টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ইথোলজির জনক কে?

A.

টিনবারজেন 

B.

লরেঞ্জ 

C.

পেভলো

D.

এরিস্টটল

সঠিক উত্তরঃ B.

লরেঞ্জ 

Explanation:

Another Explanation (5):

ইথোলজি: আচরণের বিজ্ঞান 🐒

ইথোলজি হলো প্রাণীদের আচরণ এবং তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে সেই আচরণের বিবর্তন নিয়ে অধ্যয়ন। এই বিজ্ঞান আচরণের পেছনের কারণ, প্রক্রিয়া এবং অভিযোজনগত তাৎপর্য বোঝার চেষ্টা করে।

ইথোলজির জনক: কনরাড লরেঞ্জ 👨‍🏫

কনরাড লরেঞ্জকে ইথোলজির জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি প্রাণীদের সহজাত আচরণ (instinctive behavior) নিয়ে গবেষণা করে খ্যাতি অর্জন করেন।

লরেঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ অবদানসমূহ:

  • ছানা পরিচিতি (Imprinting): হাঁসের বাচ্চা ডিম ফোটার পর যা দেখে তাকেই মা হিসেবে ধরে নেয় – এই ধারণা দেন। 🐣
  • আক্রমণাত্মক আচরণ (Aggression): প্রাণীদের মধ্যে মারামারি ও এর কারণ নিয়ে গবেষণা করেন। 😾
  • অনুপ্রেরণামূলক আচরণ (Fixed Action Pattern): কিছু আচরণ জন্মগতভাবে নির্দিষ্ট, যা পরিবেশের পরিবর্তনেও বদলায় না।

ইথোলজির গুরুত্বপূর্ণ ধারণা:

ধারণা ব্যাখ্যা উদাহরণ
সহজাত আচরণ (Innate Behavior) জন্মানোর পর থেকেই প্রাণীরা যে আচরণগুলো করতে পারে, যেগুলো শেখানো লাগে না। মাকড়সার জাল বোনা, পাখির বাসা তৈরি। 🕸️🐦
শেখানো আচরণ (Learned Behavior) পরিবেশ থেকে শেখা আচরণ, যা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অর্জিত হয়। শিম্পাঞ্জির বাদাম ভাঙার কৌশল। 🐒🥜
যোগাযোগ (Communication) প্রাণীরা একে অপরের সাথে বিভিন্ন সংকেত (যেমন শব্দ, অঙ্গভঙ্গি) এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে। মৌমাছির নৃত্য (waggle dance)। 🐝💃

ইথোলজির শাখা:

  1. আচরণগত বাস্তুবিদ্যা (Behavioral Ecology)
  2. সমাজজীববিদ্যা (Sociobiology)
  3. তুলনামূলক মনোবিজ্ঞান (Comparative Psychology)

ইথোলজির ভবিষ্যৎ 🔮

ইথোলজি বর্তমানে আচরণ বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। প্রাণীদের আচরণ এবং পরিবেশের উপর তাদের প্রভাব বুঝতে এই বিজ্ঞান সাহায্য করে। পরিবেশ সুরক্ষায় এবং প্রাণী ব্যবস্থাপনায় এর অবদান অনেক। 🐾🌳

আশা করি, ইথোলজি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। ধন্যবাদ! 😊

Option A Explanation:
  • টিনবারজেন (Thomas Hunt Morgan):
  • তিনি একজন মার্কিন জেনেটিক্সবিদ, যিনি মূলত ডি-অ্যাক্সিসের উপর গবেষণা করেন।
  • তিনি 1933 সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জেনেটিক্সে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য।
  • টিনবারজেনের গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল জেনেটিক ট্রান্সমিশন এবং ক্রোমোজোমের ভূমিকা নিয়ে।
  • তিনি মাউস বা অন্যান্য জীবের পরিবর্তে ফলমূলের ঝিঙে (ডি-অ্যাক্সিস) ব্যবহার করে জেনেটিক্সের মৌলিক ধারণা উন্নত করেন।
Option B Explanation:
  • নাম: লরেঞ্জ
  • প্রসিদ্ধতা: জৈব রসায়নে তার গবেষণার জন্য পরিচিত
  • মূল গবেষণা ক্ষেত্র: কার্বোহাইড্রেট এবং অণুজীবের সাথে সম্পর্কিত গবেষণা
  • অন্য কিছু অবদান: অণুজীবের মাইক্রোবায়োলজিতে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা
  • গবেষণার প্রভাব: জীববিজ্ঞান এবং রাসায়নিক বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন
Option C Explanation:
  • পেভলো: পেভলো হল এক ধরনের প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত, যিনি মূলতঃ ধাতুকর্ম ও ধাতুবিদ্যার উপর গবেষণা করেছেন। তার গবেষণাগুলি প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার ধাতুকর্মের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি ধাতুর গঠন, গঠনপ্রণালী ও প্রক্রিয়াগুলি বিশ্লেষণ করে ধাতুবিদ্যার মৌলিক ধারণাগুলিকে উন্নত করেছেন। তার কাজের মাধ্যমে ধাতুর প্রক্রিয়াকরণ ও ব্যবহার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান অর্জিত হয়।
Option D Explanation:
  • এরিস্টটল - প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক হিসেবে তিনি জীববিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
  • তিনি জীবের জন্ম ও বিকাশের প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন।
  • তার মতে, জীবের জন্মের জন্য নির্দিষ্ট "অজান্ত" বা "উৎপত্তি" ধারণা ছিল, যেখানে তিনি বিশ্বাস করতেন যে, জীবের জন্মের জন্য ধীরে ধীরে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া ঘটে।
  • তাঁর দৃষ্টিতে, ডিম্বাণু থেকে জীবের সূচনা হয় এবং এই প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ও স্বয়ংক্রিয়।