লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
নিউক্লিয়াসকে ভেঙে পৃথক পৃথক প্রোটন ও নিউট্রনে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় শক্তিই হলো বন্ধন শক্তি (Binding Energy)। এই শক্তি নিউক্লিয়াসের স্থিতিশীলতার একটি পরিমাপক। যত বেশি বন্ধন শক্তি, নিউক্লিয়াস তত বেশি স্থিতিশীল। 💪
নিউক্লিয়াসের মধ্যে প্রোটনগুলো ধনাত্মক চার্জযুক্ত হওয়ায় তারা পরস্পরকে বিকর্ষণ করে। এই বিকর্ষণ বলকে অতিক্রম করে নিউক্লিয়াসকে একত্রে ধরে রাখার জন্য একটি শক্তিশালী আকর্ষণ বলের প্রয়োজন। এই আকর্ষণ বল সৃষ্টি হয় নিউক্লিয়াসের বন্ধন শক্তির মাধ্যমে।
ভর ত্রুটি (Mass Defect) ব্যবহার করে বন্ধন শক্তি পরিমাপ করা হয়। আইনস্টাইনের বিখ্যাত সূত্র E=mc2 অনুযায়ী, ভর ত্রুটি থেকে নির্গত শক্তিই হলো বন্ধন শক্তি।
| নিউক্লিয়াস | বন্ধন শক্তি (MeV) | প্রতি নিউক্লিয়ন বন্ধন শক্তি (MeV) |
|---|---|---|
| 4He (হিলিয়াম) | 28.3 | 7.1 |
| 16O (অক্সিজেন) | 127.6 | 8.0 |
| 56Fe (লোহা) | 492.3 | 8.8 |
| 235U (ইউরেনিয়াম) | 1783.9 | 7.6 |
নোট: লোহার (56Fe) প্রতি নিউক্লিয়নের বন্ধন শক্তি সবচেয়ে বেশি, তাই এটি সবচেয়ে স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস। 🎉
আশা করি, বন্ধন শক্তি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। happy learning! 📚😊
```