টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

পরাগরেণু-

  1. গোলাকার ও ডিম্ব??কার
  2. হ্যাপ্লয়েড 
  3. সেলুলোজ নির্মিত

 নিচের কোনটি সঠিক?


A.

iওii

B.

i ও iii

C.

ii ও iii

D.

i, ii ও iii

সঠিক উত্তরঃ D.

i, ii ও iii

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

পরাগরেণু: একটি বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা 🔬

পরাগরেণু উদ্ভিদের জননকোষ, যা ফুলের পরাগধানীতে উৎপন্ন হয়। পরাগরেণু উদ্ভিদের বংশবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে পরাগরেণু সম্পর্কে কিছু তথ্য আলোচনা করা হলো:

পরাগরেণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  1. আকৃতি: পরাগরেণু সাধারণত গোলাকার 🟢 অথবা ডিম্বাকার 🥚 হয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন উদ্ভিদে এর আকার ভিন্ন হতে পারে।
  2. ক্রোমোজোম সংখ্যা: পরাগরেণু হ্যাপ্লয়েড (n) সংখ্যক ক্রোমোজোম বহন করে। অর্থাৎ, এতে জনন মাতৃকোষের অর্ধেক সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 🧬
  3. প্রাচীর: পরাগরেণুর প্রাচীর সেলুলোজ 🌳 দ্বারা নির্মিত। এই প্রাচীর পরাগরেণুকে প্রতিকূল পরিবেশ থেকে রক্ষা করে।

পরাগরেণুর গঠন:

অংশ বর্ণনা
বহিঃত্বক (Exine) এটি স্পোরোপোলেনিন নামক কঠিন পলিমার দ্বারা গঠিত, যা পরাগরেণুকে জীবাণুনাশক এবং অন্যান্য ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। 💪
অন্তঃত্বক (Intine) এটি সেলুলোজ এবং পেকটিন দ্বারা গঠিত একটি পাতলা স্তর। 🌱
জনন রন্ধ্র (Germ pore) পরাগনালিকা নির্গমনের জন্য বহিঃত্বকে এক বা একাধিক রন্ধ্র থাকে। 🚪

পরাগরেণুর প্রকারভেদ (আকৃতির ভিত্তিতে):

  • গোলাকার পরাগরেণু: ⚪ কুমড়া, শিম ইত্যাদি উদ্ভিদে দেখা যায়।
  • ডিম্বাকার পরাগরেণু: 🥚 ধান, গম ইত্যাদি উদ্ভিদে দেখা যায়।
  • বহুভুজাকার পরাগরেণু: 🔶 কিছু জলজ উদ্ভিদে এই প্রকার পরাগরেণু দেখা যায়।

গুরুত্ব:

পরাগরেণু উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয়। এটি স্ত্রী জননকোষের সাথে মিলিত হয়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করে। 🌻🌼🌷 এছাড়াও, পরাগরেণু বিভিন্ন এলার্জির কারণ হতে পারে। 🤧

উপসংহার: পরাগরেণু উদ্ভিদের জনন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর গঠন, বৈশিষ্ট্য এবং প্রকারভেদ উদ্ভিদজগতের বৈচিত্র্য তুলে ধরে। 🌍

আরও কিছু তথ্য 🤔

মধু 🍯 তৈরীর জন্য মৌমাছি 🐝🐝 পরাগরেণু ব্যবহার করে।

পরাগরেণু ফসিল ⏳ হিসাবেও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আশা করি এই আলোচনাটি পরাগরেণু সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে। 👍

```
Option A Explanation:
  1. গোলাকার ও ডিম্বাকার: এই বৈশিষ্ট্যটি পরাগরেণুর আকার ও আকারের বৈচিত্র্য নির্দেশ করে। গোলাকার বা ডিম্বাকার আকার সাধারণত পরাগরেণুর মধ্যে দেখা যায়, যা পুরুত্ব বা আকারে বিভিন্ন হতে পারে।
  2. হ্যাপ্লয়েড: এটি পরাগরেণুর জেনেটিক অবস্থা নির্দেশ করে, যেখানে মাত্র একক সেট ক্রোমোজোম থাকে। হ্যাপ্লয়েড পরাগরেণু সাধারণত জীববিজ্ঞানে দেখা যায় এবং প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  1. মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রীয় অংশে কেন্দ্রস্থলটি অবস্থিত থাকে, যেখানে ক্রোমাটিনের শাখাগুলি সমানভাবে বিস্তৃত হয়। এর ফলে, ক্রোমোসোমের দুই প্রান্ত সমান আকারের হয়।
  2. টেলোসেন্ট্রিক: এই প্রকারের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রীয় অংশটি অনেক দূরে অবস্থিত থাকে, ফলে এর একটি প্রান্তের আকার বড় এবং অন্যটি ছোট হয়। এই ধরণের ক্রোমোসোম সাধারণত টেলোোমের দিকে ঝুঁকে থাকে।
Option C Explanation:
  1. সাব-মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমে কেন্দ্রস্থল থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করে ক্রোমাটিডের সংযোগস্থল। এর কেন্দ্রীয় অংশটি মাঝামাঝি হলেও কিছুটা পাশের দিকে থাকে।
  2. টেলোসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রস্থল বা কেন্দ্রীয় অংশটি একেবারে শেষের দিকে থাকে, অর্থাৎ ক্রোমোসোমের প্রান্তে অবস্থিত। এর ফলে এর কেন্দ্রীয় অংশটি সম্পূর্ণরূপে প্রান্তে থেকে যায়।
Option D Explanation:
  • ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক থাকে: এটি দেহের স্বতঃস্ফূর্ত সংযোগের জন্য বিশেষ করে কার্ডিয়াক মায়োফাইব্রিলের মধ্যে পাওয়া যায়। এই ডিস্কগুলো ফাংশন হিসেবে এক কোষ থেকে অন্য কোষে জরুরি সংকেত বা সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • নিউক্লিয়াসটি কোষের কেন্দ্রের দিকে থাকে: এই বৈশিষ্ট্য সাধারণভাবে মায়োফাইব্রিলের জন্য প্রযোজ্য নয়; সাধারণ কোষে নিউক্লিয়াস কেন্দ্রে থাকে, কিন্তু মায়োফাইব্রিলের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের অবস্থান ভিন্ন হতে পারে।
  • মায়োফাইব্রিল পরস্পরের সাথে মিলে নেট তৈরি করে: হ্যাঁ, মায়োফাইব্রিলের মাধ্যমে একসাথে কাজ করে একটি শক্তিশালী সংকেত ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা তৈরি হয়, যা পেশির সংকোচন ও রিল্যাক্সেশনের জন্য অপরিহার্য।