টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ASEAN- এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কি?

A. Agreement of South Eastern Asian Nations 
B. Association for South Eastern Asian Nations
C. Association  of Southeast Asian Nations
D. Association for Southern Asian Nations
E. Association for South-East Asian Nations
সঠিক উত্তরঃ C. Association  of Southeast Asian Nations
Explanation:

Another Explanation (5):

ASEAN: দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জাতিসমূহের সংস্থা

ASEAN ( Association of Southeast Asian Nations ) হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি দেশ নিয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক সংস্থা। এটি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা, সামরিক, শিক্ষা এবং সামাজিকভাবে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করে। 🌏🤝

ASEAN-এর সদস্য রাষ্ট্রসমূহ:

বর্তমানে ASEAN-এর সদস্য সংখ্যা ১০। নিচে একটি তালিকায় তাদের নাম দেওয়া হলো:

  1. ইন্দোনেশিয়া 🇮🇩
  2. মালয়েশিয়া 🇲🇾
  3. ফিলিপাইন 🇵🇭
  4. সিঙ্গাপুর 🇸🇬
  5. থাইল্যান্ড 🇹🇭
  6. ব্রুনাই 🇧🇳
  7. ভিয়েতনাম 🇻🇳
  8. লাওস 🇱🇦
  9. মায়ানমার 🇲🇲
  10. কম্বোডিয়া 🇰🇭

ASEAN-এর উদ্দেশ্য:

ASEAN প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

  • সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, কারিগরি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
  • আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ☮️
  • সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সাহায্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
  • কৃষি ও শিল্পের উন্নয়ন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কাজ করা।
  • দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা এবং সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

ASEAN-এর কাঠামো:

ASEAN বিভিন্ন স্তরের সমন্বয়ে গঠিত। এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো নিচে দেওয়া হলো:

কাঠামো ভূমিকা
ASEAN শীর্ষ সম্মেলন এটি ASEAN-এর সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম। এখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানগণ মিলিত হন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
ASEAN মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক বিভিন্ন ক্ষেত্রে (যেমন: অর্থনীতি, পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মন্ত্রীগণ নিয়মিত বৈঠকে মিলিত হন এবং নীতি নির্ধারণ করেন।
ASEAN সচিবালয় এটি ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত। সচিবালয় ASEAN-এর কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয় করে।
স্থায়ী কমিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠিত হয়, যারা নির্দিষ্ট বিষয়ে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তা করে।

ASEAN-এর অর্জন:

প্রতিষ্ঠার পর থেকে ASEAN বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

  • আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা। 🛡️
  • অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (Free Trade Area) গঠন। 💹
  • সাংস্কৃতিক ও সামাজিক উন্নয়ন। 🎭
  • দুর্যোগ মোকাবেলা এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রম। ⛑️

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা:

ASEAN বর্তমানে একটি উদীয়মান আঞ্চলিক সংস্থা। এটি অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে ASEAN কমিউনিটি গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা এই অঞ্চলের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে। 🚀