টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটি মানবদেহের ভারসাম্য রক্ষাকারী অঙ্গ?

A. চক্ষু
B. কান
C. নাক
D. জিহ্বা
সঠিক উত্তরঃ B. কান
Explanation:

Another Explanation (5):

মানবদেহের ভারসাম্য রক্ষাকারী অঙ্গ: কান 👂

মানবদেহের ভারসাম্য রক্ষাকারী প্রধান অঙ্গ হলো কান। কানের ভেতরের অংশ, বিশেষ করে অর্ধবৃত্তাকার নালী (semicircular canals) এবং অটোলিথ অঙ্গ (otolith organs) এই কাজে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

কানের অংশ এবং তাদের ভূমিকা

  • অর্ধবৃত্তাকার নালী (Semicircular Canals):
    • তিনটি অর্ধবৃত্তাকার নালী একে অপরের সাথে ৯০° কোণে থাকে।
    • এগুলো শরীরের কৌণিক ত্বরণ (angular acceleration)detect করতে পারে।
    • নালীর মধ্যে এন্ডোলিম্ফ (endolymph) নামক তরল থাকে, যা শরীরের মুভমেন্টের সাথে নড়াচড়া করে এবং মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়।
    • 🤸‍♀️🤸‍♂️
  • অটোলিথ অঙ্গ (Otolith Organs):
    • দুটি অটোলিথ অঙ্গ রয়েছে: ইউট্রিকল (utricle) এবং স্যাক্কিউল (saccule)।
    • এগুলো লিনিয়ার ত্বরণ (linear acceleration) এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ (gravitational acceleration)detect করে।
    • এদের মধ্যে অটোনিয়া (otoconia) নামক ছোট ছোট ক্রিস্টাল থাকে, যা জেলির মতো পদার্থের উপর লেগে থাকে। এই ক্রিস্টালগুলোর নড়াচড়ার মাধ্যমে ভারসাম্য রক্ষিত হয়।
    • 🚶‍♀️🚶‍♂️

ভারসাম্য রক্ষার প্রক্রিয়া

  1. মাথা বা শরীরের মুভমেন্ট হলে অর্ধবৃত্তাকার নালী এবং অটোলিথ অঙ্গের রিসেপ্টরগুলো উদ্দীপ্ত হয়।
  2. এই রিসেপ্টরগুলো থেকে নার্ভের মাধ্যমে সংবেদী সংকেত মস্তিষ্কে যায়।
  3. মস্তিষ্কের সেরিবেলাম (cerebellum) এই সংকেতগুলো বিশ্লেষণ করে এবং ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠায়।
  4. এই নির্দেশের ফলে পেশীগুলো সংকুচিত বা প্রসারিত হয় এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে।

কানের অন্যান্য কাজ

ভারসাম্য রক্ষা ছাড়াও কানের প্রধান কাজ হলো শোনা। কানের অন্যান্য অংশগুলো হলো:

অংশের নাম কাজ
বহিঃকর্ণ (Outer Ear) শব্দ তরঙ্গ সংগ্রহ করে কানের পর্দায় পাঠানো।
মধ্যকর্ণ (Middle Ear) শব্দ তরঙ্গকে বিবর্ধিত করে ভেতরের কানে পাঠানো।
অন্তঃকর্ণ (Inner Ear) শব্দ তরঙ্গকে স্নায়ুimpulses-এ রূপান্তরিত করে মস্তিষ্কে পাঠানো এবং ভারসাম্য রক্ষা করা।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • কানের সংক্রমণ (ear infection) ভারসাম্য রক্ষার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে। 🤒
  • বার্ধক্যজনিত কারণে কানের ভেতরের কোষগুলোর কার্যকারিতা কমতে শুরু করলে ভারসাম্য রক্ষার সমস্যা হতে পারে। 👵👴
  • কিছু রোগ, যেমন মেনিয়ার্স রোগ (Meniere's disease), কানের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে এবং ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে। 🤕

সুতরাং, কান আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চলাফেরা ও কাজকর্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ❤️

Option A Explanation:
  • চক্ষু: চোখের মধ্যে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা দৃষ্টিশক্তি প্রদান করে।
  • চক্ষুতে বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গ রয়েছে, যেমন কর্নিয়া, আইরিস, লেন্স, রেটিনা ইত্যাদি, যা আলোকপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও ছবি ধারণে সহায়ক।
  • চক্ষুর মূল কাঠামো ত্রিযুক্তী (ocular globe) এবং এটি মাথার খুলি (skull) এর মধ্যে অবস্থিত।
  • চক্ষু প্রধানত চোখের বল বা অক্ষি বল (eyeball) হিসেবে পরিচিত, যা দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত তথ্য মস্তিষ্কে পাঠায়।
Option B Explanation:
  • কান: সাপের শ্রবণ অঙ্গটি মূলত তার কানের মাধ্যমে কাজ করে।
  • সাপের কানের বাইরের অংশ থাকে না, তবে তার মাথার পাশে একটি ক্ষুদ্র ছিদ্র বা রন্ধ্র থাকে, যা শিকড়ের মতো দেখতে।
  • এই ছিদ্রের মাধ্যমে সাপের কানে ধ্বনি বা কম্পন পৌঁছে যায়, যা তার শ্রবণ ক্ষমতাকে সক্ষম করে তোলে।
  • সাপের মস্তিষ্ক এই সংকেত প্রক্রিয়াকরণ করে এবং শব্দ বা কম্পনের ভিত্তিতে তাদের পরিবেশে সাড়া দেয়।
Option C Explanation:
  • অঙ্গের নাম: নাক
  • অঙ্গের কার্যক্রম: শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়া, গন্ধ অনুভব করা এবং কিছু ক্ষেত্রে স্বাদ অনুভব করতে সাহায্য করে।
  • অঙ্গের গঠন: নাকের মধ্যে নাসিকা নালী, নাকের খোসা, ও নাকের স্নায়ু রয়েছে।
  • অঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ অংশ: নাকের আবরণ ও নাকের হাড়।
  • অঙ্গের বহিরাগত বৈশিষ্ট্য: সাধারণত মুখের মাঝখানে অবস্থিত এবং শারীরিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
  • জিহ্বা: সাপের জিহ্বা মূলত তাদের গন্ধ শনাক্ত করতে সাহায্য করে। এটি তাদের শরীরের বাইরে বের করে গন্ধের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা সংগ্রহ করে।
  • গন্ধের সংবেদনশীলতা: সাপের জিহ্বা খুব দ্রুত এবং স্পষ্টভাবে গন্ধের তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম, যা তাদের শিকার ধরতে বা বিপদ এড়াতে সাহায্য করে।
  • স্মেল ট্র্যাকিং: জিহ্বার মাধ্যমে তারা বাতাসে থাকা রাসায়নিক কণা শনাক্ত করে, ফলে তারা আশেপাশের পরিবেশের গন্ধ বুঝতে পারে।