টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বেনথাম ও হুকারের শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতিটি

A. কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস
B. প্রাকৃতিক শ্রেণীবিন্যাস
C. জাতিজনি শ্রেণীবিন্যাস
D. আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস
E. প্রাচীন শ্রেণীবিন্যাস
সঠিক উত্তরঃ B. প্রাকৃতিক শ্রেণীবিন্যাস
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

বেনথাম ও হুকারের শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি: একটি পর্যালোচনা 🌿

বেনথাম ও হুকারের শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি উদ্ভিদজগৎকে শ্রেণীবদ্ধ করার একটি উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা। এটি "প্রাকৃতিক শ্রেণীবিন্যাস" নামে পরিচিত। নিচে এর বৈশিষ্ট্য, সুবিধা ও অসুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো:

বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝

  • এটি অভিজ্ঞতাবাদী (empirical) পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে তৈরি।
  • উদ্ভিদের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য (external morphology), যেমন - পাতা, ফুল, ফল ইত্যাদি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে শ্রেণীবিন্যাস করা হয়েছে।
  • এটি ফাইলোজেনেটিক সম্পর্ক (phylogenetic relationship) বা বংশগত সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়নি।
  • এই পদ্ধতিতে উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাস একটি নির্দিষ্ট ক্রম অনুসরণ করে, যা শনাক্তকরণে (identification) সাহায্য করে।
  • ডিকোটোমাস কী (dichotomous key) ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।

শ্রেণীবিন্যাসের পর্যায়ক্রম 🪜

  1. ডিকোটাইলেডন (Dicotyledons)
  2. জিম্নোস্পার্ম (Gymnosperms)
  3. মনোকোটাইলেডন (Monocotyledons)

সুবিধাসমূহ 👍

  • ব্যবহার করা সহজ এবং সরল।
  • উদ্ভিদ শনাক্তকরণের জন্য খুবই উপযোগী।
  • বৃহৎ সংখ্যক উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাস করা হয়েছে।
  • এই শ্রেণীবিন্যাস উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 📚

অসুবিধাসমূহ 👎

  • ফাইলোজেনেটিক সম্পর্ক (বংশগত সম্পর্ক) বিবেচনা করা হয়নি।
  • কিছু উদ্ভিদের ভুল স্থানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
  • বিবর্তনীয় সম্পর্ক (evolutionary relationship) উপেক্ষা করা হয়েছে।
  • ডিকোটাইলেডন, জিম্নোস্পার্ম ও মনোকোটাইলেডন - এই তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করায় অনেক উদ্ভিদের মধ্যে সম্পর্ক বোঝা যায় না।

তুলনামূলক বিশ্লেষণ 📊

বিষয় বেনথাম ও হুকার পদ্ধতি অন্যান্য প্রাকৃতিক পদ্ধতি
ভিত্তি বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য
ফাইলোজেনি বিবেচিত নয় বিবেচিত
ব্যবহারিক প্রয়োগ শনাক্তকরণের জন্য সহজ আরও জটিল

গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদ উদাহরণ 🌺🌻🌷

এই শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতিতে বিভিন্ন উদ্ভিদ প্রজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকটির উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:

  • ডিকোটাইলেডন: আম (Mangifera indica) 🥭, গোলাপ (Rosa) 🌹, শিম (Bean) 🫘
  • জিম্নোস্পার্ম: পাইন (Pinus) 🌲, সাইকাস (Cycas)
  • মনোকোটাইলেডন: ধান (Rice) 🍚, গম (Wheat) 🌾, ভুট্টা (Maize) 🌽

উপসংহার 🎉

বেনথাম ও হুকারের শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি উদ্ভিদ শ্রেণীবিন্যাসের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। যদিও আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতিতে আরও উন্নত পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, তবুও এই পদ্ধতি উদ্ভিদ শনাক্তকরণ এবং শ্রেণীবিন্যাসের মৌলিক ধারণা দেওয়ার ক্ষেত্রে আজও গুরুত্বপূর্ণ। এটি শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেছে। 👍

