লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
বিভাজন ক্রোমাটোগ্রাফি (Partition Chromatography) হলো ক্রোমাটোগ্রাফির একটি প্রকার যেখানে নমুনা দুটি ভিন্ন দশার মধ্যে বিভাজিত হয়ে পৃথক হয়। এই দুটি দশা হলো:
নমুনা উপাদানগুলোর পৃথক হওয়ার কারণ হলো স্থির এবং চলমান দশার মধ্যে তাদের বিভিন্ন দ্রবণীয়তা। যে উপাদান স্থির দশায় বেশি দ্রবণীয়, সেটি ধীরে ধীরে সরবে, আর যা চলমান দশায় বেশি দ্রবণীয়, সেটি দ্রুত সরবে। 🏃♀️💨
পেপার ক্রোমাটোগ্রাফি বিভাজন ক্রোমাটোগ্রাফির একটি সহজ এবং বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। এখানে, ফিল্টার পেপার (সাধারণত ওয়াটম্যান ফিল্টার পেপার) স্থির দশা হিসেবে কাজ করে। ফিল্টার পেপারের সেলুলোজ অণুগুলোর সাথে পানি শোষিত হয়ে একটি জলীয় স্তর তৈরি করে, যা স্থির দশা হিসাবে কাজ করে। আর চলমান দশা হলো একটি উপযুক্ত দ্রাবক বা দ্রাবকের মিশ্রণ। 💧
ফলাফল সাধারণত Rf (Retardation factor) মানের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
Rf = (নমুনা দ্বারা অতিক্রান্ত দূরত্ব) / (দ্রাবক দ্বারা অতিক্রান্ত দূরত্ব)
বিভিন্ন উপাদানের Rf মান তুলনা করে তাদের সনাক্ত করা যায়। 📊
সংক্ষেপে, পেপার ক্রোমাটোগ্রাফি বিভাজন ক্রোমাটোগ্রাফির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নমুনা পৃথক এবং সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। 🎉
| বৈশিষ্ট্য | পেপার ক্রোমাটোগ্রাফি |
|---|---|
| মূলনীতি | বিভাজন (Partition) |
| স্থির দশা | ফিল্টার পেপারের শোষিত জলীয় স্তর |
| চলমান দশা | দ্রাবক বা দ্রাবকের মিশ্রণ |
| সনাক্তকরণ | Rf মান এবং/অথবা রিয়েজেন্ট ব্যবহার |