টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

যেটি পর-পরাগায়নের বৈশিষ্ট্য নয়-

A. নতুন প্রজাতি সৃষ্টি হয় না
B. প্রজাতির বিশুদ্ধতা বিনষ্ট হয়
C. স্ব-পরাগায়নের তুলনায় পরাগরেণুর অপচয় অধিক হয়
D. প্রজাতি অবলুপ্তির সম্ভাবনা কম থাকে
সঠিক উত্তরঃ A. নতুন প্রজাতি সৃষ্টি হয় না
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

পর-পরাগায়ন: বৈশিষ্ট্য এবং সীমাবদ্ধতা 🧐

পর-পরাগায়ন (Cross-pollination) হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি উদ্ভিদের পরাগরেণু অন্য উদ্ভিদের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয়। এর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তবে নতুন প্রজাতি সৃষ্টি না হওয়া এর মধ্যে পরে না। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

পর-পরাগায়নের বৈশিষ্ট্যসমূহ: ✅

  • বৈচিত্র্য (Diversity): 🧬 এই প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য মিশ্রিত হওয়ার সুযোগ থাকে, যা বংশধরের মধ্যে জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
  • অভিযোজন ক্ষমতা (Adaptation): 🦾 নতুন পরিবেশে টিকে থাকার জন্য বংশধরদের মধ্যে উন্নত অভিযোজন ক্ষমতা দেখা যায়।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Disease Resistance): 💪 পর-পরাগায়নের মাধ্যমে সৃষ্ট উদ্ভিদে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • নতুন বৈশিষ্ট্য (New Traits): ✨ কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য পাওয়ার সুযোগ থাকে, যা উদ্ভিদের মান উন্নয়নে সহায়ক।

পর-পরাগায়নের সীমাবদ্ধতা: ⛔

  • অনিশ্চয়তা (Uncertainty): ❓ কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট??য বংশধরে নাও আসতে পারে, কারণ ফলাফল নির্ভর করে উভয় উদ্ভিদের জিনগত বৈশিষ্ট্যের উপর।
  • বাহকের উপর নির্ভরশীলতা (Dependence on Agents): 🐝🦋🌬️ পরাগরেণু স্থানান্তরের জন্য বাহকের (যেমন: কীটপতঙ্গ, বাতাস, পানি) প্রয়োজন হয়।
  • সময় সাপেক্ষ (Time-Consuming): ⏰ এটি একটি ধীর প্রক্রিয়া এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।
  • নতুন প্রজাতি সৃষ্টি নয় (No New Species Creation): ❌ পর-পরাগায়ন সাধারণত নতুন প্রজাতি সৃষ্টি করে না। এটি বিদ্যমান প্রজাতির মধ্যে জিনগত পরিবর্তন ঘটায় মাত্র। নতুন প্রজাতি সৃষ্টির জন্য আরও জটিল প্রক্রিয়া, যেমন মিউটেশন এবং দীর্ঘমেয়াদী বিচ্ছিন্নতা প্রয়োজন।

পর-পরাগায়ন এবং নতুন প্রজাতি সৃষ্টি: একটি তুলনা 📊

বিষয় পর-পরাগায়ন নতুন প্রজাতি সৃষ্টি
বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন বিদ্যমান প্রজাতির মধ্যে জিনগত পরিবর্তন নতুন বৈশিষ্ট্য এবং প্রজাতি গঠন
সময় তুলনামূলকভাবে কম সময় লাগে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন
জটিলতা কম জটিল অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া
ফলাফল উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত বংশধর সম্পূর্ণ নতুন প্রজাতি

