টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটি পুরুষের জন্মনিরোধক পদ্ধতি?

A.

ডায়াফ্রাম

B.

ভ্যাসেকটমি 

C.

কপার T

D.

টিউবেকটমি 

সঠিক উত্তরঃ B.

ভ্যাসেকটমি 

Explanation:

Another Explanation (5):

পুরুষের জন্মনিরোধক পদ্ধতি: ভ্যাসেকটমি

ভ্যাসেকটমি একটি অস্ত্রোপচার পদ্ধতি যা পুরুষদের জন্য স্থায়ী জন্মনিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি শুক্রাণু বহনকারী নালী (vas deferens) কেটে বা বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার ফলে বীর্যে শুক্রাণু নির্গত হতে পারে না।

ভ্যাসেকটমি: বিস্তারিত 👨‍⚕️

  • পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে স্ক্রোটামের (testicles-এর থলি) মাধ্যমে শুক্রাণু বহনকারী নালী সনাক্ত করা হয়। তারপর নালীটি কেটে দুই প্রান্ত বাঁধা অথবা cauterize (তাপ দিয়ে বন্ধ করা) করে দেওয়া হয়।
  • কার্যকারিতা: ভ্যাসেকটমি অত্যন্ত কার্যকর একটি জন্মনিরোধক পদ্ধতি (প্রায় ৯৯% এর বেশি)।
  • স্থায়িত্ব: এটি একটি স্থায়ী পদ্ধতি, তাই যারা ভবিষ্যতে সন্তান নিতে চান না, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত।
  • সময়কাল: সাধারণত ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে।
  • পুনরুদ্ধার: কয়েকদিনের মধ্যে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফেরা যায়।

ভ্যাসেকটমির সুবিধা 👍 ও অসুবিধা 👎

সুবিধা 👍 অসুবিধা 👎
  • উচ্চ কার্যকারিতা
  • দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিরোধক
  • কম জটিলতা
  • গর্ভধারণের ঝুঁকি নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি 😌
  • স্থায়ী পদ্ধতি (ফেরানো কঠিন)
  • অস্ত্রোপচার প্রয়োজন
  • সংক্রমণের সামান্য ঝুঁকি 🤕
  • অল্প ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে
  • এসটিডি ( sexually transmitted disease ) থেকে রক্ষা করে না ⚠️

ভ্যাসেকটমি পরবর্তী কিছু বিষয় 📝

  1. অস্ত্রোপচারের পর কয়েকদিন বিশ্রাম নিতে হবে।
  2. ভারী কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  3. ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
  4. সংক্রমণ এড়াতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।
  5. বীর্য পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে যে বীর্যে কোনো শুক্রাণু নেই। সাধারণত কয়েক মাস এবং কয়েকবার বীর্যপাতের পর এটি নিশ্চিত হওয়া যায়।

অন্যান্য জন্মনিরোধক পদ্ধতির সাথে তুলনা 📊

পদ্ধতি কার্যকারিতা স্থায়িত্ব ঝুঁকি
ভ্যাসেকটমি খুব বেশি (৯৯%+) স্থায়ী কম
কনডম মাঝারি (৮৫%) অস্থায়ী নেই বললেই চলে
পিল (মহিলাদের জন্য) উচ্চ (৯১%) অস্থায়ী হরমোনজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
টিউবেকটমি (মহিলাদের জন্য) খুব বেশি (৯৯%+) স্থায়ী ভ্যাসেকটমির চেয়ে জটিলতা বেশি

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ভ্যাসেকটমি এসটিডি (যেমন: এইডস, সিফিলিস) থেকে সুরক্ষা দেয় না। তাই এসটিডি থেকে বাঁচতে কনডম ব্যবহার করা উচিত। 👍

এই তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য। বিস্তারিত জানতে এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শের জন্য একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। 🙏

Option A Explanation:
  • ডায়াফ্রাম: ডায়াফ্রাম হলো একটি পেশী যা বুকের কক্ষে অবস্থিত এবং শ্বাসপ্রশ্বাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি শ্বাস প্রশ্বাসের সময় ফুসফুসের উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার জন্য সহায়তা করে।
  • শারীরিক কার্যকলাপের সময় এটি সংকোচন বা প্রশস্ত হয়, ফলে শ্বাসের প্রক্রিয়া সহজ হয়।
Option B Explanation:

ভ্যাসেকটমি

  • একটি স্থায়ী জন্মনিরোধক পদ্ধতি যা পুরুষদের জন্য প্রয়োগ করা হয়।
  • এটি পুরুষের শুক্রনালীর (vas deferens) বন্ধ করে দেয়, যার ফলে শুক্রাণু শুক্রাশয় থেকে শুক্রনালীর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না।
  • প্রক্রিয়াটি সাধারণত সার্জারির মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এবং দীর্ঘমেয়াদী বা স্থায়ী ফলাফল দেয়।
  • এটি মহিলাদের জন্য নয়, বরং পুরুষদের জন্য একটি স্থায়ী জন্মনিরোধক পদ্ধতি।
  • প্রক্রিয়ার পরে, পুরুষের শুক্রাণু মুক্ত হয়, ফলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমে আসে।
Option C Explanation:

কপার T এর ব্যাখ্যা

  • প্রকার: এটি একটি প্রকারের হরমোনমুক্ত জন্মনিরোধক পদ্ধতি।
  • ধরণ: এটি একটি কন্ট্রাসে???টিভ বা বন্ধকরণ ডিভাইস, যা মূলত জরায়ুর ভিতরে স্থাপন করা হয়।
  • প্রক্রিয়া: কপার T জরায়ুর মধ্যে স্থাপন করে তা পরজীবী কোষের বৃদ্ধি ও শুক্রাণু দ্বারা গামেন্টের সংযোগ প্রতিরোধ করে।
  • সুবিধা: এটি দীর্ঘমেয়াদী, সাধারণত ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কার্যকর, এবং স্থাপন করার পর অতি কম রকমের সমস্যা হয়।
  • প্রতিক্রিয়া: এটি হরমোন মুক্ত হওয়ায় কিছু মহিলার জন্য উপযুক্ত, যারা হরমোন ভিত্তিক জন্মনিরোধক পদ্ধতি এড়াতে চান।
Option D Explanation:
  1. টিউবেকটমি: এটি একটি স্থায়ী জন্মনিরোধক পদ্ধতি যা মহিলাদের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে মহিলাদের উরুর নল বা ফ্যালোপিয়ান টিউবগুলো বন্ধ বা কেটে দেয়া হয়। এর ফলে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন ঘটে না, ফলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমে যায়।
  2. প্রক্রিয়াটি সাধারণত সার্জারির মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী জন্মনিরোধক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়।
  3. এটি মহিলাদের জন্য একবার সম্পন্ন হলে, পুনরায় এই পদ্ধতি পরিবর্তন বা অপসারণের প্রয়োজন হয় না, এবং এটি খুব কার্যকরী।