টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিম্নের কোনটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ নয়?

A. কাঁঠাল
B. নারিকেল
C. আম
D. জাম
সঠিক উত্তরঃ B. নারিকেল
Explanation:

Another Explanation (5):

দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ: নারিকেল কেন নয়? 🌴

দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ (Dicotyledon) বলতে বোঝায় সেইসব উদ্ভিদ যাদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে। বীজপত্র হলো ভ্রূণের প্রাথমিক পাতা যা অঙ্কুরোদগমের সময় খাদ্য সরবরাহ করে। নিচে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য এবং নারিকেল কেন এর উদাহরণ নয়, তা আলোচনা করা হলো:

দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যসমূহ 🌿

  • বীজপত্র: দুটি বীজপত্র থাকে। 🌱🌱
  • ভাস্কুলার বান্ডেল: কাণ্ডের ভাস্কুলার বান্ডেলগুলো একটি নির্দিষ্ট চক্রে সজ্জিত থাকে। 🪵
  • পাতার শিরাবিন্যাস: জালিকাকার শিরাবিন্যাস দেখা যায়। 🍁
  • মূল: প্রধান মূলতন্ত্র বিদ্যমান। 🥕
  • পুষ্প: সাধারণত চারটি বা পাঁচটি পাপড়ি থাকে। 🌸🌼

নারিকেল: একটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ 🥥

নারিকেল (Coconut) একবীজপত্রী উদ্ভিদ। এর কিছু বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. বীজপত্র: একটি মাত্র বীজপত্র থাকে। 🌾
  2. ভাস্কুলার বান্ডেল: কাণ্ডে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো থাকে। 🌴
  3. পাতার শিরাবিন্যাস: সমান্তরাল শিরাবিন্যাস দেখা যায়। 🍃
  4. মূল: গুচ্ছমূল বিদ্যমান। 🍄
  5. পুষ্প: সাধারণত তিনটি করে পাপড়ি থাকে। 🏵️

তুলনামূলক তালিকা 📊

বৈশিষ্ট্য দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ নারিকেল (একবীজপত্রী)
বীজপত্র সংখ্যা ২টি ১টি
ভাস্কুলার বান্ডেল চক্রে সজ্জিত বিক্ষিপ্ত
পাতার শিরাবিন্যাস জালিকাকার সমান্তরাল
মূলতন্ত্র প্রধান মূল গুচ্ছমূল

আরো কিছু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ 🤔

  • আম 🥭
  • কাঁঠাল 🍉
  • সরিষা 🌻
  • শিম 🥜
  • বেগুন 🍆

উপসংহার 🎉

উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে নারিকেল দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে না। এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ হওয়ার কারণে এর বীজে একটি মাত্র বীজপত্র বিদ্যমান। তাই, নারিকেল দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ নয়। 👍

আশা করি, বিষয়টি বোধগম্য হয়েছে।Happy learning! 📚

Option A Explanation:

কাঁঠাল গাছের বৈশিষ্ট্য

  • একক ফলের গঠন: কাঁঠাল গাছে একটি পুষ্প মঞ্জুরির সব পুষ্প মিলে একটিমাত্র ফল গঠন করে।
  • অসাধারণ ফলপ্রসূতা: প্রতিটি ফুলের সমন্বয়ে একটি বৃহৎ ফল তৈরি হয়, যা কাঁঠালের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
  • বিশাল আকার: কাঁঠালের ফল সাধারণত অনেক বড় হয়, যা একক ফলের গঠনকে স্পষ্ট করে।
  • অঙ্কুরের সংখ্যা: এই গাছে সাধারণত একাধিক ফুলের সমন্বয়ে একক ফল গঠিত হয়।
  • প্রাকৃতিক উদাহরণ: কাঁঠাল গাছে এই প্রক্রিয়াটি প্রাকৃতিকভাবেই ঘটে, যা এই ফলের একক ফলের বৈশি??্ট্যকে নিশ্চিত করে।
Option B Explanation:
  • প্রকার: ভাস্কুলার উদ্ভিদ (ভাস্কুলার টিস্যু যুক্ত উদ্ভিদ)
  • প্রকার: ডিম্বাকৃতি (ডিম্বাকৃতি অঙ্কুরোদগমের জন্য উপযুক্ত)
  • আকার: বৃহৎ এবং শক্তিশালী অঙ্কুরোদগম সক্ষম
  • অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়া: জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম (ঝরেপড়া বা মূল গাছ থেকে সরাসরি অঙ্কুর উৎপন্ন হয়)
  • উপযুক্ততা: সাধারণত নারিকেল গাছে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম হয়, যা মূল গাছ থেকে সরাসরি অঙ্কুর সৃষ্টি করে
  • অন্য তথ্য: এই প্রক্রিয়ায় মূল গাছের গোপনীয় ও শক্তিশালী অঙ্কুর জন্ম নেয়, যা গাছের বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ
Option C Explanation:
  • নাম: আম
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ফল যা সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • সাধারণ ব্যবহার: খাওয়া হয় সরাসরি, বিভিন্ন মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার হয়।
  • পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ফাইবারে সমৃদ্ধ।
  • চেহারা: পুরু আকারে, সাধারণত হলুদ রঙের এবং মিষ্টি স্বাদের।
Option D Explanation:
  • প্রকার: ফল
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি একটি সাধারণ ফল যা বিভিন্ন ধরনের স্থানীয় ও আঞ্চলিক অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • সাধারণ ব্যবহার: খাদ্য, মিষ্টি, জ্যাম, জেলি ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
  • পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
  • অন্য নাম: জামফল, জাম গাছের ফল।
  • উৎপত্তি: ভারত উপমহাদেশে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা অঞ্চলে প্রচুর জন্মে।