টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অমরা অতিক্রম করতে পারে কোন এন্টিবডি? 

A.

IgG

B.

IgM

C.

IgD

D.

IgE

সঠিক উত্তরঃ A.

IgG

Explanation:

Another Explanation (5):

অমরা (Placenta) ভেদ করে কোন অ্যান্টিবডি? 🤔

অমরা ভেদ করে মায়ের শরীর থেকে ভ্রূণের শরীরে শুধুমাত্র IgG নামক অ্যান্টিবডি প্রবেশ করতে পারে। এটি ভ্রূণের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 🛡️

IgG অ্যান্টিবডি কেন অমরা অতিক্রম করতে পারে?

এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
  • IgG-এর গঠন ছোট হওয়ায় এটি সহজে অমরা ভেদ করতে পারে। 🔬
  • অমরার কোষে FcRn (Neonatal Fc Receptor) নামক একটি বিশেষ রিসেপ্টর থাকে। IgG এই রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে কোষের মাধ্যমে পরিবাহিত হতে পারে। 🧬
  • অন্যান্য অ্যান্টিবডি, যেমন IgM বা IgA, আকারে বড় হওয়ায় এবং FcRn রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হতে না পারার কারণে অমরা অতিক্রম করতে পারে না। 🚫

বিভিন্ন অ্যান্টিবডির বৈশিষ্ট্য এবং অমরা অতিক্রম করার ক্ষমতা:

অ্যান্টিবডি বৈশিষ্ট্য অমরা অতিক্রম করার ক্ষমতা
IgG সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়, দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা দেয়। ✅ (পারে)
IgM প্রথম প্রতিরক্ষা অ্যান্টিবডি, আকারে বড়। ❌ (পারে না)
IgA শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে (Mucous membrane) পাওয়া যায়। ❌ (পারে না)
IgE অ্যালার্জি এবং পরজীবী সংক্রমণের সাথে জড়িত। ❌ (পারে না)
IgD বি কোষের (B cell) পৃষ্ঠে থাকে। ❌ (পারে না)

গুরুত্ব ✨

মায়ের শরীর থেকে IgG অ্যান্টিবডি ভ্রূণের শরীরে প্রবেশ করে তাকে জন্মের পরে কয়েক মাস পর্যন্ত বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। এটি নবজাতকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 💖 নবজাতকের রোগ প্রতিরোধে এটি একটিpassive immunity.👶

আরও জানতে Google করুন! 🔍

Option A Explanation:
  • প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি: IgG হলো মানবদেহে সবচেয়ে সাধারণ ইম্যুনোগ্লোবুলিন, যা রক্তপ্রবাহে সর্বাধিক পাওয়া যায়।
  • অর্থবহ রোধক কার্যক্রম: এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং টক্সিনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
  • অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ: IgG বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডির মধ্যে এক, যা একাধিক ধরণের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রতিরোধের স্থায়িত্ব: এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম, যেমন ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রাপ্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • প্রেরিত স্থান: এটি সাধারণত রক্তে বিদ্যমান থাকলেও, এটি ফ্যাট টিস্যু এবং অন্যান্য দেহের স্থানেও পাওয়া যায়।
Option B Explanation:
  • প্রথম প্রতিরোধক: IgM হলো শরীরের প্রথম প্রতিরোধক যা ইনফেকশন সংক্রান্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোতে দ্রুত তৈরি হয়।
  • সংগঠন: এটি সাধারণত রক্তের মধ্যে বৃহৎ আকারের একটি অ্যান্টিবডি, এবং এটি মূলত রক্তে এবং লিম্ফ নোডে বিদ্যমান।
  • প্রমাণিক পরিমাণ: শরীরের ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে IgM এর উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি, যা দ্রুত সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম।
  • উৎপাদনকারী কোষ: মূলত বি-সেল দ্বারা উৎপন্ন হয় যেখানে এটি প্রথমে সক্রিয় হয়।
Option C Explanation:
  • অস্তিত্বের স্থান: IgD প্রধানত বডির শ্লৈষ্মিক টিস্যু ও লিম্ফোসাইটের উপরিপৃষ্ঠে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: এটি মূলত বডির নতুন লিম্ফোসাইটের উদ্দীপনা ও শনাক্তকরণে সহায়ক।
  • প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে পরিমাণ: সাধারণত IgD এর পরিমাণ খুবই কম, যা সাধারণ IgG বা IgA এর তুলনায় ন্যূনতম।
  • অন্য ইমিউনোগ্লোবুলিনের তুলনায়: IgD এর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে খুবই স্বল্প, এর ফলে এটি সাধারণত খুব কম পরিমাণে বিদ্যমান।
Option D Explanation: ```html

IgE এর ব্যাখ্যা

  • অবস্থান: প্রধানত অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও পরাগপ্রদূষণে ভূমিকা রাখে।
  • সংখ্যা: ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে তুলনামূলকভাবে খুবই কম পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: পরাগপ্রদূষণ, জীবাণু ও পরজীবীর বিরুদ্ধে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া ঘটানো।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: মূলত রেসপিরেটরি ও মিউকাস ঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে এবং অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার সময় ইমিউন রিসেপটর হিসেবে কাজ করে।
```