কাজটি করে থাকে। * ভেসেল উদ্ভিদের উন্নত পরিবহন ব্যবস্থার একটি অংশ, যা আবৃতবীজী উদ্ভিদের মধ্যে দেখা যায়। * পাইন গাছের বৈশিষ্ট্য হলো এর সরল কাণ্ড এবং পাতাগুলো সূঁচের মতো। 🌲 আশা করি, পাইন গাছে জাইলেম ভেসেল অনুপস্থিত থাকার কারণ তোমরা বুঝতে পেরেছ। Happy learning! 😊🎓
Option A Explanation:
  • নাম: আম
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ফল যা সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • সাধারণ ব্যবহার: খাওয়া হয় সরাসরি, বিভিন্ন মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার হয়।
  • পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ফাইবারে সমৃদ্ধ।
  • চেহারা: পুরু আকারে, সাধারণত হলুদ রঙের এবং মিষ্টি স্বাদের।
Option B Explanation:

কাঁঠাল গাছের বৈশিষ্ট্য

  • একক ফলের গঠন: কাঁঠাল গাছে একটি পুষ্প মঞ্জুরির সব পুষ্প মিলে একটিমাত্র ফল গঠন করে।
  • অসাধারণ ফলপ্রসূতা: প্রতিটি ফুলের সমন্বয়ে একটি বৃহৎ ফল তৈরি হয়, যা কাঁঠালের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
  • বিশাল আকার: কাঁঠালের ফল সাধারণত অনেক বড় হয়, যা একক ফলের গঠনকে স্পষ্ট করে।
  • অঙ্কুরের সংখ্যা: এই গাছে সাধারণত একাধিক ফুলের সমন্বয়ে একক ফল গঠিত হয়।
  • প্রাকৃতিক উদাহরণ: কাঁঠাল গাছে এই প্রক্রিয়াটি প্রাকৃতিকভাবেই ঘটে, যা এই ফলের একক ফলের বৈশিষ্ট্যকে নিশ্চিত করে।
Option C Explanation:
  • বেল একটি ফল যা সাধারণত গাছে জন্মে এবং এর কাঠামোতে মূলত ভাস্কুলার টিস্যু (যেমন জাইলেম ও ফ্লোয়েম) থাকে।
  • তবে, কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে বা উদ্ভিদে জাইলেম ভেসেল অনুপস্থিত থাকতে পারে, বিশেষ করে কিছু অপ্রধান বা অপ্রচলিত উদ্ভিদ প্রজাতিতে।
  • বেল সাধারণত জাইলেম ভেসেল সমৃদ্ধ উদ্ভিদ, তাই এটি জাইলেম ভেসেল সংবলিত একটি উদ্ভিদ।
  • যদিও, কিছু ক্ষেত্রে বা নির্দিষ্ট প্রজাতিতে জাইলেমের পরিবর্তে অন্য ধরণের টিস্যু বা কাঠামো থাকতে পারে, তবে সাধারণত এটি জাইলেম ভেসেল অনুপস্থিত বলে বিবেচিত হয় না।
Option D Explanation:

সেগুনের বৈশিষ্ট্যসমূহ

  • প্রজাতি: সেগুন (Tectona grandis)
  • প্রধান ব্যবহার: আসবাবপত্র, ফার্নিচার, কাঠের কাজের জন্য ব্যবহৃত
  • উৎপত্তিস্থল: দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত,শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার
  • গবেষণায় জানা যায়: সেগুনের কাঠে জাইলেম ভেসেল অনুপস্থিত নয়; বরং এটি সাধারণত কাঠের জৈবিক গঠন অনুযায়ী জাইলেম ভেসেল উপস্থিত থাকে।
Option E Explanation:
  • প্রজাতি: পাইন (Pinus)
  • উদ্ভিদ প্রকার: দোভাবিশিষ্ট অর্ধবৃক্ষ বা বৃক্ষবিশেষ
  • জাইলেম ভেসেল: সাধারণত এই উদ্ভিদে জাইলেম ভেসেল অনুপস্থিত বা খুবই কম থাকে।
  • উপাদান: এর পরিবর্তে, পাইন ও অন্যান্য কনিফার গাছে প্রধাণত ট্র্যাইকেড বা ট্রেশিড ব্যবহৃত হয় পরিবহনের জন্য।
  • উপসংহার: এই কারণেই পাইন গাছে জাইলেম ভেসেল সাধারণত দেখা যায় না বা খুবই অপ্রচলিত।