টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

পেঁপের রিংস্পট রোগটির জন্য দায়ী ভাইরাস কোনটি?

A. T2
B. T4
C. HIV
D. PRSV-P
সঠিক উত্তরঃ D. PRSV-P
Explanation: পেঁপের রিংস্পট রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস হলো Papaya ringspot virus-P (PRSV-P)।
Another Explanation (5):

পেঁপের রিংস্পট রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটি কী?

পেঁপের (পেপে) রিংস্পট রোগ একটি সাধারণ ফলের রোগ, যা ফলের উপর চিত্রের মতো গোলাকার বা রিংয়ের মতো দাগ সৃষ্টি করে। এই রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটি হলো PRSV-P (Papaya ringspot virus - type P)।

প্রধান বিষয়সমূহ:

  • প্রভাবিত ফলের উপর রিং বা দাগের সৃষ্টি করে।
  • পেঁপের উৎপাদন ও মান কমিয়ে দেয়।
  • ভাইরাসটি মূলত ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্লেষণ:

PRSV-P ভাইরাসটি একটি রাইভোভাইরাস (Potyvirus) পরিবারের সদস্য। এটি মূলত ফলের গাছে আঘাত করে এবং ফলের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই ভাইরাসটি সাধারণত পেঁপে গাছে একবার সংক্রমিত হলে দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যায়।

সংক্রমণের মাধ্যম:

মাধ্যম বর্ণনা
সাধারণ রোপণ উপকরণ সংক্রমিত গাছ থেকে রোপণের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।
উপকারী পতঙ্গ উদাহরণস্বরূপ, অ্যাপিস পেপারোড বা অন্যান্য পোকামাকড় দ্বারা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়।
প্রাকৃতিক কারণে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা অনুযায়ী ভাইরাসের বিস্তার হতে পারে।

উপসর্গসমূহ:

  • পত্রপাত্রে রিং বা গোলাকার দাগ।
  • ফলের উপর রঙ পরিবর্তন ও ক্ষয়।
  • ফলের উৎপাদন কমে যায়।

উপসর্গের ছবি:

😊🌱🌟 (অতিরিক্ত ইনফরমেশন ও ছবি যুক্ত করতে পারেন)

উপযুক্ত প্রতিরোধ:

  • সংক্রমিত গাছ দ্রুত কেটে ফেলা।
  • নিরপেক্ষ ও অচেনা রোপণ উপকরণ ব্যবহার।
  • উৎপাদনের জন্য ভাইরাস মুক্ত গাছের চারা নির্বাচন।
  • পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত নজরদারি।

সুতরাং, পেঁপের রিংস্পট রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস হলো PRSV-P।

Option A Explanation:

বিশ্লেষণ: T2

  • প্রকার: ট্যাগোম্যোভাইরাস পরিবারের ভাইরাস
  • গবেষণা: T2 ভাইরাস মূলত ব্যাকটেরিয়াতে আক্রমণ করে, তবে এটি একটি ধরণের ডেনড্রাইট ভাইরাস, যা ডেনড্রাইট ভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত।
  • জেনেটিক উপাদান: এটি RNA ভাইরাস নয়, বরং DNA ভাইরাস।
  • উপসংহার: T2 ভাইরাস RNA ভাইরাস নয়, এটি DNA ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত।
Option B Explanation:
  • T4 ভাইরাস: এটি একটি রাইনোভাইরাস যা সাধারণত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে যুক্ত।
  • প্রভাব: T4 ভাইরাস মূলত মানুষের ঠান্ডা ও শ্বাসযন্ত্রের রোগ সৃষ্টি করে।
  • প্রজাতি: এটি একটি নোভোভাইরাস, যা রাইনোভাইরাসের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।
  • সংক্রমণের উপায়: হাঁচি, কাশি বা সংস্পর্শের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে।
  • প্রতিরোধ: যথাযথ ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও হাত ধোয়া এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
Option C Explanation:

HIV (Human Immunodeficiency Virus) সম্পর্কিত তথ্য

  • প্রকার: ভাইরাস
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি ইমার্জিং ভাইরাসের মধ্যে অন্যতম, যা মহামারী আকারে ছড়িয়ে ??ড়েছে।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: মূলত রক্ত, যৌন সংস্পর্শ, ও মা থেকে সন্তানকে।
  • প্রভাব: এটি শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধ্বংস করে, ফলে অন্যান্য সংক্রমণ ও রোগের জন্য ঝুঁকি বাড়ে।
  • উপসর্গ: সাধারণত প্রথমে উপসর্গ দেখা যায় না, তবে পরে ক্লান্তি, ওজন কমে, জ্বর, ক্ষত ইত্যাদি হতে পারে।
  • উপশম ও প্রতিকার: এই ভাইরাসের জন্য এখনো কোন সম্পূর্ণ নিরাময় নেই, তবে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ দিয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
Option D Explanation:
  • PRSV-P (Papaya Ringspot Virus - Potyvirus genus):
  • একটি ভাইরাস যা পেঁপে গাছের উপর আক্রমণ করে।
  • এটি মূলত পেঁপে গাছের পাতা ও ফলের উপর রিংস্পট সৃষ্টি করে, য?? ফলের মান কমিয়ে দেয় এবং ফলন কমায়।
  • প্রধানত এই ভাইরাসটি পেঁপে এবং অন্যান্য কুমড়া পরিবারের গাছের জন্য ক্ষতিকর।
  • এটি সংক্রামক ভাইরাস, যা সাধারণত ভাইরাস বহনকারী পতঙ্গ বা আক্রান্ত উদ্ভিদের মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রতিরোধের জন্য ভাইরাস মুক্ত চারা ব্যবহার, পতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ, এবং নিয়মিত মনিটরিং গুরুত্বপূর্ণ।