টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অ্যামিনো এসিডের পলিমার যৌগটি জীবদেহের বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটির সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে ভিন্নরূপে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে। 

ধাতু যুক্ত জৈব যৌগের রূপটিকে বলা হয়


A.

এনজাইম 

B.

কো ফ্যাক্টর

C.

কো এনজাইম 

D.

এপো এনজাইম 

সঠিক উত্তরঃ B.

কো ফ্যাক্টর

Another Explanation (5): অ্যামিনো এসিডের পলিমার যৌগটি জীবনদেহের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই যৌগের মধ্যে ধাতু যুক্ত হয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যা এটির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। এই ধাতু যুক্ত জৈব যৌগকে সাধারণত বলা হয় "কো-ফ্যাক্টর"। ব্যাখ্যা:
  • কো-ফ্যাক্টর হলো এমন ধাতু বা জৈব যৌগ যা এঞ্জাইমের কার্যকলাপকে সক্রিয় করে।
  • এটি অপ্রধান উপাদান হলেও এঞ্জাইমের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, ধাতু যেমন জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানেজ, বা লোহা কো-ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে।
  • এই কো-ফ্যাক্টর দ্বারা এঞ্জাইমের গঠন পরিবর্তিত হয় এবং এটি নির্দিষ্ট রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
সারাংশে, ধাতু যুক্ত জৈব যৌগ বা কনভেন্ট্রেটেড যৌগের রূপটি “কো-ফ্যাক্টর” নামে পরিচিত, যা জীবদেহের বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
Option A Explanation:
  • এনজাইম: এনজাইম হলো প্রাকৃতিক বা জীবন্ত কোষ দ্বারা উৎপাদিত প্রোটিন ধরনের জৈব রাসায়নিক উপাদান, যা রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া দ্রুততর করে।
  • এরা জীববৈচিত্র্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যেমন পুষ্টি প্রক্রিয়া, ডিহাইড্রেশন, ক্ষয়প্রাপ্তির প্রতিরোধ ইত্যাদি।
  • উদাহরণস্বরূপ, অ্যামাইলেস, লিপেজ, ট্রান্সফারেজ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের এনজাইম পাওয়া যায়।
  • এনজাইম সাধারণত কোষের ভিতরে বা বাইরে কাজ করে এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পাদনে সহায়তা করে।
Option B Explanation:
  1. কো ফ্যাক্টর হলো একটি অজৈব যৌগ বা ধাতু যা কোনো এনজাইমের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
  2. এটি মূলত এনজাইমের কার্যকলাপে সহায়ক পদার্থ হিসেবে কাজ করে এবং এনজাইমের সক্রিয় স্থানে উপস্থিত থাকে।
  3. কো ফ্যাক্টর ছাড়া অনেক এনজাইম তাদের সঠিক কার্য সম্পাদন করতে পারে না।
  4. এটি ধাতু বা অজৈব যৌগ হিসেবে থাকতে পারে, যেমন লোহা, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক ইত্যাদি।
  5. উদাহরণস্বরূপ, হিমোগ্লোবিনে লোহা কো ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে।
Option C Explanation:
  1. কো এনজাইম (Coenzyme): কো এনজাইম হলো একটি প্রকার জৈব যৌগ, যা এনজাইমের কার্যকারিতাকে বৃদ্ধি বা সহায়তা করে। এগুলি সাধারণত ছোট আকারের জৈব যৌগ, যেমন ভিটামিন বা তাদের যৌগিক রূপ।
  2. ভুমিকা: কো এনজাইম মূল এনজাইমের সক্রিয় কেন্দ্রের সাথে যুক্ত হয়ে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। এটি এনজাইমের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন বায়োকেমিক্যাল প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
  3. উদাহরণ: ভিটামিন বি-কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ভিটামিন যেমন নাইয়াসিন, রিবোফ্লাভিন, পেরিডক্সিন ইত্যাদি কো এনজাইম হিসেবে কাজ করে।
  4. গুরুত্ব: কো এনজাইমের উপস্থিতি ছাড়া অনেক জৈব বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় না, ফলে জীবদেহের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় না।
Option D Explanation:
  • এপো এনজাইম ( Apoenzyme ) হলো একটি প্রাকৃতিক এনজাইমের অপরিহার্য অংশ, যা সাধারণত কো-ফ্যাক্টর বা কো-এনজাইমের সাথে সংযুক্ত না থাকলে কার্যকরী হয় না।
  • এটি এনজাইমের প্রোটিন অংশ, যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সহায়তা করে।
  • কো-ফ্যাক্টর বা কো-এনজাইমের সাথে যুক্ত হলে এটি সম্পূর্ণ সক্রিয় হয় এবং জটিল রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলিতে অংশ নিতে সক্ষম হয়।
  • অর্থাৎ, এপো এনজাইম হলো এনজাইমের সেই অংশ যা কো-ফ্যাক্টর যুক্ত না থাকলে কার্যকর হয় না এবং বিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত নয়।