সুতরাং, "নতুন প্রজাতি সৃষ্টি হয় না" - এই বক্তব্যটি পর-পরাগায়নের একটি বৈশিষ্ট্য, বরং এটি এই প্রক্রিয়ার একটি সীমাবদ্ধতা। পর-পরাগায়ন বিদ্যমান প্রজাতির মধ্যে বৈচিত্র্য আনতে সহায়ক, কিন্তু নতুন প্রজাতি তৈরিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে না।🌱➡️🌳

```
Option A Explanation:
  • নতুন প্রজাতি সৃষ্টি হয় না: পর-পরাগায়নের মাধ্যমে সাধারণত নতুন প্রজাতি সৃষ্টি হয় না। এর কারণ হল, পর-পরাগায়নে একই প্রজাতির বিভিন্ন গুণাবলি বজায় থাকে এবং প্রজনন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন কম ঘটে।
  • এটি মূলত প্রজাতির স্থায়িত্ব এবং পারস্পরিক বৈচিত্র্য বজায় রাখতে সহায়ক।
  • অন্যদিকে, স্ব-পরাগায়নে নতুন গুণাবলি বা বৈচিত্র্য সৃষ্টি হতে পারে, যা পর-পরাগায়নে কম হয়।
Option B Explanation: প্রজাতির বিশুদ্ধতা বিনষ্ট হয় - ব্যাখ্যা

প্রজাতির বিশুদ্ধতা বিনষ্ট হয় - ব্যাখ্যা

  • পর-পরাগায়নের মাধ্যমে প্রজাতি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়: এটি প্রজাতির আণবিক বা জেনেটিক বৈচিত্র্য বাড়িয়ে তোলে, ফলে প্রজাতির বিশুদ্ধতা কমে যেতে পারে।
  • প্রজননের যত্নশীলতা কমে যায়: যখন পর-পরাগায়ন হয়, তখন প্রজাতির জেনেটিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়, যা প্রজাতির স্বতন্ত্রতা কমাতে পারে।
  • জেনেটিক হেরফের বাড়ে: পর-পরাগায়নের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে জেনেটিক মিশ্রণ হয়, যা প্রজাতির মূল বৈশিষ্ট্য হারাতে সাহায্য করে।
  • প্রজাতির স্বচ্ছতা বা শুদ্ধতা কমে যায়: এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে প্রজাতির মূল বৈশিষ্ট্য বা শুদ্ধতা কমে যেতে পারে, কারণ নতুন জেনেটিক বৈচিত্র্য যোগ হয়।
Option C Explanation:
  • স্ব-পরাগায়নে, একজন গাছে নিজেই পরাগরেণু উৎপন্ন হয় এবং নিজেই পরাগের মাধ্যমে পরাগের সংযোগ হয়।
  • পরাগরেণুর সংযোগের জন্য প্রজননের ক্ষেত্রে বাইরে থেকে বাহ্যিক পরাগের প্রয়োজন পড়ে না।
  • এটি সাধারণত কম পরিমাণে পরাগরেণুর অপচয় ঘটায় কারণ পরাগের অপচয় খুবই সীমিত বা অপ্রয়োজনীয় হয় না।
  • অন্যদিকে, পর-পরাগায়নে, পরাগরেণু অন্য শাখায় বা গাছে পৌঁছানোর জন্য বাহ্যিক পরিবেশের উপর নির্ভর করে, যেখানে পরাগরেণুর অপচয় বেশি হতে পারে।
  • এটি পরাগরেণুর অপচয় বাড়ায় কারণ বাহ্যিক পরিবেশে পরাগের ক্ষতি, বাতাসের মাধ্যমে অপসারণ বা অন্য কোন কারণে পরাগরেণু নষ্ট হতে পারে।
Option D Explanation:

প্রজাতি অবলুপ্তির সম্ভাবনা কম থাকার কারণসমূহ

  • বৈচিত্র্য বৃদ্ধি: পর-পরাগায়নের মাধ্যমে প্রজাতির জেনেটিক বৈচিত্র্য বজায় থাকে, যা পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • প্রজননের স্বতন্ত্রতা: স্ব-পরাগায়নের তুলনায় পর-পরাগায়নে বিভিন্ন প্রজনন পদ্ধতি ও জেনেটিক উপাদান সংমিশ্রণের সম্ভাবনা বেশি, যা প্রজাতির স্থিতিশীলতা বাড়ায়।
  • প্রজননের নিরাপত্তা: পর-পরাগায়নের মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে প্রজনন সম্ভব হয়, ফলে প্রজননের হার বৃদ্ধি পায় এবং প্রজাতি বিলুপ্তির সম্ভাবনা কমে যায়।
  • প্রাকৃতিক প্রজনন পদ্ধতির বিবিধতা: বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে বিভিন্ন পদ্ধতিতে পরাগায়ন ঘটে, যা প্রজাতির টেকসইতা বাড়ায়।