টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অতি ক্ষুদ্র টিস্যু থেকে বহু চারা উৎপাদনের পদ্ধতিকে বলে-

A. ক্লোনাল প্রোপাগেশন
B. মাইক্রোপ্রোপাগেশন
C. ক্যালাস কালচার
D. সোমাটিক এম্ব্রিওজেনেসিস
সঠিক উত্তরঃ B. মাইক্রোপ্রোপাগেশন
Explanation:

Another Explanation (5):

মাইক্রোপ্রোপাগেশন: অতি ক্ষুদ্র টিস্যু থেকে চারা উৎপাদন 🌱

মাইক্রোপ্রোপাগেশন হলো একটি অত্যাধুনিক উদ্ভিদ প্রজনন কৌশল। এর মাধ্যমে উদ্ভিদের খুব ছোট একটি অংশ (যেমন: কোষ, টিস্যু বা অঙ্গ) থেকে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অসংখ্য চারা তৈরি করা যায়। এটি বায়োটেকনোলজির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মাইক্রোপ্রোপাগেশনের ধাপসমূহ 🪜

  1. মাতৃ উদ্ভিদ নির্বাচন: রোগমুক্ত ও কাঙ্ক্ষিত গুণাবলী সম্পন্ন ভালো মানের মাতৃ উদ্ভিদ নির্বাচন করা হয়। 👍
  2. এক্সপ্লান্ট সংগ্রহ: উদ্ভিদের কাঙ্ক্ষিত অংশ (পাতা, কাণ্ড, মূল) থেকে ছোট ছোট টুকরা সংগ্রহ করা হয়, যা এক্সপ্লান্ট নামে পরিচিত। ✂️
  3. জীবাণুমুক্তকরণ: এক্সপ্লান্টগুলোকে জীবাণুমুক্ত করা হয়, যাতে কোনো রোগ সংক্রমণ না হয়। 🧪
  4. ইনোকুলেশন: জীবাণুমুক্ত এক্সপ্লান্টগুলোকে পুষ্টিকর মাধ্যমে (যেমন: অ্যাগার জেল) স্থানান্তর করা হয়। 🍽️
  5. কালচার স্থাপন: নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে (আলো, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা) এক্সপ্লান্টগুলোর বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য রাখা হয়। 🌡️💡💧
  6. চারা উৎপাদন: এক্সপ্লান্টগুলো থেকে প্রথমে ক্যালাস (কোষের স্তূপ) এবং পরে ছোট চারা তৈরি হয়। 🪴
  7. এ্যাক্লিমাটাইজেশন: চারাগুলোকে ধীরে ধীরে প্রাকৃতিক পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়। ☀️
  8. রোপণ: সবশেষে চারাগুলোকে মাটি বা টবে রোপণ করা হয়। 🚜

মাইক্রোপ্রোপাগেশনের সুবিধা ➕

  • অল্প সময়ে অনেক চারা উৎপাদন করা যায়। 🚀
  • রোগমুক্ত চারা উৎপাদন সম্ভব। ✅
  • স্থান কম লাগে। 🏘️
  • বছরজুড়ে চারা উৎপাদন করা যায়। 📅
  • বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতিকে সংরক্ষণ করা যায়। 🌿
  • উন্নত জাতের চারা উৎপাদন করা যায়। 💯

মাইক্রোপ্রোপাগেশনের অসুবিধা ➖

  • এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া। ⚙️
  • উচ্চ প্রযুক্তি ও সরঞ্জামের প্রয়োজন। 🔬
  • দক্ষ জনবলের প্রয়োজন।👨‍🔬
  • অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে তুলনামূলক ব্যয়বহুল। 💸

বিভিন্ন উদ্ভিদে মাইক্রোপ্রোপাগেশন 🍄🌷🌻

উদ্ভিদের নাম গুরুত্ব
কলা 🍌 দ্রুত বংশবিস্তার এবং রোগমুক্ত চারা উৎপাদন।
স্ট্রবেরি 🍓 গুণগত মানসম্পন্ন চারা উৎপাদন।
অর্কিড 🌸 সংরক্ষণ এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন।
আলু 🥔 ভাইরাস মুক্ত বীজ উৎপাদন।
বাঁশ 🎋 দ্রুত বংশবিস্তার।

