টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোষের তড়িচ্চালক বল পরিমাপ করার যন্ত্রের নাম-

A.

গ্যালভানোমিটার

B.

 মিটার ব্রিজ

C.

অ্যামিটার

D.

পোটেনশিওমিটার

সঠিক উত্তরঃ D.

পোটেনশিওমিটার

Explanation:

Another Explanation (5):

কোষের তড়িচ্চালক বল পরিমাপক যন্ত্র: পোটেনশিওমিটার 🧪

পোটেনশিওমিটার (Potentiometer) হলো এমন একটি সূক্ষ্ম যন্ত্র ⚙️, যা কোনো কোষ বা উৎসের তড়িচ্চালক বল (Electromotive Force বা EMF) সঠিকভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ভোল্টমিটারের তুলনায় অনেক বেশি নিখুঁত ফলাফল দিতে পারে, কারণ এটি বর্তনী থেকে কোনো তড়িৎ প্রবাহ না নিয়েই EMF নির্ণয় করে।

পোটেনশিওমিটারের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • নাল বা শূন্য বিক্ষেপ পদ্ধতি: এটি নাল বা শূন্য বিক্ষেপ (Null Deflection) পদ্ধতিতে কাজ করে। অর্থাৎ, যখন গ্যালভানোমিটারের (Galvanometer) বিক্ষেপ শূন্য হয়, তখনই EMF মাপা হয়।
  • অভ্যন্তরীণ রোধের প্রভাবমুক্ত: যেহেতু এটি বর্তনী থেকে কারেন্ট টানে না 🚫, তাই কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ (Internal Resistance) পরিমাপে কোনো প্রভাব ফেলে না।
  • উচ্চ সংবেদনশীলতা: পোটেনশিওমিটার খুব অল্প পরিমাণ বিভব পার্থক্যও সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারে।

পোটেনশিওমিটারের গঠন 🧱:

পোটেনশিওমিটারের প্রধান অংশগুলো হলো:

  1. রোধ তার (Resistance Wire): এটি সাধারণত ম্যাঙ্গানিন (Manganin) বা কন্সট্যান্টান (Constantan) তারের তৈরি, যার রোধ তাপমাত্রা পরিবর্তনে কম পরিবর্তিত হয়।
  2. চালক কোষ (Driver Cell): এটি একটি স্থিতিশীল ভোল্টেজ সরবরাহ করে।
  3. গ্যালভানোমিটার: এটি বর্তনীতে কারেন্টের উপস্থিতি নির্ণয় করে।
  4. জোকি (Jockey): এটি রোধ তারের উপর স্পর্শ করিয়ে সংযোগ স্থাপন করে।
  5. রোধক (Resistor): বর্তনীর রোধ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবহার করা হয়।

কার্যপ্রণালী ⚙️:

পোটেনশিওমিটারের কার্যপ্রণালী নিচে দেওয়া হলো:

  1. প্রথমে, চালক কোষকে রোধ তারের সাথে যুক্ত করা হয়। 🔋
  2. এরপর, যে কোষের EMF নির্ণয় করতে হবে, সেটিকে গ্যালভানোমিটারের সাথে যুক্ত করে রোধ তারের উপর জোকি স্পর্শ করানো হয়।
  3. জোকির অবস্থান এমনভাবে পরিবর্তন করা হয়, যেন গ্যালভানোমিটারের বিক্ষেপ শূন্য হয়। 🎯
  4. এই অবস্থায়, রোধ তারের যে দৈর্ঘ্যের জন্য বিক্ষেপ শূন্য হয়, তা মাপা হয়।
  5. অজানা কোষের EMF, রোধ তারের দৈর্ঘ্যের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।📏

পোটেনশিওমিটারের ব্যবহার 💡:

  • কোষের EMF নির্ণয় করা। ✅
  • দুটি কোষের EMF-এর তুলনা করা। ⚖️
  • বর্তনীর অজানা রোধ নির্ণয় করা। ❓
  • ভোল্টমিটার ও অ্যামমিটারের ক্রমাঙ্কন (Calibration) করা। 🛠️

সুবিধা 👍 ও অসুবিধা 👎:

সুবিধা অসুবিধা
উচ্চ নির্ভুলতা সম্পন্ন। 💯 যন্ত্রটি তুলনামূলকভাবে জটিল। 🤔
অভ্যন্তরীণ রোধের প্রভাবমুক্ত। 😊 ব্যবহারের জন্য দক্ষ জনবল প্রয়োজন। 👨‍🏫
নাল বিক্ষেপ পদ্ধতিতে কাজ করে। 👌 বহন করা কঠিন। 🚚

আশা করি, পোটেনশিওমিটার সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। ✨