আরও জানতে: উইকিপিডিয়া

```
Option A Explanation:
  • কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস: এটি একটি শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি যেখানে জীবজন্তু বা উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ করা হয় নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা ধরণের উপর ভিত্তি করে।
  • মূল লক্ষ্য: সহজে শ্রেণীবিন্যাস করা এবং বিভিন্ন জীবের মধ্যে তুলনা করা।
  • উপকারিতা: দ্রুত এবং সরল প্রক্রিয়া, বিশেষ করে শিক্ষাগত বা সাধারণ পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত।
  • উদাহরণ: আকার, রঙ, বা আকারের ভিত্তিতে জীবজন্তুকে বিভাগে ভাগ করা।
  • সীমাবদ্ধতা: এই পদ্ধতিতে প্রকৃত প্রজাতির প্রকৃতি পুরোপুরি প্রতিফলিত হয় না, কারণ এটি কেবল কিছু বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে।
Option B Explanation:
  • প্রাকৃতিক শ্রেণীবিন্যাস: এটি একটি শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি যেখানে জীবজন্তু ও উদ্ভিদসমূহের প্রাকৃতিক সম্পর্ক ও স্বভাবের ভিত্তিতে শ্রেণীবিন্যাস করা হয়।
  • উদ্দেশ্য: জীবের প্রকৃতি ও পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে শ্রেণীবিন্যাস করে জীবজগতের সংগঠন বোঝা সহজ হয়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই পদ্ধতিতে জীবের স্বাভাবিক গুণাবলী ও সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে শ্রেণী তৈরি হয়, যা প্রাকৃতিক সম্পর্কের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
  • উপকারিতা: এটি জীববিজ্ঞানীদের জন্য জীবদের মধ্যে সম্পর্ক বোঝা ও শ্রেণীবিন্যাসের প্রাকৃতিক ধারা অনুসরণ করতে সহায়ক।
Option C Explanation:
  • জাতিজনি শ্রেণীবিন্যাস: এটি একটি শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি যা জীবজন্তু বা উদ্ভিদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির পারস্পরিক সম্পর্ক ও বংশগত বৈশিষ্ট্য অনুসারে তাদের শ্রেণীবিন্যাস করে।
  • মূল ধারণা: এই পদ্ধতিতে জীবের বংশগত এবং জেনেটিক বৈশিষ্ট্যগুলো বিবেচনা করে তাদের বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত করা হয়।
  • উপকারিতা: জীবের পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝার জন্য এটি খুবই কার্যকর, কারণ এটি জীবজগতের বিবর্তন ও প্রজননের ইতিহাসকে প্রতিফলিত করে।
  • উপস্থাপন: সাধারণত এই শ্রেণীবিন্যাসে জীবের বংশবৃদ্ধি ও বিবর্তনের ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে তাদের বিভিন্ন স্তর বা শ্রেণি নির্ধারণ করা হয়।
Option D Explanation:
  • আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস হলো জীববৈচিত্র্যকে শ্রেণীবদ্ধ করার একটি পদ্ধতি যা আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ও প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি।
  • এটি জীবদের বিভিন্ন গোষ্ঠী বা শ্রেণী যেমন রাজা, শাখা, শাখপত্র, গণ, পরিবার, জেনাস ও প্রজাতির মধ্যে বিভক্ত করে।
  • এই পদ্ধতিতে জীবের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য, ধ্বনি, গঠন ও কার্যপ্রণালী বিশ্লেষণ করে শ্রেণীবিন্যাস করা হয়।
  • বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের মধ্যে এটি বেশ জনপ্রিয় এবং প্রাচীন পদ্ধতির তুলনায় আরও নির্ভুল ও কার্যকর।
  • উদাহরণস্বরূপ, ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব এই পদ্ধতিকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।
Option E Explanation:
  • প্রাচীন শ্রেণীবিন্যাস: এটি হলো ঐতিহ্যগত এবং প্রাচীন পদ্ধতি, যেখানে জীবজন্তু বা উদ্ভিদকে সাধারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হতো।
  • প্রাচীন সময়ে এই পদ্ধতি সাধারণত গুণগত বৈশিষ্ট্য এবং অভ্যন্তরীণ গঠন বিবেচনা করে শ্রেণীবিন্যাস করত।
  • উদাহরণস্বরূপ, প্রাণীদের গায়ের রঙ, আকার বা প্রজনন পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে শ্রেণীবিন্যাস করা হতো।
  • এই পদ্ধতিতে আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি বা জেনেটিক বিশ্লেষণের ব্যবহার ছিল না।
  • প্রাচীন শ্রেণীবিন্যাসের সীমাবদ্ধতা ছিল, যেমন এটি খুবই সাধারণ এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে কম নির্ভুল।