টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

সংকরায়নে প্যারেন্ট নির্বাচন →কৃত্রিম স্বপরাগায়ন  → P →F1 বংশধর

উদ্দীপকের P ধাপে কোনটি ঘটে?  


A.

ক্রসিং

B.

লেবেলিং

C.

ইমাস্কুলেশন

D.

ব্যাগিং

সঠিক উত্তরঃ C.

ইমাস্কুলেশন

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

উদ্দীপকের P ধাপে ইমাস্কুলেশন: একটি একাডেমিক আলোচনা 🧐

উদ্দীপকে উল্লিখিত সংকরায়ণ প্রক্রিয়ায় P ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধাপে মূলত ইমাস্কুলেশন সম্পন্ন করা হয়। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

ইমাস্কুলেশন কী? 🤔

ইমাস্কুলেশন হলো কৃত্রিম পরাগায়ন বা সংকরায়ণের পূর্বে একটি উভলিঙ্গ ফুল থেকে পরাগধানী অপসারণ করার প্রক্রিয়া। এর মূল উদ্দেশ্য হলো:

  • অনাকাঙ্ক্ষিত স্ব-পরাগায়ন রোধ করা: ইমাস্কুলেশন না করলে ফুলটি নিজের পরাগরেণু দ্বারা নিষিক্ত হয়ে যেতে পারে।
  • কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যযুক্ত পরাগরেণু দ্বারা নিষিক্তকরণ নিশ্চিত করা: এর মাধ্যমে পছন্দের পুরুষ গাছের পরাগরেণু ব্যবহার করে নতুন বৈশিষ্ট্য আনা যায়।

ইমাস্কুলেশনের পদ্ধতি ✂️

ইমাস্কুলেশন করার সময় কিছু বিষয় মনে রাখতে হয়:

  1. সঠিক ফুলের নির্বাচন: ফুলটি অবশ্যই স্ত্রী ও পুরুষ উভয় প্রজনন অঙ্গ থাকতে হবে এবং ফুল ফোটার আগে কাজটি করতে হবে।
  2. উপযুক্ত সরঞ্জাম ব্যবহার: ছোট কাঁচি বা চিমটা ব্যবহার করে খুব সাবধানে পরাগধানী সরাতে হবে, যাতে গর্ভাশয়ের ক্ষতি না হয়।
  3. সময় নির্বাচন: সাধারণত ফুল ফোটার আগের দিন বা সকালে এই কাজটি করা ভালো।

ইমাস্কুলেশনের গুরুত্ব 💯

সংকরায়ণের ক্ষেত্রে ইমাস্কুলেশনের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরা হলো:

গুরুত্বপূর্ণ দিক ব্যাখ্যা
নতুন জাত উদ্ভাবন 🌱 ইমাস্কুলেশনের মাধ্যমে উন্নত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন নতুন জাতের উদ্ভিদ তৈরি করা যায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি 💪 রোগ প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবনে এটি সাহায্য করে।
ফলন বৃদ্ধি 🌾 বেশি ফলনশীল জাত উদ্ভাবনে ইমাস্কুলেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
গুণগত মান উন্নয়ন 🏅 ফলের আকার, স্বাদ, গন্ধ ইত্যাদি গুণগত মান উন্নয়নে সাহায্য করে।

উদাহরণ 🌻

মনে করুন, আপনি এমন একটি টমেটো গাছ তৈরি করতে চান যা আকারে বড় এবং মিষ্টি। এক্ষেত্রে, আপনি একটি বড় আকারের টমেটোর গাছের ফুল থেকে পরাগধানী সরিয়ে ফেলবেন (ইমাস্কুলেশন)। তারপর অন্য একটি মিষ্টি টমেটোর গাছের পরাগরেণু সেই ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থাপন করবেন। এর ফলে যে বীজ তৈরি হবে, তা থেকে চারা উৎপাদন করলে আপনি বড় এবং মিষ্টি টমেটো পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে পারবেন।

সতর্কতা ⚠️

ইমাস্কুলেশন একটি সূক্ষ্ম কাজ। তাই এটি করার সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত:

  • পরাগধানী সরানোর সময় গর্ভাশয়ের কোনো ক্ষতি করা যাবে না।
  • জীবাণুমুক্ত সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে।
  • আবহাওয়া অনুকূলে থাকতে হবে।

উপসংহার 🎉

পরিশেষে বলা যায়, সংকরায়ণ প্রক্রিয়ায় ইমাস্কুলেশন একটি অত্যাবশ্যকীয় ধাপ। এর মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন উদ্ভিদ তৈরি করা সম্ভব, যা কৃষি এবং উদ্যানবিদ্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সঠিকভাবে ইমাস্কুলেশন করার মাধ্যমে উন্নত মানের ফসল উৎপাদন করে কৃষকরা লাভবান হতে পারে। 👍

Happy learning! 😊

```
Option A Explanation:
  1. ক্রসিং: এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে বিভিন্ন পরাগসংবহনকারী রেণু বা পরাগের বিনিময় বা সংযোগ ঘটানো হয়, সাধারণত ফুলের মধ্যে বা ফুলের মধ্যে বিভিন্ন অংশের মধ্যে। এটি মূলত পরাগের মুক্তি ও স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে এবং ফলনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।
Option B Explanation:
  • লেবেলিং: লেবেলিং হলো তথ্য বা ডেটা শনাক্তকরণ ও শ্রেণীবদ্ধ করার প্রক্রিয়া। এটি সাধারণত বিভিন্ন ধরণের চিহ্ন বা ট্যাগের মাধ্যমে করা হয় যাতে ডেটা বা আইটেমের পরিচয় বা বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়।
  • বিশেষ করে গবেষণা ও পরীক্ষায়, লেবেলিং ডেটা বা নমুনাকে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • এটি ডেটা বিশ্লেষণ, মেশিন লার্নিং, এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option C Explanation: ইমাস্কুলেশন হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি ফুলের অঙ্কুর বা অঙ্কুরের অংশটি অন্য ফুলের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ঢেকে দেয়। এটি সাধারণত ফলের গুণমান উন্নত করতে বা নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। নিচে ইমাস্কুলেশনের মূল দিকগুলো দেওয়া হলো:
  • উদ্দেশ্য: ফলের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নির্দিষ্ট অংশে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা গুণমান বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়।
  • পদ্ধতি: ফুলের অঙ্কুর বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অন্য গাছের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ঢেকে দেওয়া হয়, যাতে তারা পরস্পরের সংস্পর্শে আসে।
  • প্রয়োগ: ফলের গুণমান বজায় রাখা ও বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ধরনের ফলের গাছের জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
  • উপকারিতা: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ, ও ফলের মান উন্নত করা।
Option D Explanation:
  1. ব্যাগিং (Bagging): এটি একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি যেখানে কোনও নির্দিষ্ট অংশ বা উপাদানকে একটি ব্যাগ বা মোড়কে ঢাকা হয়।
  2. প্রাথমিকভাবে, এটি ব্যবহৃত হয় যেন কোনও নির্দিষ্ট উপাদান বা অংশটি পরিবেশ বা বাহ্যিক প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকে।
  3. বিশেষ করে, কৃষি ক্ষেত্রে, ফুলের পরাগ বিসরণের আগে পুংকেশর বা ফুলকে ব্যাগে ঢেকে রাখা হয় যাতে পরাগ সংস্পর্শে না আসে বা অন্য কোনও প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
  4. এটি পরাগ বিসরণের নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
  5. ব্যাগিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে পরাগ বিস্তার ঘটানো সম্ভব হয়।