টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

এটম বোমা____ ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়- 

A. নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া 
B. নিউক্লিয় ফিশান বিক্রিয়া 
C. বিয়োজন বিক্রিয়া 
D. বিক্ষেপণ বিক্রিয়া 
সঠিক উত্তরঃ B. নিউক্লিয় ফিশান বিক্রিয়া 
Explanation:

Another Explanation (5):

এটম বোমা: নিউক্লীয় ফিশন বিক্রিয়ার একাডেমিক ব্যাখ্যা ☢️

এটম বোমা বা পারমাণবিক বোমা নিউক্লীয় ফিশন (Nuclear Fission) বিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া একটি ভয়ঙ্কর বিস্ফোরক। এর ধ্বংসলীলা কল্পনাতীত। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

নিউক্লীয় ফিশন কী? 🤔

নিউক্লীয় ফিশন হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস (যেমন ইউরেনিয়াম-২৩৫ অথবা প্লুটোনিয়াম-২৩৯) নিউট্রন দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে দুটি ছোট নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয়ে যায়। এই বিভাজনের সময় বিপুল পরিমাণে শক্তি নির্গত হয়।

ফিশন প্রক্রিয়ার ধাপ 🪜

  1. নিউট্রন শোষণ: একটি নিউট্রন একটি ভারী নিউক্লিয়াস দ্বারা শোষিত হয়।
  2. নিউক্লিয়াসের অস্থিরতা: নিউক্লিয়াসটি অস্থির হয়ে পড়ে।
  3. বিভাজন: অস্থির নিউক্লিয়াসটি প্রায় সমান ভরের দুটি ছোট নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয়ে যায়।
  4. শক্তি নির্গমন: এই বিভাজনের ফলে প্রচুর শক্তি (গামা রশ্মি এবং গতিশক্তি) নির্গত হয়।
  5. অতিরিক্ত নিউট্রন নির্গমন: সাধারণত ২-৩টি অতিরিক্ত নিউট্রন নির্গত হয়, যা চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করতে পারে।

চেইন রিঅ্যাকশন 🔗

ফিশন প্রক্রিয়ায় নির্গত হওয়া নিউট্রনগুলো অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে এবং সেগুলোর বিভাজন ঘটায়। এটি একটি চেইন রিঅ্যাকশন তৈরি করে, যা খুব অল্প সময়ে অসংখ্য পরমাণুকে বিভক্ত করতে পারে এবং বিশাল শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। 💥

এটম বোমার মূল উপাদান 💣

  • ইউরেনিয়াম-২৩৫ (235U): এটি একটি ফিশাইল আইসোটোপ, যা সহজে ফিশন করা যায়।
  • প্লুটোনিয়াম-২৩৯ (239Pu): এটিও একটি ফিশাইল আইসোটোপ এবং এটি নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরে তৈরি করা হয়।
  • বিস্ফোরক: বোমাটিকে বিস্ফোরিত করার জন্য সাধারণ বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়, যা ফিশাইল উপাদানকে একত্রিত করে একটি সংকটপূর্ণ ভর তৈরি করে।

এটম বোমার গঠন ⚙️

উপাদান কাজ
ফিশাইল উপাদান (ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম) নিউক্লীয় ফিশন বিক্রিয়া ঘটানো এবং শক্তি উৎপাদন করা।
বিস্ফোরক ফিশাইল উপাদানকে দ্রুত একত্রিত করে সংকটপূর্ণ ভর তৈরি করা।
নিউট্রন উৎপাদক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করার জন্য নিউট্রন সরবরাহ করা।
রিফ্লেক্টর নিউট্রনকে ফিশাইল উপাদানের দিকে প্রতিফলিত করা, যাতে চেইন রিঅ্যাকশন দ্রুত হয়।

এটম বোমার কার্যকারিতা 🔥

এটম বোমা কিভাবে কাজ করে তার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র:

  1. বিস্ফোরকের মাধ্যমে ফিশাইল উপাদানকে একত্রিত করা হয়।
  2. সংকটপূর্ণ ভর তৈরি হওয়ার সাথে সাথেই চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হয়।
  3. অল্প সময়ের মধ্যে অসংখ্য পরমাণু বিভাজিত হয়ে বিশাল শক্তি নির্গত করে।
  4. এই শক্তি তাপ, আলো এবং তেজস্ক্রিয় বিকিরণ আকারে নির্গত হয়, যা সবকিছু ধ্বংস করে দেয়।

ক্ষতিকর প্রভাব ☠️

  • তীব্র তাপ: বোমা বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট তীব্র তাপে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
  • বিস্ফোরণ তরঙ্গ: বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট শকওয়েভ ঘরবাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা ধ্বংস করে দেয়।
  • তেজস্ক্রিয় বিকিরণ: তেজস্ক্রিয় বিকিরণ জীবিত কোষকে ধ্বংস করে এবং ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগ সৃষ্টি করে।
  • দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব: তেজস্ক্রিয় দূষণ দীর্ঘকাল ধরে পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🤔

  • এটম বোমা একটি অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক অস্ত্র।
  • এর ব্যবহার মানবজাতির জন্য চরম হুমকিস্বরূপ।
  • বিশ্বের সকল দেশগুলোর উচিত এই অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধে একযোগে কাজ করা।

আশা করি, এই আলোচনা থেকে এটম বোমা এবং এর কার্যকারিতা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 🙏