Another Explanation (5): অর্ধপরিবাহকের বৈশিষ্ট্যগুলো বোঝার জন্য উপযুক্ত তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে তিনটি বিবৃতি আমাদের অর্ধপরিবাহকের প্রকৃতি ও আচরণের সাথে সম্পর্কিত। নিচে প্রতিটি বিবৃতি বিশ্লেষণ করা হলো:
- আপেক্ষিক রোধ ρ = 1012Ωm
এটি একটি অত্যন্ত উচ্চ রোধ, যা সাধারণত স্বচ্ছ অর্ধপরিবাহক বা নির্দিষ্ট শর্তে অর্ধপরিবাহকের জন্য দেখা যায়। তবে, অর্ধপরিবাহকের সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো রোধের পরিমাণ স্বাভাবিক ধাতু বা পূর্ণপরিবাহকের তুলনায় অনেক বেশি, কিন্তু এই মানটি খুবই উচ্চ বলে, এটি যথার্থ হতে পারে যদি অর্ধপরিবাহকটি খুবই দুর্বলভাবে সংযুক্ত বা খুবই কম ডোপড হয়।
- যোজ্যতা ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ড এর মধ্যে শক্তি পার্থক্য < 2 eV
অর্ধপরিবাহকের জন্য সাধারণত এই শক্তি পার্থক্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পার্থক্য ছোট হলে (প্রায় কিছু eV এর মধ্যে) অর্ধপরিবাহকটি তাপ বা হালকা আলো দ্বারা সহজে এক ব্যান্ড থেকে অন্য ব্যান্ডে ইলেকট্রন স্থানান্তর করতে পারে।
এটি অর্ধপরিবাহকের বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে যেখানে তারা অল্প তাপমাত্রায় বৈদ্যুতিক পরিবাহিতার জন্য সক্ষম হয়।
- তাপমাত্রা বাড়ালে রোধকত্ব কমে যায়
অর্থাৎ, তাপমাত্রা বাড়লে অর্ধপরিবাহকের মধ্যে ইলেকট্রনের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, ফলে কণার মধ্যে বাধা কমে যায় এবং রোধকত্ব হ্রাস পায়। এটি অর্ধপরিবাহকের সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
উপসংহার:
- প্রথম বিবৃতি কিছুটা সংশয়জনক, কারণ অর্ধপরিবাহকের রোধ সাধারণত এত বেশি হয় না। তবে, এটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বা খুব দুর্বল ডোপেড অর্ধপরিবাহকের জন্য সত্য হতে পারে।
- দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বিবৃতি অর্ধপরিবাহকের মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলোর সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো:
ii ও iii
এই ব্যাখ্যাটি আধুনিক অর্ধপরিবাহকের বৈশিষ্ট্য ও আচরণের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে।