টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ট্যাক্সোনমির জনক কে?

A. ক্যারোলাস লিন???য়াস
B. অ্যারিস্টটল
C. শ্লেগার
D. থিওফ্রাস্টাস
সঠিক উত্তরঃ A. ক্যারোলাস লিন???য়াস
Explanation: ট্যাক্সোনমির জনক হলেন ক্যারোলাস লিনিয়াস। সঠিক উত্তর Option A। B, C এবং D অন্যান্য বিজ্ঞানী যারা ট্যাক্সোনমিতে অবদান রেখেছেন কিন্তু ট্যাক্সোনমির জনক নয়। নোট: লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তক।
Another Explanation (5):

ট্যাক্সোনমির জনক কে?

প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়, "ক্যারোলাস লিনিয়াস"। তবে, এই উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। আসুন বিস্তারিতভাবে জানি।

অ্যাকাডেমিক ব্যাখ্যা:

  • ট্যাক্সোনমি হলো জীবজগৎকে শ্রেণীবদ্ধ করার বিজ্ঞান।
  • এটি বিভিন্ন প্রজাতি, গণ, শ্রেণী ইত্যাদির নামকরণ ও শ্রেণীবিন্যাসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carl Linnaeus) ১৮শতকে জীবজগতের শ্রেণীবিন্যাসের আধুনিক পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করেন।

বিশ্লেষণ:

নাম অবদান সময়কাল
ক্যারোলাস লিনিয়াস আধুনিক ট্যাক্সোনমির ভিত্তি স্থাপন করেন ১৭০৭ - ১৭৭৮

বিশেষ দ্রষ্টব্য:

অতএব, বলা যায় যে, ট্যাক্সোনমির জনক হিসেবে ক্যারোলাস লিনিয়াসকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তবে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গবেষক এই বিষয়ে আলাদা আলাদা মত পোষণ করতে পারেন।

উপসংহার:

সাধারণভাবে, ক্যারোলাস লিনিয়াস কে ট্যাক্সোনমির জনক হিসেবে বিবেচনা করা হ???। 😊🌱

Option A Explanation:
  • ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carl Linnaeus) একজন সুইডিশ প্রাথমিক জীববিজ্ঞানী ও প্রাকৃতিক ইতিহাসবিদ ছিলেন।
  • তিনি জীবজগতে ব্যবহৃত নামকরণ পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন, যা আজকের বৈজ্ঞানিক নামকরণ পদ্ধতির মূল।
  • তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি জীবজন্তু ও উদ্ভিদের জন্য দ্বৈত নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন, যা বিখ্যাত লিনিয়ান নামকরণ পদ্ধতি নামে পরিচিত।
  • এটি জীবের বৈজ্ঞানিক নামের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং প্রতিটি জীবের জন্য ইউনিক নাম নির্ধারণ করে।
  • লিনিয়াসের এই অবদান জীববিজ্ঞানে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক রচনা করে এবং বৈজ্ঞানিক naming system এর ভিত্তি স্থাপন করে।
Option B Explanation:
  • অ্যারিস্টটল (Aristotle): প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক, যিনি জীববিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
  • তাঁর গবেষণাগুলি প্রাকৃতিক জগৎ ও জীবজন্তুর উপর ভিত্তি করে ছিল, যেখানে তিনি জীবের গঠন, ???ার্যপ্রণালী ও শ্রেণীবিন্যাসের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
  • অ্যারিস্টটলের তথ্য ও তত্ত্বগুলি প্রাচীন যুগে জীববিজ্ঞানের প্রথম মৌলিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
  • তাঁর কাজের মাধ্যমে জীববিজ্ঞান ও প্রোটোজুওলজির ভিত্তি স্থাপিত হয়, যদিও তিনি মোড়ক বা আধুনিক প্রোটোজুওলজির জনক হিসেবে বিবেচিত হন না।
Option C Explanation:
  • শ্লেগার (Carl Linnaeus):
  • সুইডিশ প্রাকৃতিক বিজ্ঞানী ও উদ্ভিদবিজ্ঞানী, যিনি 18 শতকে জীববৈচিত্র্য শ্রেণীবিন্যাসের জন্য পরিচিত।
  • তাঁর মূল অবদান হলো জীবজন্তু, উদ্ভিদ ও fungi এর জন্য একটি স্থিতিশীল ও আধুনিক ট্যাক্সোনমিক শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি উন্নয়ন।
  • তাঁর ব্যবহৃত নাম, যেমন "হোমো স্যাপিয়েন্স" (মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম), আজও বৈজ্ঞানিক নামকরণে ব্যবহৃত হয়।
  • শ্লেগার মূলত "বৈজ্ঞানিক নামকরণ" বা "বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস" এর জনক বলে বিবেচিত।
Option D Explanation:
  • থিওফ্রাস্টাস (Theophrastus):
  • প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও উদ্ভিদবিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত।
  • তিনি প্রায় 370-287 খ্রিস্টাব্দে জীবনযাপন করেন।
  • উদ্ভিদবিজ্ঞানকে একটি স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
  • তাঁর মূল কাজ হলো উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ, গঠন, বৃদ্ধি ও প্রজনন সম্পর্কিত গবেষণা।
  • “বৃক্ষবিদ্যা” (De Historia Plantarum) তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
  • এটি উদ্ভিদ সম্পর্কিত প্রথম ব্যাপক গবেষণাপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।