লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
তেলাপোকা সহ আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের রক্তে অক্সিজেন পরিবহনকারী হিমোগ্লোবিন থাকে না। এদের রক্ত বর্ণহীন বা হালকা হলুদাভ হয়ে থাকে। এই রক্তে যে রক্তকণিকা পাওয়া যায়, তার নাম হিমোসাইট।
হিমোসাইট হলো আর্থ্রোপোডার (যেমন: তেলাপোকা, ঘাসফড়িং) রক্তে উপস্থিত কোষ। এটি মেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্তের শ্বেত রক্তকণিকার (white blood cells) মতো কাজ করে। তবে এর কাজ শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়, আরও অনেক কিছু।
বিভিন্ন ধরনের তেলাপোকাতে বিভিন্ন প্রকার হিমোসাইট দেখা যায়। এদের মধ্যে প্রধান কয়েকটি হলো:
| প্রকারভেদ | বৈশিষ্ট্য | কাজ |
|---|---|---|
| প্রোহেমোসাইট (Prohemocyte) | ছোট আকারের, গোলাকার নিউক্লিয়াস যুক্ত। | অন্যান্য হিমোসাইটের উৎপত্তিতে সাহায্য করে। 👶 |
| প্লাজমাটোসাইট (Plasmatocyte) | বড় আকারের, অনিয়মিত আকৃতির। | ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে এবং ক্ষত নিরাময়ে অংশ নেয়। 🦠 ➡️ 🗑️ |
| গ্রানুলোসাইট (Granulocyte) | কোষের সাইটোপ্লাজমে ছোট ছোট দানা (granules) থাকে। | encapsulation প্রক্রিয়ায় পরজীবীকে আবদ্ধ করে এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। 🐛➡️📦 |
| স্ফেরিউলোসাইট (Spherulocyte) | সাইটোপ্লাজমে বড় আকারের স্ফেরিউল (spherule) থাকে। | ক্ষত নিরাময়ে ভূমিকা রাখে বলে মনে করা হয়। ❓ |
কিছু কিছু ক্ষেত্রে, হিমোসাইট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ তৈরি করতে কাজে লাগে।🧪
আশা করি, তেলাপোকার রক্তকণিকা সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 👍
```