টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

উদ্ভিদের প্রজননের জন্য নিম্নের কোন তথ্যটি সঠিক?

A. প্রতিটি পরাগরেণু দ্বিতকীয় আবরণ দিয়ে পরিবেষ্টিত এবং এদের ব্যাস 0.025-0.25 মি.মি
B. শতকরা প্রায় 80 ভাগ ক্ষেত্রে মনোস্পোরিক প্রক্রিয়ায় ভ্রূণথলি গঠিত হয়
C. পার্শ্বমূখী ডিম্বকের উদাহরণ হলো আফিং
D. লেবু, জুঁই প্রভৃতি গাছের পরিণত কান্ডের অংশবিশেষ কেটে ভিজে মাটিতে পুঁতলে তা থেকে নতুন গাছ জন্মায়
সঠিক উত্তরঃ A. প্রতিটি পরাগরেণু দ্বিতকীয় আবরণ দিয়ে পরিবেষ্টিত এবং এদের ব্যাস 0.025-0.25 মি.মি
Explanation:

Another Explanation (5):

উদ্ভিদ প্রজননে পরাগরেণুর ভূমিকা: একটি ব্যাখ্যা 🔬

উদ্ভিদ জগতে প্রজনন একটি অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় পরাগরেণুর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

পরাগরেণু কী? 🌼

পরাগরেণু হলো উদ্ভিদের পুং জননকোষ। এটি ফুলের পরাগধানীতে উৎপন্ন হয় এবং স্ত্রী জননকোষ ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার জন্য বাহিত হয়।

পরাগরেণুর গঠন 🧬

পরাগরেণুর গঠন বেশ জটিল। এর মূল উপাদানগুলো হলো:
  • আবরণ: প্রতিটি পরাগরেণু দুটি স্তর দ্বারা আবৃত থাকে। বাইরের স্তরটি "বহিঃত্বক" (Exine) এবং ভেতরের স্তরটি "অন্তঃত্বক" (Intine) নামে পরিচিত। বহিঃত্বক স্পোরোপোলেনিন নামক জটিল রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে গঠিত, যা একে প্রতিকূল পরিবেশ থেকে রক্ষা করে।
  • কোষীয় উপাদান: এর মধ্যে সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস এবং অন্যান্য কোষীয় অঙ্গাণু বিদ্যমান।

পরাগরেণুর আকার 📏

পরাগরেণুর আকার বিভিন্ন উদ্ভিদে বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সাধারণত, এর ব্যাস 0.025 থেকে 0.25 মিমি পর্যন্ত হতে পারে। 🤏 থেকে ➡️ পর্যন্ত বিভিন্ন আকারের পরাগরেণু দেখা যায়।

পরাগরেণুর বৈশিষ্ট্য 📝

* বহিঃত্বক বিভিন্ন নকশা যুক্ত হতে পারে, যা প্রজাতি সনাক্??করণে সাহায্য করে। 🏵️ * পরাগরেণু হালকা হওয়ায় সহজেই বাতাস, পানি বা পোকামাকড়ের মাধ্যমে পরিবাহিত হতে পারে। 🌬️ 💧 🦋 * এরা দীর্ঘকাল ধরে জীবিত থাকতে পারে এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম। 💪

পরাগরেণুর প্রকারভেদ 📊

বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদে বিভিন্ন ধরনের পরাগরেণু দেখা যায়। এদের মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য প্রকার হলো:
প্রকার বৈশিষ্ট্য উদাহরণ
একবীজপত্রী পরাগরেণু সাধারণত একটি মাত্র রন্ধ্র থাকে। ধান, গম 🌾
দ্বিবীজপত্রী পরাগরেণু তিনটি রন্ধ্র থাকে। সর্ষে, আম 🥭

পরাগায়ন প্রক্রিয়া 🌸➡️🌱

পরাগায়ন হলো পরাগধানী থেকে পরাগরেণু স্থানান্তরিত হয়ে গর্ভমুণ্ডে পতিত হওয়ার প্রক্রিয়া। এটি বিভিন্ন উপায়ে হতে পারে, যেমন:
  1. বায়ু পরাগায়ন: বাতাসের মাধ্যমে পরাগরেণু বাহিত হয়।
  2. পানি পরাগায়ন: পানির মাধ্যমে পরাগরেণু বাহিত হয়।
  3. কীটপতঙ্গ পরাগায়ন: কীটপতঙ্গের মাধ্যমে পরাগরেণু বাহিত হয়।🐝
  4. প্রাণী পরাগায়ন: অন্যান্য প্রাণীর মাধ্যমে পরাগরেণু বাহিত হয় (যেমন: পাখি)। 🐦

উপসংহার 🏁

পরাগরেণু উদ্ভিদের প্রজনন প্রক্রিয়ার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর গঠন, বৈশিষ্ট্য এবং প্রকারভেদ উদ্ভিদজগ??ের বৈচিত্র্য এবং ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 🤔