মাইক্রোপ্রোপাগেশন বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে কৃষিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। 🌍

আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া

Option A Explanation:

ক্লোনাল প্রোপাগেশন

  • একটি নির্দিষ্ট উদ্ভিদের অঙ্গ বা টিস্যু থেকে একাধিক একই ধরনের উদ্ভিদ উৎপাদনের পদ্ধতি।
  • প্রধানত ব্যবহৃত হয় উদ্ভিদের নিদর্শন বা প্রজনন বৃদ্ধির জন্য, যেখানে বাৎসরিক বা জেনেটিক বৈচিত্র্য কম হয়।
  • এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয় যখন নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতে হয়, যেমন গুণগত মান বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।
  • প্রক্রিয়াটি দ্রুত এবং কার্যকর, বিশেষ করে বৃহৎ পরিমাণে একজাতীয় উদ্ভিদ উৎপাদনের জন্য।
  • উদ্ভিদের ক্লোন তৈরি করতে বিভিন্ন টিস্যু বা অঙ্গের ব্যবহৃত হয়, যেমন স্টেম, পাতা, বা মূল।
Option B Explanation:
  • মাইক্রোপ্রোপাগেশন: এটি একটি উদ্ভিদ প্রজননের পদ্ধতি যেখানে অতি ক্ষুদ্র টিস্যু বা কোষ থেকে একাধিক নতুন উদ্ভিদ উৎপাদিত হয়।
  • প্রক্রিয়া: এই পদ্ধতিতে সাধারণত নির্দিষ্ট ধরনের অণু বা টিস্যু সংগ্রহ করে সেগুলিকে কেঁটে নেওয়া হয়, তারপর বিশেষ পরিবেশে (নাইট্রোজেন বা নির্দিষ্ট ক্ষারক দ্রবণে) সংবেদনশীলভাবে বৃদ্ধি পায়।
  • উপকারিতা: দ্রুত এবং অধিক সংখ্যক উদ্ভিদ উৎপাদন সম্ভব, যা বীজের মাধ্যমে উৎপাদনের তুলনায় অধিক দ্রুত এবং নিশ্চিত।
  • ব্যবহার: বিভিন্ন প্রকার ফলমূল, ফুল, অর্কিড ইত্যাদি উদ্ভিদের জেনেটিকভাবে মানসম্মত এবং একরকম উদ্ভিদ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:

ক্যালাস কালচার (Calas Culture) এর ব্যাখ্যা:

  • সংজ্ঞা: ক্যালাস কালচার হলো একটি ল্যাবরেটরি টেকনিক যেখানে ক্যালাস (যা মূলত গমের খৈল বা শস্যের অংশ) থেকে ব্যাকটেরিয়া বা অন্য অণুজীবের প্রজনন ও বৃদ্ধি দেখা হয়।
  • উদ্দেশ্য: এটি মূলত অণুজীবের বৈচিত্র্য, রোগের কারণ ও চিকিৎসা উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • ব্যবহার: গবেষণায়, টেস্টিং ও অণুজীবের সংক্রমণ নির্ণয়ে এই কালচার পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
  • প্রকৃতি: এটি একটি ইনভিট্রো পদ্ধতি, যেখানে জীবের বাহিরে অণুজীবের বৃদ্ধি দেখা হয়।
Option D Explanation:

সোমাটিক এম্ব্রিওজেনেসিসের ব্যাখ্যা

  • সংজ্ঞা: সোমাটিক এম্ব্রিওজেনেসিস হলো এক প্রকারের উদ্ভিদপ্রজনন প্রক্রিয়া, যেখানে উত্পন্ন হয় অঙ্গবিশেষ বা শাখাবিশেষ থেকে উদ্ভিদ।
  • প্রক্রিয়া: এই পদ্ধতিতে, উদ্ভিদের কোষ বা টিস্যু থেকে সরাসরি একটি সম্পূর্ণ উদ্ভিদ গঠন হয়।
  • প্রধান উপকারিতা: এটি দ্রুত এবং একাধিক উদ্ভিদ উৎপাদনে সহায়ক, বিশেষ করে জৈববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।
  • ব্যবহার: এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদের ক্লোনাল উৎপাদন করা হয়, যেমন শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি।
  • উপকারিতা: উচ্চ মানের, রোগমুক্ত, এবং দ্রুত উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।