টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

প্রোটিওলাইটিক এনজাইম নিম্নের কোন খাদ্যকে পরিপাক করে?

A. ভাত
B. মাছ
C. মাখন
D. শাখ
সঠিক উত্তরঃ B. মাছ
Explanation:

Another Explanation (5):

প্রোটিওলাইটিক এনজাইম ও মাছের পরিপাক

প্রোটিওলাইটিক এনজাইম, যা প্রোটিয়েজ নামেও পরিচিত, একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিপাককারী উৎসেচক (enzyme)। এর প্রধান কাজ হলো প্রোটিনকে ভেঙে ছোট পেপটাইড এবং অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত করা। মাছ একটি উৎকৃষ্ট প্রোটিন উৎস, তাই প্রোটিওলাইটিক এনজাইম মাছের পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 🐟🍣

প্রোটিওলাইটিক এনজাইমের প্রকারভেদ

প্রোটিওলাইটিক এনজাইম বিভিন্ন ধরনের হয়, যা বিভিন্ন উৎস থেকে নিঃসৃত হয় এবং বিভিন্ন pH মাত্রায় কাজ করে। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য প্রোটিওলাইটিক এনজাইমের তালিকা দেওয়া হলো:

  • পেপসিন: পাকস্থলীতে (stomach) নিঃসৃত হয় এবং অ্যাসিডিক (acidic) পরিবেশে কাজ করে।
  • ট্রিপসিন: অগ্ন্যাশয় (pancreas) থেকে নিঃসৃত হয় এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের (small intestine) ডিওডেনামে (duodenum) কাজ করে।
  • কাইমোট্রিপসিন: এটিও অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় এবং ট্রিপসিনের মতো কাজ করে।
  • কারবক্সিপেপটাইডেজ: অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়ে পলিপেপটাইডের কার্বক্সিল প্রান্ত থেকে অ্যামিনো অ্যাসিড আলাদা করে।
  • ইলাস্টেজ: এটিও অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় এবং ইলাস্টিন নামক প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে।

মাছের পরিপাকে প্রোটিওলাইটিক এনজাইমের ভূমিকা

মাছের পরিপাক একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে বিভিন্ন এনজাইম সম্মিলিতভাবে কাজ করে। প্রোটিওলাইটিক এনজাইমগুলো মাছের প্রোটিনকে ভেঙে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত করে, যা শরীর কর্তৃক শোষিত হতে পারে। নিচে প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হলো:

  1. পাকস্থলী: মাছ খাবার গ্রহণের পর, পাকস্থলীতে পেপসিন নামক প্রোটিওলাইটিক এনজাইম প্রোটিন পরিপাক শুরু করে। পেপসিন প্রোটিনকে ভেঙ্গে ছোট পেপটাইডে পরিণত করে।
  2. ক্ষুদ্রান্ত্র: পাকস্থলী থেকে আংশিক পরিপাকৃত প্রোটিন ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে। এখানে ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন এবং কারবক্সিপেপটাইডেজ নামক প্রোটিওলাইটিক এনজাইমগুলো পেপটাইডগুলোকে আরও ছোট করে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত করে।
  3. শোষণ: ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীর অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে শোষণ করে নেয় এবং রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দেয়।

প্রোটিওলাইটিক এনজাইমের কার্যকারিতা

প্রোটিওলাইটিক এনজাইমের কার্যকারিতা pH, তাপমাত্রা এবং অন্যান্য কোফ্যাক্টরগুলোর উপর নির্ভরশীল। প্রতিটি এনজাইমের একটি নির্দিষ্ট অপটিমাম pH থাকে, যেখানে এটি সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করে।

এনজাইম উৎসের স্থান অপটিমাম pH
পেপসিন পাকস্থলী 1.5 - 2.0
ট্রিপসিন অগ্ন্যাশয় 8.0
কাইমোট্রিপসিন অগ্ন্যাশয় 8.0

প্রোটিওলাইটিক এনজাইমের গুরুত্ব

  • প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে। 💪
  • অ্যামিনো অ্যাসিডের উৎস সরবরাহ করে, যা শরীরের গঠন এবং মেরামতের জন্য প্রয়োজন। 🛠️
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। 🛡️
  • হজম প্রক্রিয়াকে সঠিক রাখে। 💯

পরিশেষে, প্রোটিওলাইটিক এনজাইম মাছের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার পরিপাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং শরীরের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়ক। 💖